বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মা। আর এরপরই মুখ খুললেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তাঁর কথায়, বাংলাদেশের সঙ্গে চিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ চায় না বেজিং। প্রণয় বর্মার বৈঠকের দিনই খলিলুর এবং বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইয়াও ওয়েন। তারপরই তিনি বলেন, 'সব দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল চিন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে একটি নতুন স্তরে নিয়ে যাওয়ার জন্য আগ্রহী চিন।'

এদিকে বাংলাদেশকে চিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন চিনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেন, 'আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় বাংলাদেশের প্রতি চিনের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।' এরই মাঝে তিনি জানান, বাংলাদেশের নয়া সরকারের সঙ্গে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে তাঁর আলোচনা হয়েছে এবং এই প্রকল্পের কাজ শুরু করতে চিন প্রস্তুত। তবে এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে জানান ইয়াও ওয়েন।
এদিকে খলিলুরের সঙ্গে দেখা করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেছিলেন, 'নির্বাচনের পর থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ স্থাপন হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের পরপরই ১৩ ফেব্রুয়ারি মাননীয় তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা পাঠান। একই দিনে তাঁদের মধ্যে টেলিফোনেও কথা হয়। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত্তিতে এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে রয়েছে। এরই সঙ্গে বহুমাত্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চাই আমরা। আমরা একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন করি। বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে আমি আবারও উল্লেখ করেছি যে, আমরা বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। পারস্পরিক লাভের ভিত্তিতে ইতিবাচক, গঠনমূলক সহযোগিতা জোরদার করতে চাই।'