...
...
Next Story

Delhi Bengali Professor Murder: দিল্লিতে খুন DU-র বাঙালি সহকারী অধ্যাপিকা, গ্রেপ্তার কলকাতার দম্পতি!

Delhi Bengali Professor Murder: পুলিশের দাবি, দেবস্মিতা পালের পরিবারের অন্য সদস্যরা কলকাতার পৈতৃক বাড়িটি বিক্রি করতে রাজি থাকলেও তিনি সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন। অভিযুক্ত দম্পতি দীর্ঘদিন ধরে ওই বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন এবং সম্পত্তিটি কিনতে আগ্রহী ছিলেন।

Published on: Jun 7, 2026, 13:39:12 IST
Advertisement

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপিকা দেবস্মিতা পাল খুনের ঘটনায় বড় সাফল্য পেল দিল্লি পুলিশ। এই মামলায় কলকাতার এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্তরা মৃত অধ্যাপিকার দূরসম্পর্কের আত্মীয় এবং কলকাতায় তাঁর পরিবারের একটি পৈতৃক সম্পত্তিতে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন।

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপিকা দেবস্মিতা পাল খুনের ঘটনায় বড় সাফল্য পেল দিল্লি পুলিশ।
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপিকা দেবস্মিতা পাল খুনের ঘটনায় বড় সাফল্য পেল দিল্লি পুলিশ।

গত বৃহস্পতিবার পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভে নিজের ফ্ল্যাট থেকে দেবস্মিতা পালের দেহ উদ্ধার হয়। তদন্তকারীদের দাবি, তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল, দুই হাতের কব্জি কাটা ছিল এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের দাগ পাওয়া যায়, যা ধস্তাধস্তির ইঙ্গিত দেয়। প্রাথমিক তদন্তে জোর করে দরজা ভাঙার কোনও চিহ্নও মেলেনি। তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে সিসিটিভি ফুটেজ, আবাসনের প্রবেশ-নথি এবং সন্দেহভাজনদের গতিবিধি খতিয়ে দেখে। তদন্তকারীরা অন্তত ১৩ জনকে নজরে রেখেছিলেন। সিসিটিভিতে মুখ ঢাকা এক পুরুষ ও এক মহিলাকে আবাসনে ঢুকতে দেখা গিয়েছিল, যা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে ওঠে।

রবিবার দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া দম্পতিই এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। পুলিশের দাবি, দেবস্মিতা পালের পরিবারের অন্য সদস্যরা কলকাতার পৈতৃক বাড়িটি বিক্রি করতে রাজি থাকলেও তিনি সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন। অভিযুক্ত দম্পতি দীর্ঘদিন ধরে ওই বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন এবং সম্পত্তিটি কিনতে আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু দেবস্মিতার আপত্তির কারণে তা সম্ভব হচ্ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে ‘প্রধান বাধা’ হিসেবে দেখে অভিযুক্তরা দিল্লিতে এসে খুন করে কলকাতায় ফিরে যায় বলে পুলিশের অভিযোগ।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe