...
...
Next Story

CEC resignation protest: জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজধানী, আপ নেতা-সহ বহু আটক, আন্দোলিত মুম্বই

CEC resignation protest: বিক্ষোভের জেরে রাজধানী জুড়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিল্লি মেট্রো রাজীব চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং যন্তর মন্ত-সহ কেন্দ্রীয় দিল্লির ১২টি স্টেশনের এন্ট্রি ও এক্সিট গেট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়।

Published on: Oct 2, 2026, 19:27:53 IST
Advertisement

CEC resignation protest: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের জোরালো দাবিতে উত্তাল দিল্লি ও মুম্বই। গান্ধী জন্মজয়ন্তীর সকাল থেকে দিল্লিতে (Delhi) আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তুলকালাম কাণ্ড বেঁধে যায়। এদিন দুপুরে রাজধানীর যন্তর মন্তর (Jantar Mantar) এলাকা থেকে আম আদমি পার্টি (AAP), বামপন্থী দল এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের প্রায় ৭০০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজধানী ( VISHAL KAPOOR)
জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজধানী ( VISHAL KAPOOR)

আটক বিক্ষোভকারীদের মধ্যে রয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অতিশী, আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ, বৃন্দা কারাট, যোগেন্দ্র যাদব, নেহা বোরা এবং ঐশী ঘোষের মতো হেভিওয়েট রাজনৈতিক নেতা ও বিশিষ্ট অ্যাক্টিভিস্টরা। চলতি সপ্তাহের শুরুতেই এই বিক্ষোভ সমাবেশের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির জমায়েত, স্লোগান বা মিছিলের ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও শুক্রবার দুপুরের পর যন্তর মন্তর এবং সংলগ্ন জনপথ এলাকায় ব্যারিকেড ভেঙে জড়ো হন প্রতিবাদীরা। ১০ জনের বেশি জমায়েত দেখলেই পুলিশ তাদের জোরপূর্বক বাসে তুলে বদরপুর এবং উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিল্লির বিভিন্ন থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশের এই সাঁড়াশি অভিযান ও আটকের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিরোধীরা। আটকের আগে এক ভিডিও বার্তায় আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানো আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। অথচ পুলিশ বলছে এই বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি, যদিও আমরা ছয় দিন আগেই এর জন্য আবেদন করেছিলাম।' ইন্ডিয়া ইয়ুথ কংগ্রেসের প্রধান উদয় ভানু চিব নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের হুঙ্কার দিয়ে জানান, ভোটার তালিকা ও ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে খোদ কমিশনের অন্দরেই প্রশ্ন উঠছে। দেশের মানুষ এই বিষয়ে জবাবদিহিতা চায়। এদিকে, বিক্ষোভের জেরে রাজধানী জুড়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিল্লি মেট্রো রাজীব চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং যন্তর মন্ত-সহ কেন্দ্রীয় দিল্লির ১২টি স্টেশনের এন্ট্রি ও এক্সিট গেট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ও ক্রসিংএ বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়। যন্তর মন্তরে আসার বিভিন্ন প্রবেশপথে একাধিক জায়গায় গাড়ি থামিয়ে চলে পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি। পুলিশ ও বিএসএফ জওয়ানরা চালকদের যাত্রাপত্রের গন্তব্য সম্পর্কে জেরা করেন এবং গাড়ি ও চালকদের সমস্ত তথ্য নোটবুকে টুকে রাখা হয়। এছাড়া অশান্তি এড়াতে প্রতিবাদী স্থল এবং তার আশপাশের এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবাও সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়।

মুম্বইয়ে চরম বিক্ষোভ

এদিকে, সিজেপি জানিয়েছে যে মুম্বইয়ের পর তাদের এই প্রতিবাদী ‘জেল ভরো’ কর্মসূচি কলকাতা, বেঙ্গালুরু ও গোয়াতেও রূপায়ণ করা হবে। সংগঠনের প্রধান অভিজিৎ দীপকে জানিয়েছেন, যতদিন না জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ করছেন, ততদিন এই আন্দোলন লাগাতার চলবে। ঠিক যেভাবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে যন্তর মন্তর চত্বরে নিট প্রশ্ন ফাঁস মামলাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ আন্দোলন চলেছিল, এটিও সেই রূপ নিতে চলেছে। অন্যদিকে, বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ও দেশজুড়ে শুক্রবার থেকে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ অভিযান শুরুর ঘোষণা করেছে। আগামী ৮ অক্টোবর জেলাস্তরে দেশজুড়ে পদযাত্রা ও জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এই সমস্ত দেশজোড়া আন্দোলনের আবহেই আগামী ৬ তারিখে সমস্ত বিরোধী সাংসদদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশন ভবন অভিমুখে এক প্রতিবাদী পদযাত্রার কর্মসূচিও গ্রহণ করা হয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks