IRS Officer Daughter Murder: রাজধানীর অভিজাত এলাকায় আমলা-কন্যার ধর্ষণ ও খুনের তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক রোমহর্ষক তথ্য। অভিযুক্ত প্রাক্তন পরিচারক রাহুল মীনাকে ইতিমধ্যেই দিল্লির দ্বারকা এলাকার একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দিল্লির ওই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই সকালে রাজস্থানে তাঁর বিরুদ্ধে আরও একটি ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে এক ভয়ঙ্কর পরিকল্পনার কথা, যেখানে লালসা, অনলাইন গেমের নেশা এবং প্রতিহিংসা মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, গত ২১ এপ্রিল রাতে রাজস্থানের অলওয়ারে এক পরিচিতের স্ত্রীকে ধর্ষণ করে বছর ২৩-এর রাহুল মীনা। এরপর নিজের মোবাইল ফোন ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করে ৬ হাজার টাকা দিয়ে ক্যাব ভাড়া করে সে সোজা দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তার লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ দিল্লিতে তার প্রাক্তন নিয়োগকর্তা, অর্থাৎ সেই আইআরএস অফিসারের বাড়ি। বুধবার সকালে এই ঘটনা ঘটে যখন পরিবারের সদস্যরা জিমে গিয়েছিলেন। পরিবারের প্রাক্তন পরিচারক রাহুল মীনা বাড়ির স্পেয়ার চাবি ব্যবহার করে ভিতরে প্রবেশ করে। এরপরই বাড়িতে একা থাকা তরুণীর ওপর হামলা চালায়। পুলিশের দাবি, রাহুল প্রথমে মোবাইল ফোনের চার্জিং ক্যাবল দিয়ে ওই তরুণীর গলায় ফাঁস লাগিয়ে দেয় এবং পরে অচেতন অবস্থায় তাঁর ওপর যৌন নির্যাতন করে। এক পুলিশ আধিকারিক জনিয়েছেন, তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত ওই তরুণীকে অচেতন অবস্থায় ধর্ষণ করে। এরপর সে তাকে সিঁড়ি দিয়ে টেনেহিঁচড়ে অন্য একটি ঘরে নিয়ে যায়, যেখানে একটি লকার রাখা ছিল। সেখানে সে তার আঙুলের ছাপ দিয়ে বায়োমেট্রিক লকটি খোলার চেষ্টা করে। কিন্তু আঙুলের ছাপ না মেলায় লকারটি খোলেনি। এরপর রাহুল স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে লকার ভেঙে নগদ টাকা ও গয়না লুট করে নেয় বলে অভিযোগ। পালানোর আগে অভিযুক্ত রক্তমাখা কাপড়ও বদলে নেয়।
নির্লিপ্ত স্বীকারোক্তি
দক্ষিণ দিল্লির কৈলাশ হিলসে আইআরএস অফিসারের মেয়েকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ-তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে একের পর এক ভয়াবহ ও শিউরে ওঠার মতো তথ্য। তদন্তকারী পুলিশ সূত্রে খবর, এই নৃশংস ঘটনার পর অভিযুক্তের মধ্যে বিন্দুমাত্র অনুশোচনা দেখা যায়নি। বরং পুলিশের কাছে রাহুল তার বয়ান বারবার বদল করেছে। তবে রাজধানীর আমলার মেয়েকে ধর্ষণ ও খুনের দায়ে অভিযুক্ত সেই রাহুল মীনা আদালতে দাঁড়িয়ে বলেছে, 'আমি অপরাধ করে ফেলেছি। ভুল করে ফেলেছি।' তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, রাহুল বলেছে, 'আমি টাকার জন্য করেছি।' তার চার দিনের পুলিশি হেফাজত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, রাহুল মীনা আগে ওই বাড়িতে কাজ করতেন, পরে তাকে কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট
{{/usCountry}}দক্ষিণ দিল্লির কৈলাশ হিলসে আইআরএস অফিসারের মেয়েকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ-তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে একের পর এক ভয়াবহ ও শিউরে ওঠার মতো তথ্য। তদন্তকারী পুলিশ সূত্রে খবর, এই নৃশংস ঘটনার পর অভিযুক্তের মধ্যে বিন্দুমাত্র অনুশোচনা দেখা যায়নি। বরং পুলিশের কাছে রাহুল তার বয়ান বারবার বদল করেছে। তবে রাজধানীর আমলার মেয়েকে ধর্ষণ ও খুনের দায়ে অভিযুক্ত সেই রাহুল মীনা আদালতে দাঁড়িয়ে বলেছে, 'আমি অপরাধ করে ফেলেছি। ভুল করে ফেলেছি।' তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, রাহুল বলেছে, 'আমি টাকার জন্য করেছি।' তার চার দিনের পুলিশি হেফাজত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, রাহুল মীনা আগে ওই বাড়িতে কাজ করতেন, পরে তাকে কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট
{{/usCountry}}ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, মৃতার মুখে ভারী কোনও বস্তু দিয়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। নাকের হাড় ভেঙে গিয়েছিল এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত, রক্তাক্ত দাগ ও নীলচে চিহ্ন ছিল। বিশেষ করে হাত, পা ও বাহুতে আঘাতের দাগ দেখে চিকিৎসকদের ধারণা, তিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। রিপোর্টে আরও জানা যায়, ঘাড়ের পেশিতে রক্তক্ষরণ এবং থাইরয়েড কার্টিলেজে ভাঙন ছিল, যা থেকে স্পষ্ট হয় যে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। দেহ থেকে ভিসেরা, রক্তের নমুনা, নখের স্ক্র্যাপিং এবং অন্যান্য ফরেনসিক নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, যাতে যৌন নির্যাতনের বিষয়টি নিশ্চিতভাবে পরীক্ষা করা যায়।