...
...
Next Story

CJP Protest: 'সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে...,' দিল্লিতে বিক্ষোভে মাঝেই নাড্ডার সঙ্গে সাক্ষাৎ ককরোচ জনতা পার্টির, কাটল জট?

CJP Protest: সোমবার আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে আলোচনার প্রস্তাব পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার বাসভবনে সিজেপি মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কার সঙ্গে একটি বৈঠক হয়। প্রায় ১০ মিনিট সেই বৈঠক চলে।

Published on: Jul 20, 2026 07:12 PM IST
Advertisement

CJP Protest: ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র সংসদ অভিযান ঘিরে সোমবার সকাল থেকেই রণক্ষেত্র দিল্লি। নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সরব হয়েছে সিজেপি। অবশেষে এই দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করলেন সিজেপি-র প্রতিনিধিরা। সমস্ত আন্দোলনকারীকে তাদের অবস্থান ধর্মঘট শেষ করে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

দিল্লিতে বিক্ষোভে মাঝেই জেপি নাড্ডার সঙ্গে সাক্ষাৎ ককরোচ জনতা পার্টির (সৌজন্যে টুইটার)
দিল্লিতে বিক্ষোভে মাঝেই জেপি নাড্ডার সঙ্গে সাক্ষাৎ ককরোচ জনতা পার্টির (সৌজন্যে টুইটার)

সোমবার আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে আলোচনার প্রস্তাব পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার বাসভবনে সিজেপি মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কার সঙ্গে একটি বৈঠক হয়। প্রায় ১০ মিনিট সেই বৈঠক চলে। বৈঠক শেষে জেপি নাড্ডা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ জানান, অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের লিখিত দাবিগুলি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘আজ সকালে প্রথমবারের মতো আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে সরকারের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব আসে এবং আমাদের আলোচনা সকাল ১১:৫০ থেকে চলছে। বৈঠকটি একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। তাদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিস্তারিত প্রাথমিক মৌখিক আলোচনা হয় এবং তারা বিকেল ৪টার দিকে আমার কাছে একটি লিখিত আবেদন জমা দেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি সমস্ত আন্দোলনকারীকে তাদের অবস্থান ধর্মঘট শেষ করে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য অনুরোধ করেছি।’

ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে যন্তর মন্তরের ধর্নামঞ্চে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের নজরদারি চালানোর অভিযোগ তুলে দায়ের হওয়া এক আবেদনের শুনানিতে বড় পদক্ষেপ নিল দিল্লি হাইকোর্ট। এই ধরনের নজরদারির ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের সমস্ত নির্দেশিকা ও গাইডলাইন সঠিকভাব মেনে চলা হচ্ছে কিনা, দিল্লি পুলিশের কাছে তা স্পষ্টভাবে জানতে চেয়েছে আদালত। ২০১৭ সালের এক ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী রায়ে দেশের শীর্ষ আদালত সর্বসম্মতভাবে জানিয়েছিল যে সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে থাকা জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকারের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো গোপনীয়তার অধিকার। সুপ্রিম কোর্টের এই ঐতিহাসিক রায়টিই 'আনুপাতিকতার পরীক্ষা' বা 'প্রোপোর্শনালিটি টেস্ট'-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে দিয়েছিল। যেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছিল, রাষ্ট্রের যে কোনও ধরনের নজরদারি বা নজরদারি সংক্রান্ত পদক্ষেপ অবশ্যই আইনসম্মত, অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের সঙ্গে আনুপাতিক হতে হবে।

এদিন দিল্লি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তেজস কারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চ দিল্লি পুলিশের কাছে জানতে চায়, নজরদারি সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের নির্দিষ্ট কোনও নির্দেশিকা তারা আদৌ দেখেছে কিনা। শুনানিকালে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার উদ্দেশে বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, 'দিল্লি পুলিশ কী শীর্ষ আদালতের নির্দেশ সঠিকভাবে মেনে চলেছে?' আদালতের প্রশ্নের উত্তরে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা দাবি করেন, সেখানে কোনও ধরনের নজরদারি চালানো হয়নি। সরকারের পক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন, 'যন্তর মন্তরে প্রতিটি বিক্ষোভের সময় সবসময়ই ভিডিও রেকর্ডিং করা হয়ে থাকে। এমনকী এই আন্দোলনের ক্ষেত্রেও শয়ে শয়ে মানুষকে ভিডিও ও সোশ্যাল মিডিয়া রিল বানাতে দেখা যাচ্ছে। পুলিশ কেবল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার উদ্দেশ্যেই সেখানে ভিডিওগ্রাফি করেছে। এর পেছনে কোনও নজরদারির উদ্দেশ্য নেই।' উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে। দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রের আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বেঞ্চ সাফ জানিয়েছে, 'প্রস্তুত থাকুন, আমরা আগামীকালই এই আবেদনের ওপর চূড়ান্ত শুনানি করব।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe