Indian projects along Pakisan-China border: চিন-পাক সীমান্ত এলাকায় ৩৯,০০০-র বেশি প্রকল্পে অনুমতি ভারতের, আসল কারণটা কী?
ভারত-পাক ও চিন সীমান্তে ৩৯,০০০ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অনুমোদন দিল কেন্দ্র। বর্ডার এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের অধীনে সীমান্ত গ্রামগুলিতে পরিকাঠামো বিপ্লবের বিস্তারিত পড়ুন।
দেশের সীমান্ত সুরক্ষা এবং সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ভারত সরকার। মঙ্গলবার লোকসভায় এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই জানিয়েছেন যে, ২০০৪-০৫ অর্থবর্ষ থেকে 'বর্ডার এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম'-এর আওতায় উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান এবং জম্মু ও কাশ্মীর-সহ বিভিন্ন সীমান্ত সংলগ্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মোট ৩৯,২৪৮টি প্রকল্প বা কাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
উন্নয়নের মূল লক্ষ্য ও ব্যাপ্তি
ভারত সরকারের এই কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য হল আন্তর্জাতিক সীমান্তের ০-১০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত গ্রাম ও শহরগুলির বিশেষ চাহিদা পূরণ করা। এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে কেবল যে সামরিক পরিকাঠামো মজবুত হচ্ছে তা নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নেও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে -
১) নতুন রাস্তা নির্মাণ ও সংস্কার।
২) আধুনিক সেতু এবং নিকাশি ব্যবস্থা।
৩) সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো।
৪) স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আধুনিকীকরণ এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য আবাসন।
৫) স্কুল ও হোস্টেল নির্মাণ, অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র স্থাপন।
৬) স্থানীয় মানুষের জীবিকার উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন বিশেষ প্রজেক্ট।
ভাইব্রেন্ট ভিলেজেস প্রোগ্রাম: সীমান্তের নতুন মুখ
সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে জনশূন্য হওয়া থেকে বাঁচাতে এবং উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে সরকার আরও দুটি বড় কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ২০২৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্র 'ভাইব্রেন্ট ভিলেজেস প্রোগ্রাম-১' অনুমোদন করে, যা মূলত উত্তর সীমান্তের ৬৬২টি গ্রামকে কেন্দ্র করে। এরপর ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল ১,৯৫৪টি গ্রামকে নিয়ে 'ভাইব্রেন্ট ভিলেজেস প্রোগ্রাম-২' অনুমোদিত হয়। ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলিকেও এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং ২০২৮-২৯ অর্থবর্ষ পর্যন্ত এই কাজ চলবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


