CJP on Dharmendra Pradhan Resignation: ‘মাথা ঝোঁকানোর শক্তি চাই শুধু’, ধর্মেন্দ্র পদত্যাগ করতেই জয়ের হুংকার ‘আরশোলাদের’
CJP on Dharmendra Pradhan Resignation: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ল দিল্লির যন্তর মন্তর-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত। ককরোচ জনতা পার্টির অভিজিৎ দীপকে বললেন, ‘ঝুঁকতি হ্যা দুনিয়া, ঝুঁকানে ওয়ালা চাহিয়ে।’
CJP on Dharmendra Pradhan Resignation: মেরেকেটে ঘণ্টাখানেক পরেই কেন্দ্রীয় সরকারের বৈঠক ছিল। আর বৈঠকের ঠিক আগেই ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রথম দাবি মান্যতা পেয়েছে। ইস্তফা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। আর সেই খবর দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থানরত আন্দোলনকারীদের কাছে পৌঁছাতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন তাঁরা। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠিতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন। আমরা করে দেখিয়েছি। এরা কী বলত? এরা কী বলত? এই সরকারে কেউ ইস্তফা দেয় না। এরা কী বলত? এই সরকারে কেউ ইস্তফা দেয় না। আমরা কী বলতাম, সারা দুনিয়া মাথানত করে, শুধু মাথানত করানোর মতো শক্তির প্রয়োজন হয় (ঝুঁকতি হ্যা দুনিয়া, ঝুঁকানে ওয়ালা চাহিয়ে)।’

‘এটা প্রথম উইকেট’, হুংকার অভিজিৎ দীপকের
তিনি আরও বলেছেন, 'এটা প্রথম উইকেট। আমরা এখানে থামব না। এটা সবে শুরু হল। প্রত্যেক পড়ুয়া, প্রত্যেক স্বেচ্ছাসেবককে আমি স্যালুট জানাচ্ছি। যাঁরা গত ৩৬ দিন ধরে এখানেই বসে আছেন।' সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি কথা বলতে চাই। ধর্মেন্দ্র প্রধান আজ পদত্যাগ করেছেন বলে আমাকে নায়ক বানাবেন না। এই ভুলটি করবেন না।’
সব দাবি না মানলে আন্দোলন চলবে, দাবি ‘আরশোলাদের’
আর শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পরও আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির সদস্যরা। কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যে বৈঠক আছে, তাতে তাঁরা যোগ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেছেন, 'আমাদের দুপুর ৩ টে ৩০ মিনিটে ডাকা হয়েছে। যতক্ষণ না আমাদের সব দাবি মেনে নেওয়া হচ্ছে এবং আমাদের লিখিতভাবে পুরোটা দেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ আমরা কোথাও যাচ্ছি না। এটা বিশাল জয়।'
আত্মহত্যা করা নিট প্রার্থীদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা দেওয়ার দাবি
আর সিজেপির সেই দাবিগুলির মধ্যে অন্যতম হল যে নিট প্রার্থীরা আত্মহত্যা করেছেন, তাঁদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা বাবদ এক কোটি টাকা দিতে হবে। সেই দাবিগুলির আজ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নড্ডার সঙ্গে বৈঠকে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন সিজেপির প্রতিনিধিরা।
উচ্ছ্বাস প্রকাশ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে
তারইমধ্যে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ইস্তফা দেওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিক্ষোভকারীরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন। বেঙ্গালুরু, কলকাতা, চেন্নাই-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের আন্দোলনকারীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


