সদ্য দেশ উদযাপন করেছে ৮০ তম স্বাধীনতা দিবস। ঠিক তার আগে, দেশ জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-র দ্বারা সমর্থিত শেহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত ২০০র বেশিজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই নিয়ে একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টও করেছেন।

কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ১৪ রাজ্যে বড়সড় অপারেশন চালিয়ে দেশ জুড়ে ২০০র বেশিজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে অমিত শাহ জানিয়েছেন,' আইএসআই-র সমর্থিত জঙ্গি গোষ্ঠী শেহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দিয়েছে মোদী সরকার।' জানা গিয়েছে, এই অপারেশনের হাত ধরে বহু গ্রেনেড, বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। এছাড়াও উদ্ধার হয়েছে পিস্তল।পাকিস্তানের অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির ছাপ দেওয়া অস্ত্রও উদ্ধার হয়েছে। এমন কিছু সিসিটিভি ক্যামেরা উদ্ধার হয়েছে, যা দিয়ে গুপ্তচরবৃত্তি হচ্ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। শাহ বলেন, দেশজুড়ে চালানো এই অভিযান ভারতের 'সন্ত্রাসবাদের প্রতি জিরো-টলারেন্স' বা কঠোর অবস্থানেরই বহিঃপ্রকাশ; একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে, এই নেটওয়ার্কটি বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল।
এই শেহজাদ ভাট্টি গ্যাংর মুখোশ খুলতে দেশের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চলেছে। তবে অসমে পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স বহু এলাকায় তল্লাশি চালায়। সেখান থেকেই তিনজন অভিযুক্ত অপারেটিভকে পাকড়াও করে। ওই গোষ্ঠীর কার্যকলাপ সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২৪ জুলাই এই অভিযানটি চালানো হয়।অভিযান চলাকালে পুলিশ পাঁচটি মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, আধার কার্ড, ব্যাংক পাসবুক, ডেবিট কার্ড এবং অন্যান্য নথিপত্র উদ্ধার করে। এরপর একইভাবে দিল্লি পুলিশও বড় অভিযান চালায়। পরবর্তীতে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানাতেও অভিযান চলে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে সদ্য একের পর এক সন্দেহভাজন পাকিস্তানি অপারেটিভ ধরা পড়েছে। জানা গেছে, নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ৫০০-এরও বেশি মোবাইল নম্বর ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের ওপর নজর রাখছিল। পাঞ্জাবের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ৪০ জনেরও বেশি সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে এবং হরিয়ানা এসটিএফ প্রায় ৯০ জন যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। দিল্লিতে ২০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের তদন্তে জানা যাচ্ছে, অর্থের বিনিময়ে পুলিশ কর্মীদের ওপর হামলা চালানো এবং সেই হামলার ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার মতো পরিকল্পনাও সন্দেহভাজনদের মধ্যে থাকতে পারে। উত্তর প্রদেশের একটি ঘটনায়, এক পুলিশ কর্মকর্তার ওপর পাক কর্মকর্তাদের নজরদারি চালানো হয়েছিল বলে জানা গেছে, তবে হামলাকারীর অস্ত্রটি ঠিকমতো কাজ না করায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। এছাড়া, পাঞ্জাব পুলিশের তিন সদস্যকে হত্যার দায়ও ভাট্টি সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বীকার করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা আরও অভিযোগ করেছেন যে, ওই নেটওয়ার্কের সদস্যরা দিল্লি ও পাঞ্জাবের জনাকীর্ণ হাসপাতাল, একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়, দিল্লির একটি ঐতিহাসিক মন্দির এবং হিসারের একটি সামরিক ঘাঁটির জিপিএস লোকেশন ও ভিডিও পাঠিয়েছিল। এছাড়া, গ্রেনেড হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দিল্লি-সোনিপত মহাসড়কের পাশে অবস্থিত একটি খাবারের দোকানকেও চিহ্নিত করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
{{/usCountry}}দিল্লি পুলিশের তদন্তে জানা যাচ্ছে, অর্থের বিনিময়ে পুলিশ কর্মীদের ওপর হামলা চালানো এবং সেই হামলার ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার মতো পরিকল্পনাও সন্দেহভাজনদের মধ্যে থাকতে পারে। উত্তর প্রদেশের একটি ঘটনায়, এক পুলিশ কর্মকর্তার ওপর পাক কর্মকর্তাদের নজরদারি চালানো হয়েছিল বলে জানা গেছে, তবে হামলাকারীর অস্ত্রটি ঠিকমতো কাজ না করায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। এছাড়া, পাঞ্জাব পুলিশের তিন সদস্যকে হত্যার দায়ও ভাট্টি সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বীকার করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা আরও অভিযোগ করেছেন যে, ওই নেটওয়ার্কের সদস্যরা দিল্লি ও পাঞ্জাবের জনাকীর্ণ হাসপাতাল, একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়, দিল্লির একটি ঐতিহাসিক মন্দির এবং হিসারের একটি সামরিক ঘাঁটির জিপিএস লোকেশন ও ভিডিও পাঠিয়েছিল। এছাড়া, গ্রেনেড হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দিল্লি-সোনিপত মহাসড়কের পাশে অবস্থিত একটি খাবারের দোকানকেও চিহ্নিত করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
{{/usCountry}}