...
...
Next Story

Mumbai: ডেড লেটার বক্স, এনক্রিপটেড অ্যাপ,মহিলা কুরিয়ার! US থেকে টাইগার শ্রফের উপর হামলার নির্দেশ,যেভাবে ঘটে পুরো অপারেশন

Mumbai Shootout: জানা গেছে, কিছুদিন আগেই জামিনে মুক্তি পাওয়া কুণাল হরিয়ানার এক বন্ধুর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত অনিল পণ্ডিতের সংস্পর্শে আসে। অনিল পণ্ডিতই এই হামলার দায় স্বীকার করে একটি অডিও বার্তা প্রকাশ করেছিল।

Published on: Oct 21, 2026, 13:33:09 IST
Advertisement

Mumbai Shootout: বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের অস্ত্র সরবরাহকারী চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ স্পেশাল সেল। পরবর্তীতে তাদের মুম্বই পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই মুহূর্তে পুলিশের তদন্তের আওতায় রয়েছে অমৃতসর থেকে মুম্বইয়ে পিস্তল ও গোলাবারুদ পৌঁছানোর বিষয়, অস্ত্র সরবরাহে মধ্যস্থতাকারীদের ভূমিকা এবং ঘটনার পর হামলাকারীদের শহর থেকে পালিয়ে যেতে সহায়তার চেষ্টার অভিযোগ।

US থেকে টাইগার শ্রফের উপর হামলার নির্দেশ, যেভাবে ঘটে পুরো অপারেশন (@ShelarAshish)
US থেকে টাইগার শ্রফের উপর হামলার নির্দেশ, যেভাবে ঘটে পুরো অপারেশন (@ShelarAshish)

রবিবার সন্ধ্যায় মুম্বইতে অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে চালানো গুলিবর্ষণের ঘটনায় অস্ত্র সরবরাহ করেছিল এই চক্রটি। তারা হলেন— হরিয়ানার সোনিপতের কুণাল ও সুমিত এবং উত্তরপ্রদেশের রাধা ও ববিতা। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিনেতার ওপর হামলার জন্য অস্ত্র সরবরাহ করতে আন্ডারওয়ার্ল্ড বা আন্তর্জাতিক গুপ্তচর সংস্থার কায়দায় নিখুঁত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেছিল লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, আধুনিক 'এনক্রিপ্টেড চ্যাট', রহস্যজনক 'ডেড লেটার বক্স' পদ্ধতি এবং পুলিশের নজর এড়াতে মহিলা বহনকারীদের ব্যবহার করে মারণাস্ত্র মুম্বইয়ের পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। তদন্তকারীদের বক্তব্য, অস্ত্র সরবরাহকারীরা এবং যারা গুলি চালিয়েছে—তাদের মধ্যে কোনও সরাসরি যোগাযোগ হয়নি। যাতে কোনও একজন ধরা পড়লেও পুরো চক্রের হদিস না পাওয়া যায়, সেজন্যই এই জটিল ও হাই-টেক ছক কষা হয়েছিল।

হামলাকারীদের হাতে অস্ত্র পৌঁছে দিতে ঠান্ডা যুদ্ধের আমলের কুখ্যাত গোয়েন্দা পদ্ধতি 'ডেড লেটার বক্স' (Dead Letter Box বা Dead Drop) কাজে লাগায় চক্রটি। এই পদ্ধতিতে অস্ত্র বহনকারী ব্যক্তি জনবহুল বা নির্জন কোনও পূর্বনির্ধারিত গোপন স্থানে অস্ত্র ও গুলি রেখে চলে যায়। এরপর এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে সেই জায়গার লোকেশন ও ছবি পাঠানো হয় শুটারদের। শুটাররা পরে গিয়ে সেই অস্ত্র সংগ্রহ করে। ফলে অস্ত্র বহনকারী ও শুটাররা একে অপরকে কখনোই দেখতে পায় না। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগেই জামিনে মুক্তি পাওয়া কুণাল হরিয়ানার এক বন্ধুর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত গ্যাংয়ের অন্যতম চালিকাশক্তি অনিল পণ্ডিতের সংস্পর্শে আসে। অনিল পণ্ডিতই এই হামলার দায় স্বীকার করে একটি অডিও বার্তা প্রকাশ করেছিল। কুণাল সম্পূর্ণ পরিকল্পনা এনক্রিপটেড মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে অনিলের নির্দেশনায় পরিচালনা করত এবং তার কথামতোই সে অমৃতসর থেকে একটি পিস্তল ও ২০ রাউন্ড গুলি সংগ্রহ করে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks