Rafale vs Chinese J16 Fighter Jet: রাফাল যুদ্ধবিমান বনাম চিনা জে-১৬ ফাইটার জেট- মুখোমুখি লড়াইয়ে কে বাজিমাত করল? ইজিপ্টের সামরিক মহড়ার যখন থেকে দুই যুদ্ধবিমান অংশগ্রহণ করেছে, তখন থেকে সেই প্রশ্নটার উত্তর খুঁজছে পুরো বিশ্ব। আর এবার একটি রিপোর্ট সামনে এল, তাতে দাবি করা হল যে রাফাল যুদ্ধবিমানের দক্ষতায় মুগ্ধ হয়েছেন চিনা ফাইটার জেটের পাইলটরাই। যা ভারতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মাঝ-আকাশে রাফাল দেখে অভিভূত চিনারা, দাবি রিপোর্টে

ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়ার রিপোর্ট উদ্ধৃত করে একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে ইজিপ্টের রাফালের সঙ্গে সামরিক মহড়ার সময় ফরাসি যুদ্ধবিমানের দক্ষতা দেখে নাকি অভিভূত হয়েছেন চিনের জে-১৬ ফাইটারের পাইলটরা। মাঝ-আকাশে রাফালের দ্রুত দিক পরিবর্তন, দ্রুত টার্গেটের দিকে যুদ্ধবিমানের ‘নাক’ রাখার ক্ষেত্রে ফরাসি ফাইটার জেটের দক্ষতার মুগ্ধ হয়েছেন। যা আকাশে ‘ডগ-ফাইট’ বা আকাশে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়।
তবে সবমিলিয়ে সামরিক মহড়ায় কোন যুদ্ধবিমান জিতেছে বা মুখোমুখি লড়াইয়ে কতবার রাফাল এবং জে-১৬ ফাইটার জেট নেমেছে, তা নিয়ে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সরকারিভাবে ওই সামরিক মহড়া নিয়ে কিছুই জানানো হয়নি চিন বা ইজিপ্টের তরফে। যেটুকু যা তথ্য এসেছে, সেটা সামনে বেরিয়েছে বিভিন্ন রিপোর্টের মাধ্যমে।
রাফালের দক্ষতা আগেই বুঝেছিল চিন
এমনিতে গত বছর অপারেশন সিঁদুরের সময় যুদ্ধক্ষেত্রে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে রাফাল। ভারতের অস্ত্রভাণ্ডারে পৃথিবীর সবথেকে ভয়ংকরতম সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল ব্রহ্মস রাফাল থেকে ছোড়া না গেলেও দাপটের সঙ্গে রাফাল উড়িয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। রীতিমতো নাকানিচোবানি খাইয়েছে পাকিস্তানি বায়ুসেনাকে। যে দেশের কাছে চিনা এবং আমেরিকান যুদ্ধবিমান আছে। সেই পরিস্থিতিতে আরও বেশি সংখ্যক রাফাল কিনতে চলেছে ভারত।
ভারতের চিন্তার জায়গা অন্যত্র
{{/usCountry}}ভারতের চিন্তার জায়গা অন্যত্র
{{/usCountry}}তবে ভারতের উদ্বেগ অন্য জায়গায়। চিন যখন ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, সেইসময় ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে পর্যাপ্ত সংখ্যক ফাইটার জেট নেই। একদিকে চিন এবং অপরদিকে পাকিস্তানের মধ্যে থেকেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক যুদ্ধবিমান নেই ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে। বিশেষত তেজস এতটা দেরি করে ফেলেছে যে সমস্যাটা বেড়েছে।
আর সেই সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন খোদ ভারতীয় বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং। দিনকয়েক আগেই তিনি আক্ষেপের সুরে জানান, ফাইটার জেট অন্তর্ভুক্ত হতে এত দেরি হচ্ছে যে সেটা ভারতীয় বায়ুসেনার সামনে চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। বিশেষত মিগ-২১ যুদ্ধবিমান অবসর নেওয়ার পরে ভারতীয় বায়ুসেনার ফাইটার জেট স্কোয়াড্রেনের সংখ্যা কমে গিয়েছে। সেই শূন্যস্থান পূরণের প্রতি বছর ৩৬-৪০টি যুদ্ধবিমান বায়ুসেনায় যুক্ত করা উচিত বলে জানান এয়ার চিফ মার্শাল।
আরও পড়ুন: যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানো অপরাধ? CJP নেতারা জেলে যেতেই পাশে রাহুল গান্ধী
তারইমধ্যে এয়ার চিফ মার্শাল সিং এটাও স্মরণ করিয়ে দেন যে হাতে পর্যাপ্ত সংখ্যক যুদ্ধবিমান না থাকলেও ভারতীয় বায়ুসেনাকে যেন দুর্বল ভাবা না হয়। অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের হাতে বিভিন্ন যুদ্ধবিমান থাকলেও আখেরে কিছু করতে পারেনি, কারণ আসল কাজটাই করতে পারেনি।