Chandigarh Terror Plot: চণ্ডীগড়ের সেক্টর ৪৩-এর আন্তঃরাজ্য বাস টার্মিনাসের কাছ থেকে সন্দেহভাজন আইইডি, বিস্ফোরক সামগ্রী এবং আগ্নেয়াস্ত্র-সহ তিন যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে ধৃতদের সঙ্গে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন বব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনাল (BKI)-এর যোগসূত্রের ইঙ্গিত মিলেছে বলে জানিয়েছে চণ্ডীগড় পুলিশ। রবিবারের এই ঘটনাকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জোর দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী একটি টিফিন বক্স রাখার ব্যাগের মধ্যে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। সেই ব্যাগের সঙ্গেই পাওয়া যায় একটি আগ্নেয়াস্ত্রও। ধৃত তিনজন হল—তারন তারনের সরহালি গ্রামের ১৯ বছরের লাভপ্রীত সিং, দেওবাথ গ্রামের ২১ বছরের জশনপ্রীত সিং এবং অমৃতসরের তারসিক্কা গ্রামের ১৯ বছরের প্রভপ্রীত সিং ওরফে প্রভ।
পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক সামগ্রীর মধ্যে প্রায় ৫ কেজি জেলাটিন স্টিক, একটি ডিটোনেটর, একটি পাওয়ার সোর্স এবং রিমোট-অপারেটেড সিস্টেম ছিল। এই সমস্ত উপকরণ বিস্ফোরক ডিভাইস তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে বলে তদন্তকারীদের অনুমান। এর পাশাপাশি একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং পাঁচটি জীবন্ত কার্তুজও উদ্ধার করা হয়েছে।
ঘটনার পর সেক্টর ৩৬ থানায় বিস্ফোরক আইন এবং অস্ত্র আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। চণ্ডীগড় পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সেক্টর ৪৩ বাসস্ট্যান্ডের পিছনে সন্দেহজনক সামগ্রী উদ্ধার করা হয় এবং সেই সূত্রেই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তদন্তকারীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে বলে দাবি পুলিশের। তাদের মতে, ধৃতরা বিদেশে থাকা BKI-ঘনিষ্ঠ হ্যান্ডলার সতনাম ওরফে সাট্টা নৌশেরার সংস্পর্শে এসেছিল। ওই ব্যক্তির নির্দেশেই তারা কাজ করছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে সন্দেহ করা হচ্ছে। চণ্ডীগড়ে একটি আইইডি বিস্ফোরক ডিভাইস বসিয়ে আতঙ্ক তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল বলেও তদন্তকারীদের ধারণা।
{{/usCountry}}তদন্তকারীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে বলে দাবি পুলিশের। তাদের মতে, ধৃতরা বিদেশে থাকা BKI-ঘনিষ্ঠ হ্যান্ডলার সতনাম ওরফে সাট্টা নৌশেরার সংস্পর্শে এসেছিল। ওই ব্যক্তির নির্দেশেই তারা কাজ করছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে সন্দেহ করা হচ্ছে। চণ্ডীগড়ে একটি আইইডি বিস্ফোরক ডিভাইস বসিয়ে আতঙ্ক তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল বলেও তদন্তকারীদের ধারণা।
{{/usCountry}}এখন পুলিশের মূল লক্ষ্য হল বিস্ফোরকগুলি কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল, কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এবং এই পরিকল্পনার সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত ছিল কি না, তা খুঁজে বের করা। ধৃতদের জেরা করে সম্ভাব্য নাশকতার পরিকল্পনার পূর্ণ চিত্র পাওয়ার চেষ্টা চলছে।
ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে চণ্ডীগড়ের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে ধৃতদের যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেন এবং বিদেশে থাকা সম্ভাব্য হ্যান্ডলারদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগের বিষয়টিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান সত্যি হলে, এই গ্রেফতারির মাধ্যমে চণ্ডীগড়ে সম্ভাব্য বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনা আগেভাগেই ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।