...
...
Next Story

Kerala: কেরলের মসনদে কে? বেণুগোপাল-সতীশন জট কাটাতে তৎপর কংগ্রেস, এখনও অনড়...

Kerala: সূত্রের খবর, কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চায় ভি ডি সতীশন, কে বেণুগোপালের নেতৃত্বাধীন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর ভূমিকা পালন করুন। কে বেণুগোপালই রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যের বিধায়কদের পছন্দের মুখ।

Updated on: May 11, 2026, 22:20:06 IST
Advertisement

Kerala: কেরলে এলডিএফ-কে সরিয়ে ফের ক্ষমতায় এসেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ জোট। নির্বাচনী ফল ঘোষণার পর এক সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও মুখ্যমন্ত্রীর পদ কে পাবেন, তা নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরমহলে এখন চরম দ্বন্দ্ব। এই মুহূর্তে কেরলে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের দাবিতে অনড় রয়েছেন ভি ডি সতীশন। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, অন্য কোনও পদ গ্রহণ করতে তিনি প্রস্তুত নন। তবে তাঁর কাছে 'শীর্ষ পদ' বলতে যা বোঝায়, তা ঠিক দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ভাবনার সঙ্গে মেলে না।

কেরলের মসনদে কে? (সৌজন্যে টুইটার)
কেরলের মসনদে কে? (সৌজন্যে টুইটার)

গত এক সপ্তাহ ধরে চলা এই অচলাবস্থা কর্ণাটকের পরিস্থিতির কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে, সেখানে গত বিধানসভা নির্বাচনের মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে সিদ্দারামাই ও ডি কে শিবকুমারের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছিল। সূত্রের খবর, কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চায় সতীশন, কে বেণুগোপালের নেতৃত্বাধীন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর ভূমিকা পালন করুন। বেণুগোপালই রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যের বিধায়কদের পছন্দের মুখ। এমনকী মুখ্যমন্ত্রীর পদে অন্য এক দাবিদার রমেশ চেন্নিথালাকে স্পিকার করার ভাবনাও রয়েছে। কিন্তু সতীশন নিজের দাবিতে অনড়। তাঁর পক্ষে জনসমর্থন যেমন আছে, তেমনই জোটসঙ্গী আইইউএমএল-ও তাঁকে চাইছে। ফলে এক কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। একদিকে বিধায়কদের বড় অংশের মত, অন্যদিকে জোটসঙ্গীদের চাপ- সব মিলিয়ে লেজেগোবরে দশা হাইকমান্ডের।

সূত্রের খবর, এই পরিস্থিতি সামলাতে মঙ্গলবারই কেরল কংগ্রেসের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন রাহুল গান্ধী। এদিকে, সতীশন ও চেন্নিথালার চাপ প্রয়োগের কৌশলে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই অসন্তুষ্ট। এরমধ্যেই তিরুবনন্তপুরমে দলের অন্দরেও লড়াই চলছে। কোথাও বেণুগোপালের পোস্টার পড়ছে, তো কোথাও সতীশনের অনুগামীরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। সতীশন কেরলে বামেদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রধান মুখ, তাই তাঁকে চটানোর ঝুঁকি নিতে ভয় পাচ্ছে দল। আবার বেণুগোপালকে মুখ্যমন্ত্রী করলে তাঁকে উপনির্বাচনে জিতিয়ে আনা এবং তাঁর ছেড়ে দেওয়া লোকসভা আসনে ভোট করানোর মতো বাড়তি ঝক্কিও আছে। আপাতত, একমাত্র নিশ্চিত বিষয় হল কেরলের জটিল অঙ্ক সমাধানে আরও সময় লাগবে- যা কংগ্রেসের পক্ষে মোটেই সম্ভব নয়, কারণ একই সময় ভোট হওয়া দুটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা ইতিমধ্যেই শপথ গ্রহণ করেছেন। দিল্লিতে কংগ্রেসের এক শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত না নিয়ে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ২৩ মের মধ্যে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলেই আশাবাদী তাঁরা।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe