CJP Founder Abhijeet Dipke: ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের বাবার আর্থিক অবস্থার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সুরাটের এক তথ্যের অধিকার (আরটিআই) কর্মী। একই সঙ্গে সংগঠনের আইনি অবস্থান এবং অর্থের উৎস খতিয়ে দেখার জন্য নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় জিএসটি কর্তৃপক্ষের কাছেও আবেদন জানানো হয়েছে। এই প্রসঙ্গে এবার প্রতিক্রিয়া জানাল সিজেপি।
ঘটনার সূত্রপাত

এই বিতর্কের সূত্রপাত সুরতের আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারি-র অভিযোগকে ঘিরে। তিনি মহারাষ্ট্র সরকার-সহ একাধিক কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানিয়ে অভিজিৎ দীপকের পরিবারের আর্থিক লেনদেনের তদন্ত দাবি করেছেন। অমিত তিওয়ারি অভিযোগ করেছেন, অভিজিৎ দীপকের বাবা ভগবানরাও দীপকে মহারাষ্ট্র সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কীভাবে তাঁর ছেলেকে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানোর খরচ বহন করেছিলেন। সেই কারণে ভগবানরাও দীপকের আর্থিক উৎস ও সম্পদের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। আরটিআই কর্মীর প্রশ্ন, তিনি যদি ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা বেতন পেতেন, তবে কীভাবে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর সন্তানদের পড়াশোনার খরচ জোগালেন? তাঁর কথায়, 'বিষয়টি তদন্তের জন্য আমরা মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় - এমন সম্পত্তির হদিশ মিললে অবিলম্বে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।'
সিজেপি-র পাল্টা জবাব
বর্ষীয়ান সাংবাদিক বরখা দত্ত-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিজিৎ দীপকে স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁর বিদেশে পড়াশোনার পিছনে কোনও অঘোষিত পারিবারিক সম্পদের ভূমিকা ছিল না। তিনি বলেন, 'আমার পড়াশোনার খরচ বস্টন ইউনিভার্সিটির দেওয়া স্কলারশিপ থেকে এসেছে। পাশাপাশি আমি একটি শিক্ষাঋণও নিয়েছিলাম, যা এখনও আমাকে শোধ করতে হবে।' সাক্ষাৎকারে তিনি বস্টন ইউনিভার্সিটির দেওয়া স্কলারশিপের চিঠিও দেখান। সাক্ষাৎকারে সিজেপি-র ভবিষ্যৎ অর্থসংস্থানের পরিকল্পনাও জানান অভিজিৎ দীপকে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সংগঠনটি ক্রাউডফান্ডিং-এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা নেবে। তাঁর কথায়, 'আমরা মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করব এবং পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ থাকবে।' অন্যদিকে এক্স হ্যান্ডেলে সিজেপি মুখপাত্র বৈষ্ণবী গৌর বলেন, 'যারা এক ব্যক্তির ব্যক্তিগত শিক্ষাব্যয় নিয়ে আরটিআই ফাইল করেন, তাদের পিএম কেয়ার্স ফান্ডের দিকেও একবার নজর দেওয়া উচিত। মোদীজি আপনাদেরও ক্ষমা করে দেবেন-চিন্তা করবেন না।'
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২৭ মার্চ কোভিড অতিমারির সময় দুর্দশাগ্রস্তদের সাহায্য করার জন্য পিএম কেয়ার্স ফান্ড তৈরি করা হয়েছিল। পিএম কেয়ার্স ফান্ডের ওয়েবসাইট অনুসারে, ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত এই তহবিলে জমা পড়েছিল ৬,২৮৩.৭ কোটি টাকা।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২৭ মার্চ কোভিড অতিমারির সময় দুর্দশাগ্রস্তদের সাহায্য করার জন্য পিএম কেয়ার্স ফান্ড তৈরি করা হয়েছিল। পিএম কেয়ার্স ফান্ডের ওয়েবসাইট অনুসারে, ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত এই তহবিলে জমা পড়েছিল ৬,২৮৩.৭ কোটি টাকা।
{{/usCountry}}