...
...
Next Story

Punjab Congress: প্রাক্তন CM-র রহস্যময় অবস্থান! এড়িয়ে গেলেন রাহুলের ভাষণ, পাঞ্জাবে যোগ পৃথক বিক্ষোভে

Punjab Congress: জলন্ধরের সাংসদ তথা পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি বুধবার লোকসভায় রাহুল গান্ধীর বক্তব্য চলাকালীন সংসদে উপস্থিত ছিলেন না। অধিবেশন ছেড়ে তিনি ফরিদকোটে একটি জনসভায় যোগ দেন।

Published on: Jul 30, 2026, 20:00:34 IST
Advertisement

Punjab Congress: বুধবার লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী যখন বক্তব্য রাখছিলেন, তখন কংগ্রেসের সংসদীয় বেঞ্চে এক সিনিয়র নেতার অনুপস্থিতি পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্বকে ফের একবার প্রকাশ্যে এনে ফেলেছে।

প্রাক্তন CM-র রহস্যময় অবস্থান! (ANI Video Grab)
প্রাক্তন CM-র রহস্যময় অবস্থান! (ANI Video Grab)

জলন্ধরের সাংসদ তথা পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি বুধবার লোকসভায় রাহুল গান্ধীর বক্তব্য চলাকালীন সংসদে উপস্থিত ছিলেন না। অধিবেশন ছেড়ে তিনি ফরিদকোটে একটি জনসভায় যোগ দেন। পঞ্জাব থেকে জয়ী কংগ্রেসের সাতজন সংসদ সদস্যের মধ্যে একমাত্র চান্নিই দলের সাংসদের ভাষণ চলাকালীন অনুপস্থিত ছিলেন।তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, পাঞ্জাব কংগ্রেসের সংসদীয় দলের প্রধান তথা অমৃতসরের সাংসদ গুরজিৎ সিং অওজলা রাহুল গান্ধীর বক্তব্য চলাকালীন সমস্ত সাংসদদের সংসদে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা পাঠানো সত্ত্বেও উপস্থিত হননি চান্নি। সংসদে থাকার পরিবর্তে চান্নি ফরিদকোটের বাবা ফরিদ ইউনিভার্সিটির বাইরে আম আদমি পার্টি সরকারের বিরুদ্ধে ফার্মেসি অফিসার নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে কংগ্রেসের বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন।

এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে প্রাক্তন বিধায়ক কুশলদীপ সিং ঢিলোঁ-সহ চান্নির অনুগামী বলে পরিচিত একাধিক নেতা ও বিপুল সংখ্যক দলীয় কর্মী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের এই অংশগ্রহণকে চান্নির নেতৃত্বকে সমর্থন জানানোর একটি বড় প্রদর্শন হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিংয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই দ্বন্দ্ব চলছে চান্নির। মজার বিষয় হলো, বুধবারই সংসদের বাইরে পাঞ্জাবের কংগ্রেস সাংসদদের নিয়ে আপ সরকারের বিরুদ্ধে একই পরীক্ষা জালিয়াতি ইস্যুতে বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন রাজা ওয়ারিং। সেখান থেকে তিনি রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। কিন্তু চান্নি দিল্লির সেই বিক্ষোভে না থেকে ফরিদকোটে নিজের পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেওয়াকেই বেছে নেন। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, আসন্ন নির্বাচনের আগে চান্নি ও ওয়ারিংয়ের মধ্যে এই দূরত্ব মেটাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কংগ্রেস। গত মঙ্গলবার দিল্লিতে নির্বাচনী কৌশলবিদ নরেশ অরোরার উদ্যোগে এই দুই নেতার মধ্যে একটি 'গোপন' বৈঠকেরও আয়োজন করা হয়েছিল। তবে মঙ্গলবার রাতের সেই বৈঠকের প্রভাব যে সামান্যই পড়েছে, তা স্পষ্ট হয়ে যায় বুধবার পাঞ্জাব সরকারের বিরুদ্ধে চান্নি ও ওয়ারিংয়ের পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকেই।

পরবর্তীতে কংগ্রেসের সদর দফতর 'ইন্দিরা ভবন'-এ বেণুগোপালের ডাকা এক যৌথ বৈঠকে পাঞ্জাব কংগ্রেসের সমস্ত শীর্ষ নেতা অংশ নেন। সেখানে চান্নি ও ওয়ারিংকে পাশাপাশি বসে থাকতে দেখা যায় এবং দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে যাবতীয় বিরোধ মেটানো সম্ভব হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, চান্নি ও ওয়ারিংয়ের মধ্যে কথাবার্তা পর্যন্ত বন্ধ এবং এই আপাত ‘শান্তি’ বা সমঝোতা স্রেফ ক্যামেরার সামনে ছবি তোলার একটি প্রদর্শনী ছাড়া আর কিছুই নয়। এর আগে গত সোমবারও ওয়ারিংয়ের নেতৃত্বে পাঞ্জাব কংগ্রেসের সাংসদরা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সংসদ চত্বরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছিলেন। সেখান থেকেও রহস্যজনকভাবে অনুপস্থিত ছিলেন চান্নি ও রানধাওয়া। পরিস্থিতি সামাল দিতে বৃহস্পতিবার থেকে আবারও পাঞ্জাব সফরে বেরাচ্ছেন ভূপেশ বাঘেল, যেখানে তিনি স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে বৈঠক করবেন।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe