...
...
Next Story

China Mega Dam on Brahmaputra: ব্রহ্মপুত্রে চিনের মেগা বাঁধ ঘিরে অশনি সংকেত! কোন আশঙ্কা? চিনা জিওলজিস্টরা বলছেন…

চিনা ভাষার জার্নাল ‘সেডিমেন্টারি জিওলজি অ্যান্ড টেথিয়ান জিওলজি’-তে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, প্রকল্পটির অবস্থান ‘পাইঝেন ফল্ট’-এর ওপর

Published on: Jul 10, 2026 04:51 PM IST
Advertisement

আনুমানিক ১৪৭.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করে ব্রহ্মপুত্রে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাঁধ নির্মাণ করছে চিন। তবে চিনের এই ‘মেগা‘ বাঁধের ওপর ‘মেগা‘ বাধা হয়ে উঠছে সেই অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক দিক। চিনের সরকার সমর্থিত জিওলজিস্টরা সতর্ক করেছেন যে, এই বাঁধ যেখানে তৈরি হচ্ছে, সেটি একটি 'অ্যাকটিভ ফল্ট লাইন' এর ওপর তৈরি হচ্ছে। যার ফলে এলাকায়, ভূমিধস, ভূমিকম্প হতে পারে। এছাড়াও আশঙ্কা রয়েছে বাঁধের পরিকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির।

ব্রহ্মপুত্রে চিনের মেগা বাঁধ ঘিরে অশনি সংকেত!কোন আশঙ্কা? চিনা জিওলজিস্টরা বলছেন…। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে রয়টার্স)
ব্রহ্মপুত্রে চিনের মেগা বাঁধ ঘিরে অশনি সংকেত!কোন আশঙ্কা? চিনা জিওলজিস্টরা বলছেন…। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে রয়টার্স)

তিব্বতে ইয়ারলং স্যাংপো নদীর ওপর চিন তৈরি করছে বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ বাঁধ। সেই নদীর জলরাশি, ভারতের সীমানায় ঢুকে নাম নিয়েছে সিয়াং, ব্রহ্মপুত্রের। এরপর তা প্রবেশ করেছে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে। ব্রহ্মপুত্রে চিনের বাঁধ নির্মাণ স্ট্র্যাটেজিক দিক সহ নানা দিক থেকে দিল্লির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। দিল্লি এই নদীর জলপ্রবাহ থেকে শুরু করে নদীর তীরবর্তী এলাকায় থাকা বাসিন্দাদের পরিস্থিতি নিয়েও বহুবারই সরব হয়েছে।ওই এলাকায় এই বাঁধ নির্মাণ নিয়ে এবার, চায়না জিওলজিক্যাল সার্ভের জিওলজিলস্টরা সতর্ক করেছেন। ভূতত্ত্বের দিক থেকে ওই এলাকা সেসিমিক্যালি অ্যকটিভ। যার জেরে এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে। চিনা ভাষার জার্নাল ‘সেডিমেন্টারি জিওলজি অ্যান্ড টেথিয়ান জিওলজি’-তে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, প্রকল্পটির অবস্থান ‘পাইঝেন ফল্ট’-এর ওপর, এটি দক্ষিণ-পূর্ব তিব্বতে ইয়ারলুং সাংপো নদীর ‘গ্রেট বেন্ড’ বা বিশাল বাঁকের কাছে অবস্থিত একটি সক্রিয় টেকটোনিক চ্যুতি অঞ্চল (ফল্ট জোন)। গবেষকরা দেখেছেন যে, প্রায় ২৬ লক্ষ বছর আগে শুরু হওয়া ভূতাত্ত্বিক যুগ ‘প্লাইস্টোসিন’ থেকেই এই চ্যুতিটি ‘অত্যন্ত সক্রিয়’ রয়েছে এবং এতে এখনও টেকটোনিক বা ভূ-গাঠনিক নড়াচড়া অব্যাহত রয়েছে। এই চ্যুতি অঞ্চলের যেকোনও পরিকাঠামোর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, তা সে রাস্তাই হোক, সুড়ঙ্গ হোক, ব্রিজ হোক, কিম্বা বাঁধ!

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe