ইরান বনাম আমেরিকা, ইজরায়েলর যুদ্ধ থামাতে ব্যাপক হম্বিতম্বির মেজাজে পাকিস্তান! ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদ এই যুদ্ধের মধ্যস্থতার আলোচনার আহ্বান জানিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। এদিকে, ইসলামাবাদে ইতিমধ্যেই এই যুদ্ধ রোখার উদ্যোগে বিশেষ আলোচনায় জোটবদ্ধ হয়েছে সৌদি আরব, তুরস্ক, মিশরের নেতারা। শোনা যাচ্ছে, ইসলামাবাদে এই মধ্যস্থতার আলোচনায় যোগ দিতে পৌঁছতে পারেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। পাকিস্তান সাফ বলছে, তারা ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি মধ্যস্থার আলোচনার উদ্যোগ নিতে প্রস্তুত। তবে পাকিস্তানের এই চরম পারদ চড়ানো দাবির পর এবার মুম্বইতে অবস্থিত ইরানের কনস্যুলেট জেনারেল তেহরানের অবস্থানটি স্পষ্ট করেছে।
প্রতিবেশী পাকিস্তানকে নিয়ে ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো সরাসরি আলোচনা হয়নি, কেবল মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক দাবি জানানো হয়েছে। মুম্বইতে অবস্থিত ইরানের কনস্যুলেট বলেছে, 'পাকিস্তানের ফোরামগুলো তাদের নিজস্ব ব্যাপার এবং ইরান সেগুলোতে অংশগ্রহণ করেনি।'
এক পোস্টে মুম্বইতে অবস্থিত ইরানের কনস্যুলেট জেনারেলের অফিস বলছে, 'যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও সরাসরি আলোচনা নয়, কেবল মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বাড়াবাড়ি ও অযৌক্তিক দাবি। যুক্তরাষ্ট্রের 'কূটনীতি' অনবরত পাল্টে যায়, আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। পাকিস্তানের ফোরামগুলো তাদের নিজস্ব, আমরা তাতে অংশ নিইনি। যুদ্ধ বন্ধের আঞ্চলিক আহ্বান স্বাগত, কিন্তু মনে রাখবেন, যুদ্ধটা কে শুরু করেছিল।'
রবিবার ইসলামাবাদে সৌদি আরব, মিশর ও তুরস্কের বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার আলোচনার পর পাকিস্তান ওই ঘোষণা করে। টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশহাক দার বলেন, সফররত মন্ত্রীরা ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।
দার দাবি করেছেন যে তিনি এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সহ ইরানের সিনিয়র সরকারি মন্ত্রীদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন। ইশহাক দারের দাবি, পাকিস্তানও মার্কিন প্রশাসনের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ইসলামাবাদে রবিবারের আলোচনা, যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল বা ইরানের কোনও প্রতিনিধি ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
{{/usCountry}}দার দাবি করেছেন যে তিনি এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সহ ইরানের সিনিয়র সরকারি মন্ত্রীদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন। ইশহাক দারের দাবি, পাকিস্তানও মার্কিন প্রশাসনের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ইসলামাবাদে রবিবারের আলোচনা, যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল বা ইরানের কোনও প্রতিনিধি ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
{{/usCountry}}এদিকে ইরান, মিশর সহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের স্বাগত জানাতে গিয়ে চুল ঠিক করার সময় পিছলে পড়ে যান পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশহাক দার। তাঁর কাঁধের হাড়ে চিড় রয়েছে বলে খবর। সেই ভিডিয়োও এই সময় ভাইরাল।