Chinses President visit India: আগামী সেপ্টেম্বর মাসে ভারতে আসতে পারেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে সেই সফর এখনও চূড়ান্ত নয়। যদি শি জিনপিং আসেন, তবে এটি হবে গত সাত বছরে তাঁর প্রথম ভারত সফর।

সংশ্লিষ্ট সূত্র এইচটি-কে জানিয়েছে, আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতে অনুষ্ঠিত হবে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। আর সেখানে যোগ দিতে বিশাল প্রতিনিধিদল নিয়ে আগামী মাসে নয়াদিল্লি আসতে পারেন চিনা প্রেসিডেন্ট। ২০২০ সালে লাদাখের গালওয়ানে সংঘর্ষের পর ভারত ও চিন সম্পর্ক স্থিতিশীল করার যে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তার মধ্যে শি জিনপিংয়ের এই সফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিষয়টি সম্পর্কে সরাসরি অবগত একটি সূত্র ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, চিনা কর্মকর্তারা এখন হোটেল ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত প্রটোকল চূড়ান্ত করতে ব্যস্ত।
চিন সফরে অজিত ডোভাল
সীমান্ত বিবাদ ও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে চিন সফরে গিয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। এই সফরেই মঙ্গলবার চিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন অজিত ডোভাল। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে দুই নেতা সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন। সীমান্ত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ২০০৩ সালে তৈরি হয়েছিল ‘স্পেশাল রিপ্রেজেন্টেটিভ’ (বিশেষ প্রতিনিধি)। এদিন বেজিংয়ে বিশেষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হবে অজিত ডোভালের।
চিনা প্রেসিডেন্টের ভারত সফর
গত বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাত বছর পর প্রথমবার চিন সফর করেন। এরপর দুই দেশের সম্পর্ক খুব ধীরে ধীরে উন্নতির পথে এগিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত সংক্রান্ত নতুন একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র কূটনৈতিক বাক্যবিনিময়ও হয়েছে। দুটি সূত্র জানিয়েছে, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রায় ৪০০ কর্মকর্তা নিয়ে একটি প্রতিনিধিদল ভারত সফরে আসতে পারে। ২০১৯ সালে তার সর্বশেষ ভারত সফরের সময় প্রতিনিধিদলে কর্মকর্তার সংখ্যা ছিল ২০০ জনের কম। সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের কর্মকর্তারা পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা বাড়ানোর উপায় খুঁজবেন। একই সঙ্গে সীমান্ত এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের মতপার্থক্য কীভাবে সামাল দেওয়া যায়, তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
{{/usCountry}}গত বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাত বছর পর প্রথমবার চিন সফর করেন। এরপর দুই দেশের সম্পর্ক খুব ধীরে ধীরে উন্নতির পথে এগিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত সংক্রান্ত নতুন একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র কূটনৈতিক বাক্যবিনিময়ও হয়েছে। দুটি সূত্র জানিয়েছে, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রায় ৪০০ কর্মকর্তা নিয়ে একটি প্রতিনিধিদল ভারত সফরে আসতে পারে। ২০১৯ সালে তার সর্বশেষ ভারত সফরের সময় প্রতিনিধিদলে কর্মকর্তার সংখ্যা ছিল ২০০ জনের কম। সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের কর্মকর্তারা পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা বাড়ানোর উপায় খুঁজবেন। একই সঙ্গে সীমান্ত এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের মতপার্থক্য কীভাবে সামাল দেওয়া যায়, তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
{{/usCountry}}তবে শি জিনপিংয়ের সফরের চূড়ান্ত পরিকল্পনা এবং ভারত ও চিনের মধ্যে সম্ভাব্য কোনও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কর্মসূচি এখনও নির্ধারিত হয়নি বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো। চিনের বিদেশ মন্ত্রক এক বিবৃতিতে বলেছে, ব্রিকস সহযোগিতাকে চিন অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় ও এতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। বর্তমান সভাপতি হিসেবে এ বছরের ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন সফলভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে ভারতকে চিন সমর্থন করে। তবে শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে মন্ত্রক বলেছে, এ বিষয়ে তাদের কাছে বর্তমানে দেওয়ার মতো কোনও তথ্য নেই। ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেননি শি জিনপিং। এ বিষয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক কোনও মন্তব্য করেনি।