...
...
Next Story

Delhi Building Collapse: সত্য নিকেতনে ৬ তলা ভবন ধসে মৃত ১, ধ্বংসস্তূপের নীচে থেকে ফোন উদ্ধার হওয়ার আশায়

দিল্লির সত্য নিকেতনে রবিবার দুপুরে আচমকা ৬ তলা একটি ভবন ভেঙে পড়ায় ভয়াবহ বিপর্যয় তৈরি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে বেশ কয়েকজন আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা। ঘটনাস্থল থেকে এখনও পর্যন্ত এক জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আরও দু’জন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

Published on: Sep 6, 2026, 18:40:53 IST
Advertisement

দিল্লির সত্য নিকেতনে ৬ তলা ভবন ভেঙে পড়ার ঘটনায় এখনও বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা। রবিবার দুপুরে আচমকা ভেঙে পড়ে ভবনটি। সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, অন্তত একজনের মৃত্যু হয়েছে, দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং এখনও উদ্ধারকাজ চলছে।

New Delhi, Sep 06 (ANI): JCB machines carry out rescue operations at the site of a building collapse at Satya Niketan in South-West Delhi, in New Delhi on Sunday. (ANI Photo/Riti Sharma) (Ritik Sharma)
New Delhi, Sep 06 (ANI): JCB machines carry out rescue operations at the site of a building collapse at Satya Niketan in South-West Delhi, in New Delhi on Sunday. (ANI Photo/Riti Sharma) (Ritik Sharma)

দিল্লির সত্য নিকেতনে রবিবার দুপুরে আচমকা ৬ তলা একটি ভবন ভেঙে পড়ায় ভয়াবহ বিপর্যয় তৈরি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে বেশ কয়েকজন আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা। ঘটনাস্থল থেকে এখনও পর্যন্ত এক জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আরও দু’জন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। উদ্ধারকাজ জোরকদমে চলছে।

রবিবার দুপুর প্রায় দেড়টা নাগাদ দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির সত্য নিকেতন এলাকায় ‘হস্টেল ডেজ’ নামে পরিচিত ভবনটি ভেঙে পড়ে। পুলিশ জানিয়েছে, এটি একটি ৭৫ শয্যার পেইং গেস্ট বা PG আবাসন হিসেবে ব্যবহৃত হত। ভবনটিতে বেসমেন্টের পাশাপাশি পাঁচটি উপরের তলা ছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ভবনটি প্রায় ৪০ থেকে ৫০ বছরের পুরনো। দুর্ঘটনার সময় বেসমেন্টে মেরামতির কাজ চলছিল। ঠিক সেই সময়ই ভয়াবহ ধস নামে।সত্য নিকেতনে ৬ তলা ভবন ধসে মৃত ১,

সত্য নিকেতন এলাকা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ক্যাম্পাসের কাছে হওয়ায় সেখানে প্রচুর পড়ুয়ার বসবাস। ফলে ভবন ভেঙে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপের নীচে একাধিক ছাত্রছাত্রী আটকে থাকার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, দুর্ঘটনার সময় ভবনের ভিতরে অন্তত ৫০ জন পড়ুয়া থাকতে পারেন। যদিও এই সংখ্যা এখনও সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

দুর্ঘটনার পরই দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। দিল্লি পুলিশ, দিল্লি ফায়ার সার্ভিস, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী বা NDRF এবং দিল্লি ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটির দল ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। অন্তত ১২টি দমকলের গাড়ি এবং একটি এক্সকাভেটর দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে। আরও যন্ত্রপাতি ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হচ্ছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

উদ্ধারকাজে স্থানীয়রাও হাত লাগান। ধ্বংসস্তূপের নীচে কেউ জীবিত রয়েছেন কি না জানতে অনেকেই নিজেদের হাতেই ইট-পাথর সরানোর চেষ্টা করেন। এক পড়ুয়া সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে সাহায্যের জন্য চিৎকার শোনা গিয়েছে। ফলে জীবিতদের দ্রুত উদ্ধারের আশায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছেন উদ্ধারকারীরা।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখার পাশাপাশি প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত। তিনি জানিয়েছেন, আটকে থাকা মানুষদের নিরাপদে উদ্ধারের জন্য সব রকম চেষ্টা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর পাশের ভবনটি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে খালি করে দেওয়া হয়েছে। দিল্লির হোমমন্ত্রী আশিস সুদও জানিয়েছেন, পরিস্থিতির উপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, এই দুর্ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। আম আদমি পার্টির নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ ঘটনাটির জন্য দুর্নীতিকে দায়ী করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, ভবনগুলির নিরাপত্তা এবং নির্মাণ সংক্রান্ত নিয়মকানুন ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

তবে এই মুহূর্তে প্রশাসনের সামনে সবচেয়ে বড় লক্ষ্য ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা মানুষদের দ্রুত বের করে আনা। একদিকে ফোনে যোগাযোগের খবর, অন্যদিকে ধ্বংসস্তূপ থেকে কান্না ও সাহায্যের আবেদন শোনার দাবি—সব মিলিয়ে সত্য নিকেতনে উৎকণ্ঠা চরমে। উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা স্পষ্ট হবে না। এখন সবার নজর একটাই—আর কতজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe