Kolkata Girl becomes Global Topper: 'বিশ্বসেরা' হলেন কলকাতার ছাত্রী, সুযোগ লন্ডনের কলেজে, ‘টপার’ হয়েছেন আরও ২ পড়ুয়া
Kolkata Girl becomes Global Topper: 'বিশ্বসেরা' হলেন কলকাতার ছাত্রী। সুযোগ পেলেন লন্ডনের কলেজে। ‘টপার’ হয়েছেন আরও দুই পড়ুয়া। 'ইন্টারন্যাশনাল ব্যাকালোরেট ডিপ্লোমা প্রোগ্রাম'-তে বাজিমাত করেছেন তাঁরা। রোশনী লন্ডনের কলেজে সুযোগ পেয়েছেন।
Kolkata Girl becomes Global Topper: 'বিশ্বসেরা' হলেন কলকাতার ছাত্রী। 'ইন্টারন্যাশনাল ব্যাকালোরেট ডিপ্লোমা প্রোগ্রাম'-এ (IBDP) গ্লোবাল টপার হলেন কলকাতার হেরিটেজ স্কুলের ছাত্রী রোশনী হামিরওয়াসি। আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃত প্রাক-বিশ্ববিদ্যালয় কোর্সের পরীক্ষায় ৪৫ নম্বরের মধ্যে ৪৫ পেয়েছেন। আর সেই পরীক্ষায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজে কেমিস্ট্রিতে ইন্টিগ্রেটেড মাস্টার্স ডিগ্রি কোর্স করারও সুযোগ পেয়েছেন। তাছাড়াও হেরিটেজ স্কুলের আরও দুই পড়ুয়া দারুণ ফলাফল করেছেন। রুশিল চারি পেয়েছেন ৪৪ নম্বর। আর ভাব্য শরাফের প্রাপ্ত নম্বর ৪১। সার্বিকভাবে হেরিটেজ স্কুলের গড় নম্বর ৩৫-তে ঠেকেছে।

সবমিলিয়ে পড়ুয়াদের সাফল্যে হেরিটেজ স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করা হয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হয়েছে, 'অসাধারণ কৃতিত্ব, নিষ্ঠা ও বিশ্বমানের সাফল্য উদযাপন! অধ্যবসায়, শিক্ষাগত উৎকর্ষ এবং চিরকাল শেখার মানসিকতার প্রতিফলন ঘটিয়ে অসাধারণ ফলাফল অর্জনের জন্য দ্য হেরিটেজ স্কুল অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে IBDP-র ২০২৬ ব্যাচকে অভিনন্দন জানাচ্ছে। আমাদের গ্লোবাল টপার রোশনি হামিরওয়াসিয়া, রুশিল চারি এবং ভাব্য শরাফকে বিশেষ অভিনন্দন।'
সেইসঙ্গে স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হয়েছে, ‘(ইন্টারন্যাশনাল ব্যাকালোরেট ডিপ্লোমা প্রোগ্রামের) এই ব্যাচ উৎকর্ষের এমন এক মানদণ্ড স্থাপন করেছে, যা পুরো হেরিটেজ পরিবারকে অনুপ্রাণিত করে। এই গর্বের মাইলফলক অর্জনে আমাদের সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের জানাই অভিনন্দন। আগামিদিনে আরও অনেক সাফল্যের প্রত্যাশা রইল।’
IBDP কোর্সের বিষয়টা কী?
এমনিতে IBDP হল মূলত একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য আন্তর্জাতিক স্তরের এটি কোর্স। যে কোর্সের বিশেষ মর্যাদা আছে। এই ডিপ্লোমা থাকলে বিশ্বের যে কোনও বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে সহজে ভর্তির সুযোগ পাওয়া যায়। পাঠ্যক্রমে মোট ছ'টি বিষয় থাকে। যেমন রোশনীর কেমিস্ট্রি, ফিজিক্স, অঙ্ক, ইংরেজি, স্প্যানিশ এবং ইকোনমিক্স ছিল।
কীরকম বিষয় থাকে IBDP-র বিষয়টা কী?
বিশেষজ্ঞদের মতে, মুখস্থবিদ্যার গণ্ডি পেরিয়ে এই কোর্সে স্বাধীন চিন্তাভাবনা, গবেষণা এবং বাস্তব জীবনের দক্ষতার বিকাশের উপরে জোর দেওয়া হয়। ওই কোর্সের তিনটি মূল স্তম্ভ হল - জ্ঞানের প্রকৃতি নিয়ে চিন্তাভাবনা করা, ৪,০০০ শব্দের একটি গবেষণামূলক প্রবন্ধ লেখা এবং পড়াশোনার বাইরে বিভিন্ন সৃজনশীল ও সামাজিক কাজে অংশ নেওয়া।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


