Pakistan Army denies LeT Terrorist Death: লস্কর জঙ্গি মরেনি! ভারতের এনকাউন্টার পরই ‘পাশে বসিয়ে’ দাবি করল পাকিস্তানি সেনা
Pakistan Army denies LeT Terrorist Death: ভারত পাকিস্তানি জঙ্গিকে খতম করে দিয়েছে। আর তারপরই পাকিস্তানি সেনার তরফে দাবি করা হল যে লস্কর জঙ্গি মরেনি। এক ব্যক্তিকে নিয়ে এসে বলল যে এটাই লস্কর জঙ্গি। ভারত কিছু বলেনি এখনও।
Pakistan Army denies LeT Terrorist Death: কাশ্মীরে লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গিকে খতম করে দিয়েছে ভারতীয় সুরক্ষা বাহিনী। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, মহম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মুসা পাকিস্তানি সেনার এলিট স্পেশাল সার্ভিসেস গ্রুপের (এসএসজি) হাবিলদার ছিল। এমনকী পাকিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি পারভেজ মুশারফের নিরাপত্তার দায়িত্বেও ছিল। আর তারপর তড়িঘড়ি সাংবাদিক বৈঠক করে পাকিস্তানি সেনার তরফে দাবি করা হল, যে ব্যক্তির কথা বলা হচ্ছে, তার নাকি মৃত্যু হয়নি। একজনকে ‘পাশে বসিয়ে’ পাকিস্তানি সেনার মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী দাবি করেন, এই লোকটাকেই ভারত বলছে যে নিকেশ করা হয়েছে।

কাশ্মীরে সেনা ও সুরক্ষা বাহিনীর যৌথ অভিযানে খতম মুসা
পাকিস্তানি সেনার সেই দাবি নিয়ে আপাতত ভারত কোনও মন্তব্য করেনি। তবে বুধবার ভারতীয় আধিকারিকরা জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে বদগাম কোরাগের উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে ভারতীয় সেনা এবং অন্যান্য সুরক্ষা বাহিনীর যৌথ অভিযানে লস্কর জঙ্গি মুসাকে খতম করা হয়।
ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ওই এলাকায় সন্দেহভাজন গতিবিধি ধরা পড়েছিল। তারপরই অভিযান শুরু করা হয়। সেইসময় সুরক্ষা বাহিনীর জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। পালটা জবাব দেন ভারতীয় জওয়ানরা। তাতেই খতম হয়ে যায় মুসা। বুধবার ভোরের দিকে তার দেহ উদ্ধার করা হয়।
সেপ্টেম্বরে ৫ পাকিস্তানি জঙ্গিকে খতম করা হল
ভারতের প্রতিরক্ষা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ২০২১ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে ঢুকে পড়েছিল মুসা। ফৌজি এবং সুলেমান শাহের মতো বিভিন্ন নাম ব্যবহার করত। জম্মু ও কাশ্মীরে লস্করের প্রধান অপারেশনস কমান্ডার ছিল। সেই মুসাকে খতম করার ফলে পাঁচ বছরের মিশনে ইতি পড়ে গেল। তার মৃত্যুর ফলে পাকিস্তানি সেনা এবং ইসলামাবাদের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন আরও একবার জোরদার ধাক্কা খেল।
৫ থেকে শুরু, ৩০ তারিখ শেষ- পাক জঙ্গিদের খতম কাহিনী
কারণ সেপ্টেম্বরেই বদগাম, উধমপুর এবং ডোডা জেলায় বিভিন্ন অভিযানে মুসা-সহ পাঁচ পাকিস্তানি জঙ্গিকে খতম করে দেওয়া হয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর মুসার সঙ্গী ইয়াসিরকে খতম করা হয়েছিল। তবে সেইসময় পাকিস্তানি সেনার সদস্য পালিয়ে যেতে পেরেছিল। তারপর ১৭ সেপ্টেম্বর জইশ-ই-মহম্মদের দুই জঙ্গি সাদ্দাম এবং মুস্তাফাকে নিকেশ করে দেওয়া হয়েছিল। আবার ১২ সেপ্টেম্বর ডোডা জেলা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল আরও এক জইশ জঙ্গির দেহ। আর মাসের একেবারে শেষে সেই খতম জঙ্গিদের তালিকায় মুসার নামও যুক্ত হয়ে গিয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


