...
...
Next Story

Delhi Couple with ISI link: পাক চর সন্দেহে দম্পতি ধৃত! পাকিস্তানে পাচার হত ভারতীয় সিম আর তা দিয়ে চলত কোন কীর্তি?

পাক চর সন্দেহে দম্পতি ধৃত! পাকিস্তানে পাচার হত ভারতীয় সিম আর তা দিয়ে চলত…

Published on: Aug 28, 2026, 12:26:16 IST
Advertisement

২০২৪ সাল থেকে দম্পতি দিল্লির বুকে বসে চালাত তাদের গুপ্তচরবৃত্তির কারবার! এমনই অভিযোগে, দিল্লি থেকে ২৫ বছর বয়সী সাহিল ও তার স্ত্রী ২১ বছরের সমিরাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, এরা ভারতীয় সিমকার্ড দুবাইয়ের পথে পাকিস্তানে পাচার করত। আর সেই সিম কার্ড যেত পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-র হ্যান্ডেলারদের কাছে। এই সিমকার্ড দিয়ে চলত নানান কীর্তি!

পাক চর সন্দেহে দম্পতি ধৃত! পাকিস্তানে পাচার হত ভারতীয় সিম আর তা দিয়ে চলত… (প্রতীকী ছবি)
পাক চর সন্দেহে দম্পতি ধৃত! পাকিস্তানে পাচার হত ভারতীয় সিম আর তা দিয়ে চলত… (প্রতীকী ছবি)

অভিযোগ রয়েছে, সাহিল ও সমিরা পাকিস্তানের আইএসআই হ্যান্ডেলারদের কাছে ভারতের গোপন তথ্য পাচার করেছে। তাদের এই জাল, দিল্লি থেকে করাচি, ইসলমাবাদ পর্যন্ত ছড়িয়ে ছিল। অভিযোগ, সমিরা ও সাহিল ভারত থেকে ৮ টি সিমকার্ড তুলে, তা পাকিস্তানে পাঠায়। আর তা দুবাই মারফৎ যায় পাকিস্তানে। ঘটনা ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালেই পহেলগাঁওতে সন্ত্রাসী হামলা হয়। এই সিম পাঠানোর জন্য সাহিলরা ৩০ হাজার টাকা পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। ওই সিমগুলি, ভারতে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট অ্যাকটিভেট করার কাজে লাগানো হয়। পাকিস্তানি গুপ্তচররা সেই সিম ব্যবহার করে ভারতে যোগাযোগ বাড়ায় আর গোপন তথ্য হাতানোর চেষ্টা করে। তথ্য হাতাতে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ গুলিতেও যোগ দেয় ওই পাকিস্তানি এজেন্টরা, এই ভারতীয় সিমের নম্বর দিয়ে।

পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে আরও দেখা গেছে যে পাকিস্তানে অবস্থানরত নিয়ন্ত্রকরা সোশ্যাল মিডিয়া ও এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন ব্যক্তির,যার মধ্যে কথিত ‘ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কার’ ও ‘স্লিপার সেল’, এর সদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছিল। পুলিশের অভিযোগ, ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের সেনানিবাস এলাকায় নজরদারি চালানো এবং গুপ্তচরবৃত্তি ও মাঠপর্যায়ের অভিযানের জন্য লোক নিয়োগের দায়িত্ব সাহিলকে দেওয়া হয়েছিল।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে সাহিল প্রথম এক পাকিস্তানি এজেন্টের সংস্পর্শে আসে। অভিযোগ রয়েছে যে, সমিরা এই যোগাযোগের বিষয়টি সহজতর করে দিয়েছিল। ২০২২ সালে বিয়ের আগেই সাহিলের সাথে তার পরিচয় হয়েছিল। পরবর্তীতে ওই পাকিস্তানি এজেন্ট দম্পতিকে পাকিস্তানের এক গোয়েন্দা কর্মীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন, অভিযোগ রয়েছে যে, ওই গোয়েন্দা কর্মী আর্থিক সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের সেই নেটওয়ার্কের হয়ে কাজ করতে রাজি করিয়েছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, সন্ত্রাসী সংগঠন এবং তাদের কথিত ‘ওভারগ্রাউন্ড’ কর্মী ও ‘স্লিপার সেল’-কে লজিস্টিক সহায়তা প্রদানের বিষয়ে ‘স্পেশাল সেল’-এর কাছে তথ্য আসার পর এই তদন্ত শুরু হয়। সেই সূত্র ধরেই সমিরা ও সাহিলের হদিশ পায় পুলিশ।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe