...
...
Next Story

CJP says Centre reached out: 'সরকার যোগাযোগ...,' সংসদ অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার, নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে সিজেপি প্রতিনিধিরা?

CJP says Centre reached out: এদিন এক্স হ্যান্ডলে সিজেপি-র মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, তিনি এবং দলের আর এক মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন।

Published on: Jul 20, 2026 01:23 PM IST
Advertisement

CJP says Centre reached out: সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের টানা অনশন এবং ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) লাগাতার প্রতিবাদের পর অবশেষে কী নমনীয় হল কেন্দ্রীয় সরকার? সোমবার সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর দিনে ‘চলো সংসদ’ অভিযানের ঠিক আগেই সিজেপি নেতৃত্ব দাবি করল, দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে কেন্দ্রের তরফ থেকে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। সিজেপি মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন তাঁরা। যদিও এই বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে সংসদ অভিযানের ঠিক আগে বিক্ষোভকারী শিবিরের এই দাবি নিয়ে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

সংসদ অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার, জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে সিজেপি প্রতিনিধিরা (REUTERS)
সংসদ অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার, জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে সিজেপি প্রতিনিধিরা (REUTERS)

এদিন এক্স হ্যান্ডলে সিজেপি-র মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, তিনি এবং দলের আর এক মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন। সৌরভ দাস লেখেন, 'সময় ১১টা ৫২ মিনিট। ককরোচ জনতা পার্টির হয়ে আমি এবং আশুতোষ রাঙ্কা জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি। আজ সকালে সরকার আলোচনার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল।’ তিনি আরও বলেন, তাঁদের দাবিগুলি অত্যন্ত স্পষ্ট এবং বিপুল সংখ্যক যুবক ইতিমধ্যেই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। তাঁর দাবি, আলোচনার মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের দাবিতে জয়ী হবেন। সংসদ অভিযান ঘিরে যখন রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তখন কেন্দ্রীয় সরকারের এই যোগাযোগ এবং সিজেপি প্রতিনিধিদের সঙ্গে জেপি নাড্ডার বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে বার্তা সংবাদ এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিজেপি-র মুখপাত্র সৌরভ দাস জানিয়েছেন, এই প্রথমবার সরকারি স্তরে তাঁদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে সরকারের কোনও মন্ত্রী নাকি কোনও উচ্চপদস্থ আধিকারিক তাঁদের কাছে আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছেন, তা এখনও খোলসা করা হয়নি। তাঁর কথায়, 'কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা আসতে অনেকটাই দেরি করে ফেলেছেন। তা সত্ত্বেও আমরা মন খুলে আমাদের কথা বলেছি এবং জানিয়েছি যে আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনও স্পষ্ট বার্তা আসেনি। এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারকেই নিতে হবে।' এদিকে, শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত শনিবারই দিল্লি পুলিশ সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তরের প্রতিবাদ স্থল থেকে তুলে এনে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে। কিন্তু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পরেও তাঁর অনশন আন্দোলন জারি রয়েছে। এরমধ্যেই সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেও অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশন শুরু করেন।

কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগের কথা বলা হলেও, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবারের সংসদ অভিযানের প্রস্তুতি কিন্তু থমকে থাকেনি। অন্যদিকে, বিক্ষোভকারীদের আটকাতে গোটা যন্তর মন্তর এলাকা নিরেট নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলেছে দিল্লি পুলিশ। যন্তর মন্তরে ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিকে ঘিরে হাজার হাজার ছাত্র-যুবক জড়ো হয়েছেন। রবিবার রাত থেকেই ভিড় বাড়তে শুরু করে। পুলিশ সূত্রে খবর, বিক্ষোভকারীদের সংসদ পর্যন্ত মিছিল করতে দেওয়া হবে না। তাদের অগ্রসর হওয়ার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে কেরল ভবন পর্যন্ত। ব্যারিকেড অতিক্রমের অনুমতি কাউকে দেওয়া হবে না। দিল্লি পুলিশ আগেই স্পষ্ট করেছে যে, সংসদ অভিমুখে মিছিলের জন্য কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরু হওয়ায় প্রায় ১০ হাজার পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন রয়েছে সংসদ, যন্তর মন্তর এবং অন্যান্য স্পর্শকাতর এলাকায়।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe