Cockroach Janata Party Abijit Dipke: স্বাধীনতা দিবসের সকালেই বড় ধাক্কার মুখে পড়ে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা CJP। দলের অফিসিয়াল Instagram পেজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ করেন CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। বিষয়টি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম X-এ পোস্ট করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। পেজ বন্ধ করার জন্য দায়ীদের ‘ভীরু’ বলেও কটাক্ষ করেন অভিজিৎ। পরে আবার জানানো হয়, তাদের ইনস্টাগ্রাম পেজ রিস্টোর করা হয়েছ।

শুক্রবার সকালে X-এ একটি ছবি পোস্ট করে অভিজিৎ জানান, CJP-র অফিসিয়াল Instagram হ্যান্ডেল আর দেখা যাচ্ছে না। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘তাঁরা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র অফিসিয়াল Instagram হ্যান্ডেল সরিয়ে দিয়েছে। কত বড় ভীরু!’ তাঁর এই পোস্টকে ঘিরে ফের আলোচনা শুরু হয়। পরে সিজেপির তরফ থেকে জানানো হয়, তাদের ইনস্টাগ্রাম পেজ ফের রিস্টোর করে দেওয়া হয়েছে।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এর আগেও একটি তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট করেছিলেন অভিজিৎ। শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি দিল্লির যন্তর মন্তরে NEET পেপার ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনের ছবি পোস্ট করেন। তাতে দেখা যায়, পড়ুয়াদের উপর লাঠিচার্জ করছে পুলিশ। ছবিটি পোস্ট করে তিনি লেখেন, ‘স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা। এই ছবি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে এখনও আমাদের অনেকটা পথ চলা বাকি।’
CJP-র উত্থানের পিছনে রয়েছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে অভিজিৎ দীপকের প্রতিবাদ। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের একটি বক্তব্যের পর প্রতিবাদ জানাতে তিনি ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পেজ তৈরি করেছিলেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই X এবং Instagram-এ CJP-কে ঘিরে ব্যাপক সাড়া পড়ে। বিপুল সংখ্যক মানুষ পেজটি অনুসরণ করতে শুরু করেন।
এরপর আমেরিকা থেকে ভারতে ফিরে এসে CJP-র ব্যানারে NEET পেপার ফাঁসের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামেন অভিজিৎ। তাঁর আহ্বানে দিল্লির যন্তর মন্তরে বহু মানুষ প্রতিবাদে অংশ নেন। আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, পরীক্ষার স্বচ্ছতা এবং পড়ুয়াদের বিভিন্ন সমস্যাকে সামনে আনার চেষ্টা করা হয়।
{{/usCountry}}এরপর আমেরিকা থেকে ভারতে ফিরে এসে CJP-র ব্যানারে NEET পেপার ফাঁসের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামেন অভিজিৎ। তাঁর আহ্বানে দিল্লির যন্তর মন্তরে বহু মানুষ প্রতিবাদে অংশ নেন। আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, পরীক্ষার স্বচ্ছতা এবং পড়ুয়াদের বিভিন্ন সমস্যাকে সামনে আনার চেষ্টা করা হয়।
{{/usCountry}}তবে NEET আন্দোলনের পর এবার CJP-র নজর গ্রামীণ সরকারি স্কুলগুলির দিকে। স্বাধীনতা দিবস থেকেই ‘স্কুল ঠিক করো’ নামে নতুন অভিযান শুরু করার কথা জানিয়েছেন অভিজিৎ। মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি জেলার নিজের গ্রাম থেকেই এই কর্মসূচির সূচনা করবেন তিনি।
অভিজিৎ জানিয়েছেন, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হল গ্রামের সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামোর উন্নতি এবং স্থানীয় প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করা। স্কুলে বেঞ্চ, পানীয় জল-সহ প্রয়োজনীয় মৌলিক পরিষেবা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে স্থানীয় পঞ্চায়েতের সঙ্গে কথা বলা হবে।
দিল্লি থেকে ফেরার পর সাংবাদিকদের অভিজিৎ জানান, নিজের গ্রামের সরপঞ্চের কাছে স্থানীয় সরকারি স্কুলগুলির মেরামতি এবং প্রয়োজনীয় মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করার আবেদন জানাবেন তিনি। তাঁর দাবি, শুধু একটি গ্রামের সমস্যা সমাধান করাই নয়, দেশের বিভিন্ন গ্রামে এই উদ্যোগ ছড়িয়ে দেওয়াই CJP-র লক্ষ্য।
এই উদ্দেশ্যে একাধিক দলও তৈরি করা হয়েছে বলে জানান অভিজিৎ। সেই দলগুলি বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও সরপঞ্চদের সঙ্গে কথা বলবে এবং সরকারি স্কুলগুলির অবস্থার উন্নতিতে পদক্ষেপ করার আহ্বান জানাবে।