Pak Terrorist Connection: পাকিস্তানভিত্তিক চিহ্নিত সন্ত্রাসবাদীর সঙ্গে সমাজমাধ্যমে যোগাযোগের অভিযোগে কর্নাটকে গ্রেফতার করা হল ২৪ বছরের এক যুবককে। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত যুবক বিশাল কুমার মেত্রে নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে পাকিস্তানে থাকা শাহজাদ ভাট্টির সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র পাচার এবং বিক্রির মতো বিষয় নিয়েও তাঁদের মধ্যে কথাবার্তা হয়েছে বলে তদন্তকারীদের অভিযোগ।

বীদর জেলার ভলকি তালুকের এনকুর গ্রামের বাসিন্দা বিশালের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত ধারায় মামলা করা হয়েছে। পুলিশের বক্তব্য, শুধু শাহজাদ ভাট্টিই নন, পাকিস্তানভিত্তিক রানা হুনাইন এবং নোমি খানের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল তাঁর। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরীর আশু শর্মা এবং মধ্যপ্রদেশের খারগোনের রাজ ভাই ওরফে লাকি সিংহের সঙ্গেও হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইনস্টাগ্রামে যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি পুলিশের।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন বিশাল। জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ বা বেআইনি অস্ত্রের কারবারে জড়িত থাকার কথা তিনি মানেননি বলে জানিয়েছে পুলিশ। এমনকি প্রথমে নিজের মোবাইল ফোনটিও তদন্তকারীদের হাতে দিতে চাননি। পরে ফোনটি দেওয়া হলে সেটি পরীক্ষা করে হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইনস্টাগ্রামের নানা কথোপকথন সামনে আসে বলে এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই পাকিস্তানে থাকা শাহজাদ ভাট্টি এবং রানা হুনাইনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের কথা জানা যায় বলে পুলিশের দাবি।
তদন্তকারীদের আরও অভিযোগ, রানা হুনাইন বিশালকে ‘রাহে হক’ এবং ‘রানা ভাই ৩৩৩’ নামে দু’টি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলের লিঙ্ক পাঠিয়েছিলেন। বিশাল ওই চ্যানেলগুলিতে যোগ দিয়েছিলেন এবং সেখানে ভারতবিরোধী বলে দাবি করা বিভিন্ন পোস্ট ও ভিডিয়ো দেখেছিলেন। এ ধরনের বিষয় দেশের ঐক্য এবং সার্বভৌমত্বের পক্ষে ক্ষতিকর বলে অভিযোগ পুলিশের। তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকেই বিশাল এই ধরনের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
{{/usCountry}}তদন্তকারীদের আরও অভিযোগ, রানা হুনাইন বিশালকে ‘রাহে হক’ এবং ‘রানা ভাই ৩৩৩’ নামে দু’টি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলের লিঙ্ক পাঠিয়েছিলেন। বিশাল ওই চ্যানেলগুলিতে যোগ দিয়েছিলেন এবং সেখানে ভারতবিরোধী বলে দাবি করা বিভিন্ন পোস্ট ও ভিডিয়ো দেখেছিলেন। এ ধরনের বিষয় দেশের ঐক্য এবং সার্বভৌমত্বের পক্ষে ক্ষতিকর বলে অভিযোগ পুলিশের। তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকেই বিশাল এই ধরনের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
{{/usCountry}}অভিযোগের পরিধি শুধু সমাজমাধ্যমে কথাবার্তায় সীমাবদ্ধ নয়। বেআইনি অস্ত্রের চোরাচালান এবং বিক্রির সঙ্গে যুক্ত একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গেও বিশালের যোগাযোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শাহজাদ ভাট্টি, রানা হুনাইন, নোমি খান-সহ একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের ধরন এবং কথোপকথনের বিষয়বস্তু এখন তদন্তের কেন্দ্রে।
বীদরের খটক চিনচোলি থানায় বিশালের বিরুদ্ধে ইউএপিএ-র ১৮, ২০ এবং ৩৯ ধারা এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬১(২) ও ৩(৫) ধারায় মামলা হয়েছে। এর মধ্যে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সদস্য হওয়া এবং সন্ত্রাসবাদে সহায়তার মতো অভিযোগ রয়েছে। যদিও পুলিশের অভিযোগই এখন পর্যন্ত মামলার ভিত্তি, তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে এই যোগাযোগের প্রকৃতি এবং বেআইনি অস্ত্রের যোগসূত্র সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।