Delhi ISI Module: সম্প্রতি একটি বড় সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্র ফাঁস করেছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টির দুই অনুচরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার (আইএসআই) এজেন্ট হিসেবেও কাজ করছিল তারা। দু'জনেই সরাসরি বিদেশি হ্যান্ডলারদের সাথে যোগাযোগ রেখেছিল এবং এনক্রিপ্ট করা অ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাচ্ছিল। জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে একজন দিল্লির একটি সুপরিচিত হোটেলে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিল। মুম্বইয়ের তাজ হোটেলে ২৬/১১ হামলার মতোই সেই হামলার ছক কষা হচ্ছিল।

তদন্তে জানা গেছে, ধৃত অভিযুক্তরা দিল্লি-এনসিআরের পাশাপাশি পঞ্জাব এবং অন্যান্য পার্শ্ববর্তী রাজ্যে গ্রেনেড হামলা, গুলি চালানো এবং টার্গেট কিলিং চালানোর পরিকল্পনা করছিল। উল্লেখ্য, এই মামলায় ধৃত অভিযুক্তরা হলেন মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র জেলার বাসিন্দা ২১ বছর বয়সি রাজবীর এবং ১৯ বছর বয়সি বিবেক বাঞ্জারা। তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও ছয়টি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই দু'জনকে নিয়োগ করেছিল আইএসআই। পাকিস্তানে বসে থাকা গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টি ভারতীয় যুবকদের বিভ্রান্ত করে তার নেটওয়ার্কে যুক্ত করত।
জানা গিয়েছে, শাহজাদ ভাট্টির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত রানা ভাই নামে একজন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যোগাযোগ করেছিল রাজবীরের সঙ্গে। পরে রাজবীর বিবেক বাঞ্জারাকে এই মডিউলে অন্তর্ভুক্ত করে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্তরা জানায়, শাহজাদ ভাট্টি তাদের প্রচুর পরিমাণে অস্ত্র এবং অর্থ সরবরাহ করেছিল। ২০২৬ সালের মার্চে বাঞ্জারা আমেদাবাদে গিয়েছিল অস্ত্র নিতে। তবে শেষ পর্যন্ত সেখানে গিয়ে সে অস্ত্র হাতে পায়নি। পরে ৯ এপ্রিল তারা অমৃতসরে যায় অস্ত্র হাতে পেতে। সেখান থেকে তারা একটি পিস্তল, ২০টি কার্তুজ এবং ২০ হাজার টাকা হাতে পেয়েছিল।
পুলিশের তদন্ত অনুসারে, অভিযুক্তদের পাঞ্জাবের জিরাকপুরে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ক্লাবে হামলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এমনকী গত ১১ এপ্রিল রাজবীর সেখানে গুলি চালানোর চেষ্টাও করেছিল। তবে পিস্তল জ্যাম হয়ে যাওয়ায় সে কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি। এরপরে ফরিদকোটে যায় রাজবীর। সেখান থেকে ভাট্টির আরও এক অনুচরের থেকে অন্য অস্ত্র হাতে পায় রাজবীর। এরপর রাজবীর দিল্লির একটি বিখ্যাত হোটেলে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিল। তবে ১৮ এপ্রিল পুলিশের পাতা ফাঁদে ধরা পড়ে সে। এদিকে পুলিশ এখন এই জঙ্গিদের সাহায্য প্রদান করা ব্যক্তিদের খোঁজে তদন্ত চালাচ্ছে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
{{/usCountry}}পুলিশের তদন্ত অনুসারে, অভিযুক্তদের পাঞ্জাবের জিরাকপুরে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ক্লাবে হামলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এমনকী গত ১১ এপ্রিল রাজবীর সেখানে গুলি চালানোর চেষ্টাও করেছিল। তবে পিস্তল জ্যাম হয়ে যাওয়ায় সে কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি। এরপরে ফরিদকোটে যায় রাজবীর। সেখান থেকে ভাট্টির আরও এক অনুচরের থেকে অন্য অস্ত্র হাতে পায় রাজবীর। এরপর রাজবীর দিল্লির একটি বিখ্যাত হোটেলে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিল। তবে ১৮ এপ্রিল পুলিশের পাতা ফাঁদে ধরা পড়ে সে। এদিকে পুলিশ এখন এই জঙ্গিদের সাহায্য প্রদান করা ব্যক্তিদের খোঁজে তদন্ত চালাচ্ছে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
{{/usCountry}}