চিনের সিচুয়ানের কিছু স্যাটেলাইট ছবিতে ভারতের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়তে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চিন গোপনে সিচুয়ান প্রদেশে পারমাণবিক অস্ত্র ঘাঁটি তৈরি করেছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। ভূ-স্থানিক গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞদের মতে, উপত্যকার মাঝখানে সিচুয়ানের জিতং নামের জায়গায় বড় বড় বাঙ্কার তৈরি করেছে চিন। এখানে পাইপের জাল বিছানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখানে পাহাড় খুঁড়ে পরমাণু ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রকাশিত ছবিতে বলা হয়েছে, চিন প্রতিনিয়ত তাদের কৌশলগত অবস্থান শক্তিশালী করছে। পেন্টাগনের অনুমান অনুসারে, ২০২৪ সালের শেষের দিকে চিনের পরমাণু বোমার সংখ্যা ৫০০র গণ্ডি ছাড়িয়ে যাবে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যাটি ১ হাজারে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়েছে তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিনের কাছে পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা বৃদ্ধি শুধু ভারতের জন্য নয়, গোটা বিশ্বের জন্য উদ্বেগের বিষয়। এই নিয়ে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির এক কর্মকর্তা বলছেন, এই প্রবণতা বেশ উদ্বেগজনক। জিটঙ্ক এবং পিংটংয়ের নির্মাণ কাজ খুব দ্রুত। এখানে একটি নতুন কমপ্লেক্সও তৈরি করা হচ্ছে। জিতোং-এ বাঙ্কার এবং হাই এক্সপ্লোসিভ টেস্টিং সেন্টারও তৈরি করা হয়েছে।
মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি থমাস জি ডিনান্নো বলেছেন, ভূকম্পন পর্যবেক্ষণকে ফাঁকি দেওয়ার পদ্ধতি ব্যবহার করে গোপনে পারমাণবিক বিস্ফোরক পরীক্ষা চালাচ্ছে চিন। মার্কিন কর্মকর্তার দাবি, ২০২০ সালের ২২ জুন এই ধরনেরই একটি পরীক্ষামূলক পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল চিন। অর্থাৎ, গালওয়ান সংঘর্ষের কয়েকদিন পরই এই পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল চিন।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে দাবি করেছিলেন, রাশিয়া, চিন, উত্তর কোরিয়া এবং পাকিস্তান সহ বেশ কয়েকটি দেশ পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে। এই আবহে আমেরিকা নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা শুরু করতে পারে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কারণ ট্রাম্প বলেছিলেন, আমেরিকার পরমাণু পরীক্ষা জরুরি। এই আবহে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা শুরু করার জন্য যুদ্ধ মন্ত্রককে নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। রাশিয়া পারমাণবিক সক্ষম ও পরমাণু শক্তিচালিত নতুন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বুরেভেস্টনিকের পরীক্ষা চালানোর কয়েকদিন পরই নিউক্লিয়ার টেস্ট নিয়ে সরব হতে শুরু করেছিলেন ট্রাম্প।
{{/usCountry}}এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে দাবি করেছিলেন, রাশিয়া, চিন, উত্তর কোরিয়া এবং পাকিস্তান সহ বেশ কয়েকটি দেশ পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে। এই আবহে আমেরিকা নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা শুরু করতে পারে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কারণ ট্রাম্প বলেছিলেন, আমেরিকার পরমাণু পরীক্ষা জরুরি। এই আবহে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা শুরু করার জন্য যুদ্ধ মন্ত্রককে নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। রাশিয়া পারমাণবিক সক্ষম ও পরমাণু শক্তিচালিত নতুন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বুরেভেস্টনিকের পরীক্ষা চালানোর কয়েকদিন পরই নিউক্লিয়ার টেস্ট নিয়ে সরব হতে শুরু করেছিলেন ট্রাম্প।
{{/usCountry}}