Delhi Police Vivek Bhagat Complaint: মহিলা সাংবাদিককে যৌন হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছিল। দিল্লি পুলিশের সেই অফিসারই এবার পালটা ওই মহিলা সাংবাদিক এবং অন্যান্যদের বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করার অভিযোগ তুললেন। অভিযোগ দায়ের করলেন দিল্লি পুলিশের এসিপি বিবেক ভগত। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা হয়েছে এফআইআর। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই মহিলা সাংবাদিক যৌন হেনস্থার অভিযোগ তোলায় এবং ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা সেই বিষয়টি ছড়িয়ে দেওয়ায় তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন পুলিশ অফিসার।
জাতি তুলে অবমাননাকর মন্তব্য শুনেও পাত্তা দেননি, দাবি অফিসারের

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, এফআইআরে দাবি করা হয়েছে যে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে গত ৩ অক্টোবর যখন দিল্লিতে বিক্ষোভ চলছিল, সেইসময় ওই পুলিশ অফিসার নাকি শুনতে পেয়েছিলেন যে জনসমক্ষে তাঁর জাতি তুলে অবমাননাকর মন্তব্য করছেন ওই মহিলা সাংবাদিক। প্রাথমিকভাবে তিনি তাতে পাত্তা দেননি। বরং নিজের ডিউটি করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পরে দুপুর তিনটে নাগাদ এসিপির বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তোলা হয় বলে দাবি করা হয়েছে এফআইআরে।
যৌন শিকারি এবং সম্ভাব্য ধর্ষকও বলা হয়, দাবি পুলিশ অফিসারের
ওই পুলিশ অফিসার অভিযোগ করেছেন যে তাঁকে বারবার ঘিরে ধরছিলেন মহিলা সাংবাদিক এবং তাঁর সতীর্থরা। তার ফলে সরকারি ডিউটির ক্ষেত্রে বাধা তৈরি হচ্ছিল। সেদিন সন্ধ্যায় পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। তাঁকে যৌন শিকারি এবং সম্ভাব্য ধর্ষক বলেও অভিহিত করা হতে থাকে। একইরকম অভিযোগ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট এবং রিল ছড়িয়ে দেন ওই সাংবাদিক এবং দীপকে, রাঙ্কা-সহ সিজেপির একাধিক সদস্য।
{{/usCountry}}ওই পুলিশ অফিসার অভিযোগ করেছেন যে তাঁকে বারবার ঘিরে ধরছিলেন মহিলা সাংবাদিক এবং তাঁর সতীর্থরা। তার ফলে সরকারি ডিউটির ক্ষেত্রে বাধা তৈরি হচ্ছিল। সেদিন সন্ধ্যায় পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। তাঁকে যৌন শিকারি এবং সম্ভাব্য ধর্ষক বলেও অভিহিত করা হতে থাকে। একইরকম অভিযোগ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট এবং রিল ছড়িয়ে দেন ওই সাংবাদিক এবং দীপকে, রাঙ্কা-সহ সিজেপির একাধিক সদস্য।
{{/usCountry}}এফআইআরে নাম আছে দীপকেদেরও
পুলিশ অফিসার দাবি করেছেন, জাত তুলে অবমাননাকর মন্তব্য করে, জনগণের সামনে অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা এবং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের কারণে তাঁর মানসিক চাপ তৈরি হয়েছে। নষ্ট হয়েছে ভাবমূর্তি। সেই পরিস্থিতিতে অভিযোগ দায়ের করেন ওই পুলিশ অফিসার। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তফসিলি জাতি ও উপজাতি আইন এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এফআইআরে দীপকেদের নাম আছে বলেও জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।
আরও পড়ুন: যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানো অপরাধ? CJP নেতারা জেলে যেতেই পাশে রাহুল গান্ধী
এমনিতে যৌন হেনস্থার অভিযোগ সামনে আসার মধ্যেই ওই পুলিশ অফিসারকে সাময়িকভাবে অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (ডিসিপি) পদে বসানো হয়। সেই পদোন্নতির বিষয়টি নিয়ে তুমুল হইচই শুরু হয়। যদিও পরবর্তীতে দিল্লি সরকারের তরফে জানানো হয় যে অভিযোগ ওঠার আগেই পদোন্নতির প্রস্তাব গিয়েছিল। সেইসঙ্গে পদোন্নতি স্থগিতও করে দেওয়া হয়।