CJI on Delhi Protest: রাজধানী দিল্লিতে ছাত্র বিক্ষোভের জেরে একের পর এক মেট্রো স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় এবার সরাসরি হস্তক্ষেপের দাবি উঠল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে বিষয়টি উত্থাপন করেন সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিকাশ সিং। তিনি প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, সুপ্রিম কোর্ট-সহ রাজধানীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকায় আইনজীবী, আদালতের কর্মী এবং বিচারপ্রার্থীরা চরম সমস্যায় পড়েছেন।
গত কয়েক দিন ধরে যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টি-র নেতৃত্বে চলা ছাত্র বিক্ষোভ ক্রমশ তীব্র আকার ধারণ করেছে। নিরাপত্তার স্বার্থে দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (DMRC) রাজধানীর কেন্দ্রীয় এলাকার একাধিক মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবারও সুপ্রিম কোর্ট মেট্রো স্টেশন-সহ মোট ১৬টি মেট্রো স্টেশন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়।
আদালতে বিকাশ সিং বলেন, যাঁদের কাছে সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশের বৈধ পরিচয়পত্র বা প্রক্সিমিটি কার্ড রয়েছে এবং আদালতের রেজিস্ট্রি কর্মীরা যাতে নিরাপত্তা পরীক্ষা শেষে সুপ্রিম কোর্ট মেট্রো স্টেশন দিয়ে বের হতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা উচিত। তাঁর মতে, এতে সাধারণ যাত্রীদের নিরাপত্তা বজায় থাকবে, আবার আদালতের কাজও ব্যাহত হবে না।
বিকাশ সিং আদালতে বলেন, মেট্রো স্টেশনের নির্দিষ্ট এক্সিট পয়েন্টে নিরাপত্তা পরীক্ষা করা যেতে পারে। যাঁদের বৈধ পরিচয়পত্র রয়েছে, তাঁদের স্টেশন থেকে বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। অন্য যাত্রীদের অন্য স্টেশনে নেমে যেতে বলা যেতে পারে। এতে আদালতের আইনজীবী ও কর্মীদের যাতায়াত অনেক সহজ হবে।
এই প্রস্তাবের জবাবে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানান, বিষয়টি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মাধ্যমে দিল্লি মেট্রো কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, দুপুরের মধ্যেও যদি সমস্যার সমাধান না হয় এবং স্টেশনগুলি খুলে না দেওয়া হয়, তাহলে তিনি নিজেই বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করবেন।
{{/usCountry}}এই প্রস্তাবের জবাবে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানান, বিষয়টি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মাধ্যমে দিল্লি মেট্রো কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, দুপুরের মধ্যেও যদি সমস্যার সমাধান না হয় এবং স্টেশনগুলি খুলে না দেওয়া হয়, তাহলে তিনি নিজেই বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করবেন।
{{/usCountry}}পাশাপাশি প্রধান বিচারপতি আরও জানান, মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকার কারণে যদি কোনও আইনজীবী আদালতে উপস্থিত হতে না পারেন, তাহলে সেই কারণে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও বিরূপ নির্দেশ বা আদেশ জারি করা হবে না। আদালতের স্বাভাবিক কাজকর্ম যাতে অযথা ব্যাহত না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।
এদিকে দিল্লি মেট্রো কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে যে, নিরাপত্তাজনিত কারণে সুপ্রিম কোর্ট মেট্রো স্টেশন-সহ মোট ১৬টি স্টেশন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। ফলে অফিসযাত্রী, আদালতের কর্মী, আইনজীবী এবং সাধারণ যাত্রীদের বিকল্প পরিবহনের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। ছাত্র বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীর পরিস্থিতি কীভাবে এগোয় এবং মেট্রো পরিষেবা কবে স্বাভাবিক হয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।