...
...
Next Story

বড় স্বস্তি রাম মন্দির ট্রাস্টের! অনুদান চুরি কাণ্ডে ক্লিনচিট পেলেন চম্পত রাই

Ram Temple Fund: সিটের প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে ট্রাস্টের সদস্য কৃষ্ণমোহন শ্রী রাম জন্মভূমি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, যার ভিত্তিতে গত ২৫ জুন এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়। এই মামলায় মোট আটজন অভিযুক্তকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Published on: Aug 18, 2026, 13:10:52 IST
Advertisement

Ram Temple Fund: অযোধ্যার রাম মন্দিরের অনুদান চুরির অভিযোগের তদন্তে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইকে (Champat Rai) ছাড় দিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকারের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। ট্রাস্টের প্রাক্তন সদস্য অনিল মিশ্রকেও অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অনুদান চুরি কাণ্ডে ক্লিনচিট পেলেন চম্পত রাই (PTI)
অনুদান চুরি কাণ্ডে ক্লিনচিট পেলেন চম্পত রাই (PTI)

রাম-মন্দিরের অনুদান চুরির বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর গত ২৭ জুন চম্পত রাই এবং অনিল মিশ্র উভয়ই ইস্তফা দিয়েছিলেন। জানা যাচ্ছে, সোমবার উত্তরপ্রদেশের স্বরাষ্ট্র দফতর সিট-এর চূড়ান্ত রিপোর্ট পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের হাতে তুলে দিয়েছে। সেখানেই এই দুজনকে নির্দোষ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের আবেদনে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশে গত ১৩ জুন এই তিন সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠিত হয়েছিল। লখনউয়ের ডিভিশনাল কমিশনার বিজয় বিশ্বাস পান্ত এই প্যানেলের নেতৃত্ব দেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন রেঞ্জ আইজি কিরণ এস এবং বিশেষ সচিব (অর্থ) নীল রতন কুমার। গত ২৩ জুন এই তদন্তকারী দল সরকারের কাছে তাদের প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেয় এবং বেশ কিছু কঠোর সুপারিশ পেশ করে।

সিটের প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে ট্রাস্টের সদস্য কৃষ্ণমোহন শ্রী রাম জন্মভূমি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, যার ভিত্তিতে গত ২৫ জুন এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়। এই মামলায় মোট আটজন অভিযুক্তকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতরা হলেন- অবিনাশ শুক্লা, অনুকল্প মিশ্র, লভকুশ মিশ্র, মনীশ কুমার যাদব, করুণেশ পাণ্ডে, রমাশঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব, রাম শঙ্কর যাদব ওরফে টিনু। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) এবং দুর্নীতি দমন আইনের ১৩(১)(এ) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই এই সমস্ত গ্রেফতারি ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। সিট-এর প্রাথমিক তদন্তে মন্দিরের দান গোনার ঘরে নিরাপত্তা ও নজরদারির ক্ষেত্রে একাধিক গাফিলতির বিষয় সামনে এসেছিল। ৪৫ দিনের সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্তকারীরা নগদ টাকা লুকিয়ে সরিয়ে নেওয়ার একাধিক ঘটনা শনাক্ত করেছিলেন। কর্মীদের তল্লাশি না করা এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম যথাযথভাবে কার্যকর না করার মতো বিষয়ও তদন্তে উঠে এসেছিল।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe