ইরানের বন্দর অবরোধ করে চিনকে উস্কে দিয়েছে আমেরিকা। এই আবহে এবার যুক্তরাষ্ট্রকে পালটা হুঁশিয়ারি দিয়ে চিন বলল, তাদের বিষয়ে যে হস্তক্ষেপ না করা হয়। এরই মাঝে এবার ট্রাম্পের এই অবরোধের 'পরীক্ষা' নিচ্ছে চিন। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার অধীনে থাকা চিনের সঙ্গে যুক্ত একটি জাহাজ হরমুজ প্রণালী দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। জানা গিয়েছে, রিচ স্টারি নামক মাঝারি জাহাজটিকে ২০২৩ সালেই নিষিদ্ধ করেছিল আমেরিকা। আগে এই জাহাজের নাম ছিল 'ফুল স্টার'।

জানা যায়, এর আগেও মার্কিন অবরোধ ভেদ করে চিনা জাহাজটি হরমুজ অতিক্রম করার চেষ্টা করে। কিন্তু পরে তা ফিরে যায়। ফের সেটি দ্বিতীয়বারের মতো হরমুজ প্রণালী দিয়ে পার করছে। এই জাহাজের মালিক চিনা নাগরিক। এই জাহাজে থাকা নাবিকরাও সবাই চিনা। এর আগে চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডং জুন বলেছিলেন, এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে চিন। এরই সঙ্গে তিনি জানান, ইরানের সাথে তার জ্বালানি ও বাণিজ্য চুক্তির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে চিন। অর্থাৎ, মার্কিন অবরোধ সত্ত্বেও ইরান থেকে তেল কিনতে থাকবে চিন। চিন জোর দিয়ে বলেছে যে ইরান এই হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করবে এবং জলপথটি চিনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, 'হরমুজ প্রণালীর জলে আমাদের জাহাজগুলো আসা-যাওয়া করছে। ইরানের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য ও জ্বালানি চুক্তি রয়েছে। আমরা সেই চুক্তিগুলিকে সম্মান করব এবং পালন করব। আমরা আশা করি অন্যরা আমাদের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না।'
এদিকে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ রাখতে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে অন্তত ১৫টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। ইরানের বন্দর এবং উপকূলীয় অঞ্চলের চারপাশে এই জাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ফোর্স জানিয়েছে, আমেরিকা খুবই কঠোরভাবে হরমুজে অবরোধ বাস্তবায়ন করছে। এই অভিযানে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলি (এলএইচএ-৭) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই বিমানবাহী রণতরীতে এফ-৩৫বি লাইটনিং ২ স্টিলথ ফাইটার জেট, এমভি-২২ অসপ্রে বিমান এবং হেলিকপ্টার মোতায়েন রয়েছে। সেন্টকম জানিয়েছে, ইউএসএস ত্রিপোলিকে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে করে প্রয়োজন পড়লে তা থেকে ২০টিরও বেশি এফ-৩৫বি জেট পরিচালনা করা যায়।
{{/usCountry}}এদিকে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ রাখতে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে অন্তত ১৫টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। ইরানের বন্দর এবং উপকূলীয় অঞ্চলের চারপাশে এই জাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ফোর্স জানিয়েছে, আমেরিকা খুবই কঠোরভাবে হরমুজে অবরোধ বাস্তবায়ন করছে। এই অভিযানে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলি (এলএইচএ-৭) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই বিমানবাহী রণতরীতে এফ-৩৫বি লাইটনিং ২ স্টিলথ ফাইটার জেট, এমভি-২২ অসপ্রে বিমান এবং হেলিকপ্টার মোতায়েন রয়েছে। সেন্টকম জানিয়েছে, ইউএসএস ত্রিপোলিকে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে করে প্রয়োজন পড়লে তা থেকে ২০টিরও বেশি এফ-৩৫বি জেট পরিচালনা করা যায়।
{{/usCountry}}এদিকে স্পেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্গারিটা রোবলস মার্কিন অবরোধকে 'অর্থহীন' বলে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, এই সংঘাত ইতোমধ্যে বিশ্বকে একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। অপরদিকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেছেন, অবরোধে যোগ দেওয়ার জন্য তিনি কোনও অনুরোধ পাননি এবং নৌপথটি সব দেশের জন্য উন্মুক্ত থাকা উচিত। রিপোর্ট অনুযায়ী, ব্রিটেন বা ফ্রান্সের মতো দেশও আপাতত মার্কিন অবরোধে অংশ নিচ্ছে না।