...
...
Next Story

Chinese-Turkish Military planes in Pak: পাকিস্তানে হঠাৎ বেড়েছে চিন ও তুরস্কের সামরিক বিমানের আনাগোনা! কী চলছে সেখানে?

নিরাপত্তা সূত্রের দাবি, চিনের সামরিক পরিবহণ বিমান রাওয়ালপিন্ডির কাছে নূর খান এয়ারবেস এবং করাচির মাসরুর এয়ারবেসে অবতরণ করেছে। পাশাপাশি তুরস্কের সামরিক পরিবহণ বিমানও পাকিস্তানে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের দাবি, এই বিমানগুলিতে ড্রোন এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম থাকলেও থাকতে পারে।

Published on: Aug 20, 2026, 13:32:06 IST
Advertisement

পাকিস্তানের আকাশে হঠাৎ বেড়েছে চিন ও তুরস্কের সামরিক বিমানের আনাগোনা। প্রায় ৬০ ঘণ্টার মধ্যে একের পর এক ভারী সামরিক পরিবহণ বিমান পাকিস্তানের বিভিন্ন বিমানঘাঁটিতে যাতায়াত করেছে বলে দাবি করা হল রিপোর্টে। এই অস্বাভাবিক হারে বিমান চলাচল ঘিরে এবার প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ইসলামাবাদে নতুন করে সামরিক সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে চিন ও তুরস্ক?

পাকিস্তানের আকাশে হঠাৎ বেড়েছে চিন ও তুরস্কের সামরিক বিমানের আনাগোনা।
পাকিস্তানের আকাশে হঠাৎ বেড়েছে চিন ও তুরস্কের সামরিক বিমানের আনাগোনা।

নিরাপত্তা সূত্রের দাবি, চিনের সামরিক পরিবহণ বিমান রাওয়ালপিন্ডির কাছে নূর খান এয়ারবেস এবং করাচির মাসরুর এয়ারবেসে অবতরণ করেছে। পাশাপাশি তুরস্কের সামরিক পরিবহণ বিমানও পাকিস্তানে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের দাবি, এই বিমানগুলিতে ড্রোন এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম থাকলেও থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, সামরিক ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান ভরসা চিন। যুদ্ধবিমান থেকে শুরু করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ড্রোন- বিভিন্ন ধরনের সামরিক প্রযুক্তি ও সরঞ্জামে ইসলামাবাদের সঙ্গে বেজিংয়ের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এই সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। একই সঙ্গে তুরস্কও পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সহযোগী হয়ে উঠেছে। ড্রোন, নৌ-প্রযুক্তি এবং অ্যারোস্পেস ক্ষেত্রে দুই দেশের যোগাযোগ ক্রমশ বাড়ছে।

তুরস্কের পঞ্চম প্রজন্মের KAAN যুদ্ধবিমান প্রকল্পেও পাকিস্তানের আগ্রহ বেড়েছে। তুরস্কের বক্তব্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পের উন্নয়নে প্রায় ২০০ জন পাকিস্তানি ইঞ্জিনিয়ার ও আধিকারিক যুক্ত রয়েছেন। ভবিষ্যতে পাকিস্তানকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

এই পরিস্থিতিতে চিন ও তুরস্ক থেকে পাকিস্তানে সামরিক বিমানের বাড়তি আনাগোনা স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি করেছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান নিজের ড্রোন এবং অন্যান্য সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ভারত-পাকিস্তানের সামরিক উত্তেজনার পর ইসলামাবাদ যদি চিন ও তুরস্কের কাছ থেকে দ্রুত অস্ত্র, ড্রোন বা সামরিক প্রযুক্তি সংগ্রহ করে, তাহলে দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্যে তার প্রভাব পড়তে পারে।

তাই এখন নজর একটাই—পাকিস্তানের ঘাঁটিতে নামা এই সামরিক বিমানগুলি কি শুধুই মহড়া ও নিয়মিত সহযোগিতার অংশ, নাকি এর আড়ালে চলছে বড় কোনও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ? সেই প্রশ্নের উত্তর মিলবে বিমানগুলির প্রকৃত কার্গো এবং পরবর্তী গতিবিধি স্পষ্ট হলে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe