Bangladesh: ইউনুস আমলে ঢাকা-করাচি বিমান চালু হয় বহু বছর পর,এবার তারেক জমানায় ইসলামাবাদের নয়া আবদার! কী চাইছে পাক?
তারেক রহমানের আমলের বাংলাদেশ থেকে এবার পাকিস্তান কী চাইছে?
ছাত্র-জনতা অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের বাংলাদেশে পতন হতেই, সেদেশের মসনদে বসেছিলেন মহম্মদ ইউনুস সরকার। সেই আমলে ক্রমেই পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বেড়ে যায় বাংলাদেশের। ইউনুস আমলের ঢাকার সঙ্গে ইসলামাবাদের ঘনিষ্ঠতার অন্যতম নির্দশন হল, ঢাকা-করাচি বিমান চালু। ১৯৭১ সালের মুক্তি যুদ্ধের নারকীয় অত্যাচারের ইতিহাস ভুলে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশ হাত মিলিয়ে শুরু করে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান পরিষেবা। এবার তারেক রহমান বাংলাদেশের গদিতে বসতেই পাকিস্তান তার নয়া আর্জি সামনে রেখেছে।
ঢাকায় এদিন বাংলাদেশের অসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রকের মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত ইমরান হায়দার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনায় পাকিস্তান, বাংলাদেশের সঙ্গে বিমান খাতে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। দুই দেশের মধ্যে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর পক্ষে সায় দিয়েছে পাকিস্তান। এছাড়াও ফের একবার ঢাকা-লাহোর বিমান চালুর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইসলামাবাদ। ঢাকায় বিকেল সাড়ে ৩ টে নাগাদ হওয়া এই আলোচনায় পাকিস্তান ফের একবার আকাশপথে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গাঢ় করার আগ্রহ প্রকাশ করে।
এদিকে, বাংলাদেশের অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আলোচনায় দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ়, গতিশীল ও বহুমাত্রিকভাবে সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে বিমান ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
এছাড়াও পর্যটনের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে আলোচনায় গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। পর্যটন খাতের উন্নয়নে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করা হয় বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, তারেক রহমানের আমলে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের স্রোত কোন খাতে বয়, সেদিকে তাকিয়ে দিল্লিও। এদিকে, আজকের আলোচনায় ঢাকার তরফে বাংলাদেশের সামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতে পাকিস্তানের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন বৈঠকে থাকা সেদেশের মন্ত্রীরা।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


