মুম্বই মহানগর অঞ্চলে ফের বাড়ল সিএনজির দাম। শনিবার থেকে প্রতি কেজি সিএনজির দাম ২ টাকা বৃদ্ধি করে ৮৬ টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে গৃহস্থালির পাইপলাইনের গ্যাস বা পিএনজির দামও প্রতি ইউনিটে ৫০ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। ফলে সাধারণ পরিবার থেকে শুরু করে অটো, ট্যাক্সি এবং বাণিজ্যিক যানবাহনের চালকদের উপর নতুন করে আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে।

সরকারি গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থা মহানগর গ্যাস লিমিটেড (এমজিএল) জানিয়েছে, গ্যাস সংগ্রহের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। সংস্থার দাবি, দেশীয় গ্যাসের বরাদ্দ কমে যাওয়ায় তুলনামূলক বেশি দামের গ্যাসের উপর নির্ভরতা বেড়েছে। পাশাপাশি টাকার মূল্যহ্রাসও গ্যাস আমদানির খরচ বাড়িয়েছে। এই সব কারণ মিলিয়েই সিএনজি ও পিএনজির নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই এটি দ্বিতীয় সিএনজি মূল্যবৃদ্ধি। এর আগে মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে সিএনজির দাম ২ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ টাকা করা হয়েছিল। নতুন বৃদ্ধির ফলে সেই দাম পৌঁছল ৮৬ টাকায়। ফলে অল্প সময়ের মধ্যে মুম্বইতে মোট ৪ টাকা বেড়ে গেল সিএনজির মূল্য।
এই সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে মুম্বই, থানে, নবি মুম্বই, কল্যাণ-সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ গাড়িচালকের উপর। বিভিন্ন পরিবহণ সংগঠনের মতে, জ্বালানির খরচ বাড়তে থাকলে অটো ও ট্যাক্সি ভাড়া বৃদ্ধির দাবিও জোরালো হতে পারে। কারণ, বর্তমান ভাড়ার কাঠামোয় বাড়তি জ্বালানি খরচ সামলানো ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মুম্বই মেট্রোপলিটন অঞ্চলে ১২ লক্ষেরও বেশি সিএনজি চালিত যানবাহন রয়েছে। এর মধ্যে কয়েক লক্ষ অটোরিকশা, ট্যাক্সি, ব্যক্তিগত গাড়ি এবং বাসও রয়েছে। ফলে এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব দৈনন্দিন যাতায়াত এবং পরিবহণ খরচের উপর পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং হরমুজ প্রণালী ঘিরে অনিশ্চয়তার প্রভাব ভারতের জ্বালানি বাজারেও পড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে পেট্রোল, ডিজেল এবং সিএনজির ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধি সেই চাপেরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং হরমুজ প্রণালী ঘিরে অনিশ্চয়তার প্রভাব ভারতের জ্বালানি বাজারেও পড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে পেট্রোল, ডিজেল এবং সিএনজির ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধি সেই চাপেরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}