গোটা বিশ্বের চোখ যখন পশ্চিম এশিয়ার ইরান যুদ্ধে, তখন পাক অধিকৃত কাশ্মীরের কাছে নয়া কৌশল অবলম্বন করল চিন। প্রকৃতপক্ষে, চিন সম্প্রতি পাক অধিকৃত কাশ্মীর ও আফগানিস্তানের সীমান্তের কাছে অবস্থিত জিনজিয়াং প্রদেশে একটি নতুন কাউন্টি প্রতিষ্ঠা করেছে। সেই কাউন্টি আদতে ভারতের আকসাই চিন এলাকা সংলগ্ন। তবে সেই আকসাই চিন এখন চিনের দখলে। প্রতিবেদনে বলা হয়, উইঘুরদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবং ওয়াখান করিডোরের নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে বেজিং। সেনলিং নামের এই নতুন কাউন্টিটি কারাকোরাম পর্বতমালার কাছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং আফগানিস্তান সীমান্তের খুব কাছাকাছি অবস্থিত। গত ২৬ মার্চ এই নয়া কাউন্টি গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে সেনলিং কাউন্টি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়া হলেও এর সীমানা ও প্রশাসনিক অংশগুলোর বিশদ প্রকাশ করা হয়নি। তবে জানা গিয়েছে এই কাউন্টি কাশগর প্রশাসনের অধীনে আসবে। কাশগর একটি ঐতিহাসিক শহর, যা পুরাতন সিল্ক রোডে অবস্থিত এবং চিনকে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার সাথে সংযুক্ত করে। এখান থেকেই চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) শুরু হয়। সেই করিডোর পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্য দিয়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেনলিং জেলা গঠনের মধ্য দিয়ে সীমান্ত এলাকায় চিনের নিজের নিয়ন্ত্রণের জানান দিল।
তবে চিনের এই নয়া কাউন্টি গঠনের প্রতিবাদে বিবৃতি দিয়েছে দিল্লি। বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে বলা হয়েছে, ভারতীয় ভূখণ্ডের ‘কাল্পনিক নামকরণ’ সত্ত্বেও সত্যিটাকে বদলানো যাবে না। বিবৃতিতে ভারত কোনও নির্দিষ্ট জায়গার নামের উল্লেখ করেনি। তবে পিটিআই সূত্রে জানানো হচ্ছে, সম্প্রতি বেজিং যে নতুন কাউন্টি গঠন করেছে, তারই জবাবে ভারত এই প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। এদিকে দিল্লি মনে করিয়ে দেয়, চিনের এই ধরনের কাজের ফলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে স্থিতিশীল এবং স্বাভাবিক করার চেষ্টা বিঘ্নিত হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, চিন একবছর আগেই জিনজিয়াংয়ে দুটি নতুন কাউন্টির ঘোষণা করেছিল- হিয়ান ও হেকং। আর এবার এই প্রদেশে তৃতীয় নতুন কাউন্টি গঠন করল বেজিং। এর আগে গত বছর হিয়ান ও হেকং কাউন্টি গঠনের প্রতিবাদে চিনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিল ভারত। ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে এই জেলাগুলির কিছু অংশ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখের অংশ এবং এই জাতীয় কর্মকাণ্ডকে মান্যতা দেবে না দিল্লি। তথ্য অনুযায়ী, লাদাখের অবিচ্ছেদ্য অংশ আকসাই চিন মালভূমির বেশিরভাগটাই জিনজিয়াং প্রদেশের অধীনে শাসন করে বেজিং। এদিকে জিনজিয়াং প্রদেশটিও আদতে চিনারা দখল করেছিল। পূর্ব তুর্কিস্তান দখল করে এই জিনজিয়াং প্রদেশ গঠন করেছিল চিন। ১৯৪৯ সালে পূর্ব তুর্কিস্তান দখল করেছিল চিন। তারপরই সেটিকে জিনজিয়াং প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করে তারা। সেখানে উইঘুরদের ওপর চিন অত্যাচার চালায় বলে অভিযোগ। মুসলিমদের সেখানে তাদের ধর্মাচারণ করতে দেওয়া হয় না।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, চিন একবছর আগেই জিনজিয়াংয়ে দুটি নতুন কাউন্টির ঘোষণা করেছিল- হিয়ান ও হেকং। আর এবার এই প্রদেশে তৃতীয় নতুন কাউন্টি গঠন করল বেজিং। এর আগে গত বছর হিয়ান ও হেকং কাউন্টি গঠনের প্রতিবাদে চিনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিল ভারত। ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে এই জেলাগুলির কিছু অংশ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখের অংশ এবং এই জাতীয় কর্মকাণ্ডকে মান্যতা দেবে না দিল্লি। তথ্য অনুযায়ী, লাদাখের অবিচ্ছেদ্য অংশ আকসাই চিন মালভূমির বেশিরভাগটাই জিনজিয়াং প্রদেশের অধীনে শাসন করে বেজিং। এদিকে জিনজিয়াং প্রদেশটিও আদতে চিনারা দখল করেছিল। পূর্ব তুর্কিস্তান দখল করে এই জিনজিয়াং প্রদেশ গঠন করেছিল চিন। ১৯৪৯ সালে পূর্ব তুর্কিস্তান দখল করেছিল চিন। তারপরই সেটিকে জিনজিয়াং প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করে তারা। সেখানে উইঘুরদের ওপর চিন অত্যাচার চালায় বলে অভিযোগ। মুসলিমদের সেখানে তাদের ধর্মাচারণ করতে দেওয়া হয় না।
{{/usCountry}}