নীল ড্রামে স্বামীর দেহ রাখার অভিযোগে বহুদিন আগে খবরে উঠে এসেছিল মুসকান নামের এক মহিলার প্রসঙ্গ। ঘটনাস্থল ছিল উত্তর প্রদেশের মেরঠ। এবার একবার ফের সেই মেরঠেই হাড়হিম করা খুনের ঘটনা। এবারেও উঠে আসছে পরকীয়া সম্পর্কের দিকটি। অভিযোগ দামিনী নামের এক মহিলার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, দামিনী তাঁর স্কুলের গাড়ির চালক তুষারের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। এরপর দামিনীর স্বামী অতুল পানওয়ারের মৃত্যুর তদন্তে নেমে পুলিশ গ্রেফতার করেছে দামিনীকে। অভিযোগ, এই খুনের নেপথ্যে রয়েছে দামিনী ও তার প্রেমিক তুষার।

তদন্তে নেমেই বিছানায় সাপের ছোবলের বিষয়টি সন্দেহজনক লেগেছিল এক পুলিশি তদন্তকারীর। এরপর দামিনীর মোবাইল হাতে আসতেই সন্দেহ আরও গাঢ় হয়। কারণ, ওই সাপের ছবি দামিনীর মোবাইলেও পায় পুলিশ।
উত্তরপ্রদেশের মেরঠে দামিনী ও তাঁর কথিত প্রেমিককে, দামিনীর স্বামীকে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে দেখানোর জন্য তারা একটি সাপটিকে ব্যবহার করেছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ২০ লাখ টাকার বিমার অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং নিজেদের সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়া, আর সেই কারণেই স্বামীকে হত্যার ছক কষে দামিনী ও তার কথিত প্রেমিক।
পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্ত্রী দামিনীর সঙ্গে হস্তিনাপুরে যৌথভাবে ‘কৃষ্ণ কিডস প্লে স্কুল’ পরিচালনাকারী অতুল পানওয়ারকে তাঁর বিছানায় মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। অতুল পানওয়ার ও দামিনী ২০১৯ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন এবং হস্তিনাপুরে বসবাস করতেন। সেই স্কুলেরই গাড়ির চালক ছিল তুষার। যার সঙ্গে দামিনী সম্পর্কে জড়িয়ে যায়।
পুলিশের দাবি, ওই দুজন প্রথমে সড়ক দুর্ঘটনার নাটক সাজিয়ে অতুলকে হত্যার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর তারা আরেকটি ষড়যন্ত্র ফেঁদেছিল। স্বামীকে হত্যার জন্য সে তার প্রেমিক ও আরও দুজনের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেছিল।
{{/usCountry}}পুলিশের দাবি, ওই দুজন প্রথমে সড়ক দুর্ঘটনার নাটক সাজিয়ে অতুলকে হত্যার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর তারা আরেকটি ষড়যন্ত্র ফেঁদেছিল। স্বামীকে হত্যার জন্য সে তার প্রেমিক ও আরও দুজনের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেছিল।
{{/usCountry}}অভিযোগ রয়েছে যে, বিছানায় বিষধর সাপ ছাড়ার আগে দামিনী তাঁর স্বামীকে অচেতন করার জন্য তাঁর দুধের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দিয়েছিলেন। সাপটি পরে তাঁকে দংশন করে। পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) অভিজিৎ কুমারের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে অতুল পানওয়ারকে দ্রুত নিকটস্থ একটি কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।