ককরোচ পার্টির আন্দোলনের নেতৃত্বের রাশ অজিঙ্কা শিন্ডের হাতে তুলে দিয়েছেন অভিজিৎ দীপকে। এর আগে,মহালয়ার সকালে প্লেনের ভিতর থেকে অভিজিৎ সহ অনেককে আটক করে দিল্লি পুলিশ। মূলত, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে এদিন ধরনার আয়োজন ছিল। যে ধরনায় অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। গোটা দিন ধরে এই বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লি থেকে মুম্বই একাধিকজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকদের মধ্যে মমতা সহ দেশের একাধিক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন। মুম্বইতে আটক হয়েছেন অভিনেতা ইমরান খান। এরপরই আটকদের মুক্তির দাবিতে হুঁশিয়ারি এসেছে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের তরফে। বিক্ষোক্ষ নিয়ে মুখ খুলেছেন রাহুল গান্ধীও।

এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেছেন, তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মোদী এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছেন এবং তাঁদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি তিনি বোঝেন বলেও দাবি করেছেন। রাহুলের বার্তা, ‘মিস্টার মোদী, আপনার যা ইচ্ছা করুন। সব পুলিশকে ডাকুন: ১০,০০০, ২০,০০০, ৫০,০০০, আপনার যত ইচ্ছা। সব নেতাদের গ্রেফতার করুন। সব তরুণদের গ্রেফতার করুন। আমাদের সবাইকে গ্রেফতার করুন।’ ভিডিয়ো বার্তায় রাহুল বলেছেন, ‘ভারতের যুবসমাজ, আমি তোমাদের নিয়ে গর্বিত। প্রতিবাদ চালিয়ে যাও। আমরা তোমাদের পাশে আছি। আমরা নিশ্চিত করব যে এই শাসনব্যবস্থা এবং যারা আমাদের সংবিধানের ওপর আঘাত হেনেছে, তারা যেন পরাজিত হয়।’
এদিকে, আটকদের রবিবারের মধ্যে ছেড়ে দেওয়ার জন্য সুর চড়িয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। তিনি বলেন, ‘গতকাল যখন আমি আজকের বিক্ষোভে ঐক্য ও শান্তির আবেদন জানিয়ে একটি বার্তা পোস্ট করেছিলাম, তখন আমি কল্পনাও করিনি যে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র একটি অঘোষিত জরুরি অবস্থার মধ্যে পড়বে। আন্দোলনকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য এতজন নেতা থাকায় আমি খুশি হয়েছিলাম, কিন্তু এখন জানতে পারলাম যে তাঁদের সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’ ভিডিয়োয় তিনি হুঁশিয়ারির সুর চড়িয়ে বলেন, বিক্ষোভ দমনের সময় আটক নেতাদের শীঘ্রই মুক্তি দেওয়া না হলে, তিনি ‘অনশন বা পদযাত্রা মার্চের কথা বিবেচনা করতে বাধ্য হবেন।’নিউজ ১৮র রিপোর্ট বলছে, ইতিমধ্যেই প্রায় ৩ হাজার জনকে সিজেপি প্রতিবাদ ঘিরে আটক করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, বিরোধী শিবিরের ইন্ডি ব্লক সোমবার দিল্লির রাস্তায় মেগা-প্রতিবাদ বিক্ষোভে নামতে পারে। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।