...
...
Next Story

CJP Chalo Sansad March Update: ‘চলো সংসদ’ মিছিল ঘিরে উত্তেজনা, ককরোচ জনতা পার্টি সমর্থকদের উপর লাঠিচার্জ দিল্লিতে

সোমবার সকালে জড়ো হন CJP-র সমর্থকরা। তাঁদের লক্ষ্য ছিল সংসদের দিকে মিছিল করে যাওয়া। তবে আগেই এই কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। রবিবারই পুলিশ জানিয়ে দিয়েছিল, যন্তর-মন্তর ছাড়া অন্য কোথাও বিক্ষোভ বা মিছিলের অনুমতি নেই। এছাড়া পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

Published on: Jul 20, 2026, 11:06:05 IST
Advertisement

সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজধানী দিল্লি। সোমবার ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র সমর্থকদের সঙ্গে দিল্লি পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে।

সোমবার ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র সমর্থকদের সঙ্গে দিল্লি পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সোমবার ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র সমর্থকদের সঙ্গে দিল্লি পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সোমবার সকালে জড়ো হন CJP-র সমর্থকরা। তাঁদের লক্ষ্য ছিল সংসদের দিকে মিছিল করে যাওয়া। তবে আগেই এই কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। রবিবারই পুলিশ জানিয়ে দিয়েছিল, যন্তর-মন্তর ছাড়া অন্য কোথাও বিক্ষোভ বা মিছিলের অনুমতি নেই। এছাড়া পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পুলিশের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা সংসদের দিকে এগোতে শুরু করলে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে ভিড় ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। ঘটনাস্থলে ব্যাপক সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

দিল্লি পুলিশ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি দিয়ে জানায়, অনুমতি ছাড়া কোনও ধরনের মিছিল, বিক্ষোভ বা জমায়েত আইনত নিষিদ্ধ। শুধুমাত্র জंतर-মন্তরে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এবং আগাম অনুমতি নিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি করা যাবে। পুলিশ আরও সতর্ক করে জানায়, কেউ এই নির্দেশ অমান্য করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই CJP শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের অভিযোগ, মেডিক্যালে ভর্তি পরীক্ষাসহ একাধিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং নানা ধরনের অনিয়ম হয়েছে। এই ঘটনাগুলির জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগও দাবি করছে তারা।

দলের দাবি, দেশের লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। তাই শুধু তদন্ত নয়, শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার এবং পরীক্ষা পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করারও দাবি তুলেছে তারা। সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনেই এই আন্দোলনকে ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনায় রাজধানীর রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। আন্দোলনকারীরা তাঁদের দাবি থেকে সরে আসতে নারাজ। অন্যদিকে, দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করাই তাদের প্রধান দায়িত্ব। ফলে আগামী দিনে এই আন্দোলন কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe