...
...
Next Story

E20 Petrol Row : ই-২০ পেট্রোলে ইঞ্জিনে বিকল! প্রথম মামলায় গ্রাহকের পক্ষেই রায় ক্রেতা আদালতের

E20 Petrol Row : এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন রায়পুরের বাসিন্দা ডঃ প্রেমরাজ দেব্তা। গাড়ির মালিক দাবি করেন যে, ই-২০ পেট্রোল ব্যবহার করার পর তার গাড়ির ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যায়। বেশিরভাগ সময়ে মিসফায়ারিং হতে থাকে এবং মাইলেজও কমে যায়।

Published on: Jul 16, 2026, 17:51:04 IST
Advertisement

E20 Petrol Row : ভারতে পরিবেশবান্ধব ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত পেট্রোল বা ‘ই-২০’ জ্বালানি চালুর পর থেকেই গাড়ির ইঞ্জিনের ওপর তার প্রভাব নিয়ে নানা মহলে চর্চা চলছিল। এই আবহে এমন একটি খবর প্রকাশ্যে এসেছে যা শোরগোল ফেলে দিয়েছে। ভারতে ই-২০ জ্বালানি নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যেই প্রথমবার এই সংক্রান্ত মামলায় ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে আদালত। ছত্তিশগড়ের রায়পুর জেলার ক্রেতা আদালত গাড়ির মালিকের পক্ষে রায় দিয়েছে। গাড়ির মালিকের অভিযোগ ছিল যে ই-২০ জ্বালানির কারণে তার গাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং বারবার মেরামত করা সত্ত্বেও তিনি কোনও প্রতিকার পাননি, বরং তার খরচ বেড়েছে।

ই-২০ পেট্রোলে ইঞ্জিনে বিকল! প্রথম মামলায় গ্রাহকের পক্ষেই রায় ক্রেতা আদালতের
ই-২০ পেট্রোলে ইঞ্জিনে বিকল! প্রথম মামলায় গ্রাহকের পক্ষেই রায় ক্রেতা আদালতের

এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন রায়পুরের বাসিন্দা ডঃ প্রেমরাজ দেব্তা। গাড়ির মালিক দাবি করেন যে, ই-২০ পেট্রোল ব্যবহার করার পর তার গাড়ির ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যায়। বেশিরভাগ সময়ে মিসফায়ারিং হতে থাকে এবং মাইলেজও কমে যায়। এই সমস্যার জেরে তিনি বারবার গাড়িটিকে সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যান এবং মেরামতের জন্য তাঁর পকেট থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ হয়ে যায়। কিন্তু বারবার মেরামতের পরেও ইঞ্জিনের ত্রুটি দূর করা যায়নি। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, এসইউভিটি ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ম্যানুফ্যাস্টুরেড হলেও ২০২৪ সালের জুনে কেনা হয়েছিল। অভিযোগ, পাঁচ মাসের মধ্যেই গাড়িটি বারবার বন্ধ হয়ে যেতে শুরু করে।

এই মামলার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ই-২০ পেট্রোলের কারণে গাড়িতে কোনও ত্রুটি দেখা দিচ্ছিল কিনা, সেই প্রশ্নটি। গাড়ি নির্মাতা ও ডিলার দাবি করেন যে, গাড়িটির মডেল ই-২০ জ্বালানিতেও দারুণভাবে চলতে পারে। ডিলার আরও দাবি করেন যে, গাড়ির সমস্যাগুলো মালিকের দোষে হয়েছে এবং অপর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ ও স্বাভাবিক ক্ষয়-ক্ষতির কারণে গাড়িটিতে ত্রুটি দেখা দিয়েছে। তবে, অভিযোগকারী জানান যে, ২০২৪ সালে কেনা গাড়িটি এখন পর্যন্ত নিখুঁতভাবে চলছিল, কিন্তু ই-২০ পেট্রোল ব্যবহার করার পর থেকেই এতে সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। ইঞ্জিন-সহ বাকি সমস্যা দেখা দেওয়ার পর, গাড়ির মালিক বিখ্যাত কোম্পানি মারুতি সুজুকি ইন্ডিয়া লিমিটেডের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেন। তবে বহুজাতিক গাড়ি সংস্থা ও ডিলারের এই যুক্তিতে একেবারেই সন্তুষ্ট হতে পারেনি ক্রেতা কমিশন। আদালত তাদের রায়ে স্পষ্ট উল্লেখ করেছে, অভিযোগকারী গ্রাহক বারবার গাড়িটিকে অনুমোদিত ওয়ার্কশপে মেরামতের জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও প্রতিবার একই যান্ত্রিক ত্রুটি ফিরে ফিরে এসেছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe