...
...
Next Story

Rajya Sabha elections:রাজ্যসভায় তৃতীয় প্রার্থী না দেওয়ার নেপথ্যে অখিলেশের মাস্টারস্ট্রোক!ক্রস-ভোটিং-ভাঙন ঠেকাতে সতর্ক SP

Rajya Sabha elections: বিজেপি আটজন প্রার্থী দেওয়ার পর সমাজবাদী পার্টি মাত্র দুটিতেই অনড় থাকায় ভোটাভুটির সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ হয়ে গেছে। ফলে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই উভয় পক্ষই নিজেদের আসনগুলি নিশ্চিত করতে পেরেছে।

Published on: Oct 7, 2026, 21:09:53 IST
Advertisement

Rajya Sabha elections: হাতে আর মাস পাঁচেক। তারপরই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। যাকে ২০২৯ লোকসভা নির্বাচনে সেমিফাইনাল হিসাবে ধরা হচ্ছে। সেই মেগা নির্বাচনের আগে অন্য এক ভোট নিয়ে সরগরম উত্তরপ্রদেশ। আসলে আগামী ১৬ অক্টোবর উত্তরপ্রদেশের ১০ আসনের রাজ্যসভা নির্বাচন ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি-সমাজবাদী পার্টি দুই শিবিরই চাইছে বিপক্ষকে জোর ধাক্কা দিতে। এই আবহে রাজ্যসভা নির্বাচনে তৃতীয় প্রার্থী না দেওয়ার বিষয়ে সমাজবাদী পার্টির (SP) সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা এক অত্যন্ত হিসেবি ও কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের অভ্যন্তরীণ ফাটল ঠেকানো এবং সম্ভাব্য অস্বস্তি বা রাজনৈতিক অবমাননা এড়াতেই অখিলেশ যাদব এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজ্যসভায় তৃতীয় প্রার্থী না দেওয়ার নেপথ্যে অখিলেশ যাদবের মাস্টারস্ট্রোক! (HT_PRINT)
রাজ্যসভায় তৃতীয় প্রার্থী না দেওয়ার নেপথ্যে অখিলেশ যাদবের মাস্টারস্ট্রোক! (HT_PRINT)

বিজেপি আটজন প্রার্থী দেওয়ার পর সমাজবাদী পার্টি মাত্র দুটিতেই অনড় থাকায় ভোটাভুটির সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ হয়ে গেছে। ফলে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই উভয় পক্ষই নিজেদের আসনগুলি নিশ্চিত করতে পেরেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য ক্রস-ভোটিংয়ের চরম অস্বস্তি থেকে দলকে বাঁচাতেই এই সিদ্ধান্ত। এসপি যদি তৃতীয় প্রার্থী দিত, তবে তাদের বিধায়কদের কোনও অংশ যদি এনডিএ-র দিকে ঝুঁকত, তা হলে দলের ভেতরের ফাটল প্রকাশ্যে এসে পড়ত। এর ফলে কর্মীদের মনোবল যেমন ভেঙে পড়ত, তেমনই দলের দুর্বলতাও প্রকট হতো। আর সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, ২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে জোটসঙ্গী কংগ্রেসের সঙ্গে আসন বণ্টন সংক্রান্ত দরকষাকষিতে এসপি অনেকটাই ব্যাকফুটে চলে যেত।

তাই আত্মসম্মান অক্ষুণ্ণ রেখেই এই প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে আসার পথ বেছে নিয়েছে এসপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, অনিশ্চিত একটি অতিরিক্ত আসনের পেছনে না ছুটে দলের সাংগঠনিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে নেতৃত্ব, যা বিধানসভার বাস্তব পরিস্থিতির নিরিখে এক দূরদর্শী ও বাস্তববাদী সিদ্ধান্ত।

ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এর পুনরাবৃত্তি এড়ানোর কৌশল

উত্তরপ্রদেশের রাজ্যসভা নির্বাচন এক রোমাঞ্চকর মোড় নেয়, যখন রাজনৈতিক সমীকরণের সঙ্গে ক্রস-ভোটিং ও শেষ মুহূর্তের চালের তীব্র সংঘাত ঘটে। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র রিপোর্ট অনুযায়ী, বিজেপি নবম মনোনয়নপত্র তুলে নিজেদের আগ্রাসী মনোভাবের ইঙ্গিত দিয়েছিল। অন্যদিকে এসপি দুজন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে তৃতীয় প্রার্থীর ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়ায় ছিল। ১০টি আসনের জন্য মোট ১২ জন প্রার্থী হলে নির্বাচন হওয়া অবধারিত ছিল। কিন্তু মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন অর্থাৎ ৬ অক্টোবরের পর দেখা যায়, বিজেপি আটজন এবং এসপি মাত্র দুজন প্রার্থীই দিয়েছে।

রাজ্যসভা প্রত্যক্ষ নির্বাচন নয়

এখানে সাধারণ জনগণ সরাসরি ভোট দেন না; নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি অর্থাৎ বিধানসভার বিধায়করাই রাজ্যসভার সাংসদদের নির্বাচন করেন।

এই মুহূর্তে উত্তরপ্রদেশে এনডিএ-র বিধায়ক সংখ্যা ২৯৪। অর্থাৎ ওই ১০ আসনের মধ্যে ৮টি আসনে এনডিএর জয় নিশ্চিত। সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক সংখ্যা ১০০। কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ২। খাতায় কলমে অখিলেশের দলের দুই আসনে জয় নিশ্চিত।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks