যাদের আন্দোলনের জেরে পতন হয়েছিল শেখ হাসিনা সরকারের। সেই ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ সঙ্গে পুলিশের সংহির্শে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাংলাদেশ। শুক্রবার জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দিনভর নাটকীয় পরিস্থিতির সাক্ষী থাকল ওপার বাংলা। প্রবল বিক্ষোভের মধ্যেই স্বাক্ষরিত হয় জুলাই সনদ। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, এদিন বিক্ষোভের মুখে জাতীয় সনদের অঙ্গীকারনামার পঞ্চম দফা সংশোধন করা হয়েছে।
‘জুলাই যোদ্ধা' ও পুলিশের সংঘর্ষ

শুক্রবার বিকেল ৪টেয় জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগে বেলা ১টার দিকে নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দিয়ে কয়েকজন অনুষ্ঠানস্থলে বিক্ষোভ করতে শুরু করেন। এরপরেই ‘অ্যাকশনে মুডে’ দেখা যায় মহম্মদ ইউনুসের পুলিশকে। ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পুলিশের সঙ্গে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। পাশাপাশি পুলিশের ব্যারিকেডের জন্য ব্যবহৃত ‘রোড ব্লকারগুলি' একত্রিত করে আগুন ধরিয়ে দেন তারা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট নিক্ষেপও করা হয়। ভাঙচুর করা হয় কয়েকটি যানবাহনও। পাল্টা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে পুলিশ। অবশেষে ৩টে ১৫ মিনিট নাগাদ তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি ও নিজেদের দায়মুক্তি-সহ তিন দফা দাবিতে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ স্বাক্ষরের মঞ্চে অবস্থান করেন ‘জুলাই যোদ্ধারা’। তারা দেয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে পড়েন। তাদের তিনটি দাবি হল-জুলাই সনদ সংশোধন, সনদকে স্থায়ীভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা এবং জুলাই যোদ্ধাদের স্বীকৃতি দেওয়া।
জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর
জানা গিয়েছে, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ইতিমধ্যে তাঁদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অবশেষে বিকেল ৪টে ৩৭ মিনিট নাগাদ শুরু হয় জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলি রিয়াজ, কমিশনের সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা। জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর করেছেন ২৫টি রাজনৈতিক দলের নেতারা। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এনসিপি-র দাবিতে জুলাই সনদের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তারাই স্বাক্ষর করেনি সনদে। একই সঙ্গে বামপন্থী চারটি রাজনৈতিক দল-বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাসদ (মার্ক্সবাদী) ও বাংলাদেশ জাসদও জুলাই সনদে সই করেনি। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দুই পর্বে আলোচনা করে জুলাই সনদ তৈরি করেছে। প্রথম পর্বে ৩৩টি ও দ্বিতীয় পর্বে ৩০টি দলের সঙ্গে আলোচনা করে তারা। জাতীয় পার্টিকে এই আলোচনায় রাখা হয়নি। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৫২টি। এরমধ্যে আওয়ামি লিগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং নিবন্ধন স্থগিত রয়েছে।
{{/usCountry}}জানা গিয়েছে, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ইতিমধ্যে তাঁদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অবশেষে বিকেল ৪টে ৩৭ মিনিট নাগাদ শুরু হয় জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলি রিয়াজ, কমিশনের সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা। জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর করেছেন ২৫টি রাজনৈতিক দলের নেতারা। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এনসিপি-র দাবিতে জুলাই সনদের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তারাই স্বাক্ষর করেনি সনদে। একই সঙ্গে বামপন্থী চারটি রাজনৈতিক দল-বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাসদ (মার্ক্সবাদী) ও বাংলাদেশ জাসদও জুলাই সনদে সই করেনি। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দুই পর্বে আলোচনা করে জুলাই সনদ তৈরি করেছে। প্রথম পর্বে ৩৩টি ও দ্বিতীয় পর্বে ৩০টি দলের সঙ্গে আলোচনা করে তারা। জাতীয় পার্টিকে এই আলোচনায় রাখা হয়নি। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৫২টি। এরমধ্যে আওয়ামি লিগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং নিবন্ধন স্থগিত রয়েছে।
{{/usCountry}}