Spy Network: সামনেই আসছে ২২ এপ্রিল। এই তারিখে গত বছর, সন্ত্রাসী হানায় রক্তাক্ত হয়েছিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁও। তার আগে, এদিন দিল্লি পুলিশ, পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-র স্পাই নেটওয়ার্ক ও নিষিদ্ধ সংগঠন বব্ব র খালসা ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে। দেশের অন্দরে এরা চালাচ্ছিল বেশ কিছু নাশকতামূলক ছকের কর্মকাণ্ড।

এই গুপ্তচর বাহিনীর ছকের অংশ হিসাবে, দেশের একাধিক জায়গায় এরা সিসিটিভি ক্যামেরা লাগাচ্ছিল। তাদের নজর সেনা ও প্যারামিলিটারি ফোর্সের ওপর ছিল। অভিযুক্তরা পাকিস্তানে, তাদের হ্যান্ডেলারদের সঙ্গে যোগাযোগে ছিল। এক বিশেষ ধরনের মেসেজিং অ্যাপে তাদের কথা বার্তা চলছিল। তারা পাকিস্তান থেকে যেমন নির্দেশ পাচ্ছিল, তেমনই কাজ করছিল।
প্রাথমিক পর্যায়ে ছয়জন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয় এবং স্পর্শকাতর প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা স্থানগুলোর কাছে রাখা নয়টি সৌরশক্তিচালিত সিসিটিভি ইউনিট উদ্ধার করা হয়। এই ডিভাইসগুলো মোবাইল সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাকিস্তানি নিয়ন্ত্রকদের কাছে সরাসরি সম্প্রচার করে। পুলিশ আরও চারটি হ্যান্ডগান উদ্ধার করেছে, যার মধ্যে তিনটি আমদানি করা পিএক্স৫ অস্ত্র ও একটি স্থানীয় পিস্তল এবং সাথে ২৪টি তাজা গুলি ছিল। তদন্তে দেখা গিয়েছে, এই চক্রটি ইউপিআই ট্রান্সফারের মাধ্যমে অর্থায়ন পেত, যার আংশিক তহবিল আসত অবৈধ অস্ত্র পাচার থেকে।
এদিকে, সেনার গোয়েন্দা সংস্থার নেতৃত্বে পরিচালিত আরেকটি অভিযানে পাঞ্জাব থেকে আরও পাঁচজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাজ ছিল সেনাবাহিনীর ও আধাসামরিক বাহিনীর স্পর্শকাতর ঘাঁটিগুলোর ওপর নজরদারি করা এবং বিদেশে থাকা তাদের নিয়ন্ত্রকদের কাছে ছবি ও ভিডিও ফুটেজ সরবরাহ করা। তদন্তে আরও প্রমাণিত হয়েছে যে, এই নেটওয়ার্কটি যুবকদের সন্ত্রাসবাদ, গুপ্তচরবৃত্তি এবং অস্ত্র চোরাচালানের জন্য উগ্রপন্থী করে তোলা ও নিয়োগ করার ওপর মনোনিবেশ করেছিল। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দলটি উচ্চ-নিরাপত্তা অঞ্চলগুলোর ওপর নজর রাখতে পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও রাজস্থান জুড়ে বিভিন্ন স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছিল।
{{/usCountry}}এদিকে, সেনার গোয়েন্দা সংস্থার নেতৃত্বে পরিচালিত আরেকটি অভিযানে পাঞ্জাব থেকে আরও পাঁচজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাজ ছিল সেনাবাহিনীর ও আধাসামরিক বাহিনীর স্পর্শকাতর ঘাঁটিগুলোর ওপর নজরদারি করা এবং বিদেশে থাকা তাদের নিয়ন্ত্রকদের কাছে ছবি ও ভিডিও ফুটেজ সরবরাহ করা। তদন্তে আরও প্রমাণিত হয়েছে যে, এই নেটওয়ার্কটি যুবকদের সন্ত্রাসবাদ, গুপ্তচরবৃত্তি এবং অস্ত্র চোরাচালানের জন্য উগ্রপন্থী করে তোলা ও নিয়োগ করার ওপর মনোনিবেশ করেছিল। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দলটি উচ্চ-নিরাপত্তা অঞ্চলগুলোর ওপর নজর রাখতে পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও রাজস্থান জুড়ে বিভিন্ন স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছিল।
{{/usCountry}}এদিকে, এই সিসিটিভি ইনস্টল করার ঘটনায় এর আগেও ব্যাপক ধরপাকড় চালিয়েছে পুলিশ। এবার আরও ১১ পুলিশর জালে। মাত্র কয়েকদিন আগেই গাজিয়াবাদেও একইভাবে একটি এমনই নেটওয়ার্কের পর্দাফাঁস হয়। পাঞ্জাবের পুলিশ মহাপরিচালক (ডিজিপি) গৌরব যাদব বৃহস্পতিবার বলেছেন, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে একটি যৌথ অভিযানে কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের অমৃতসর গ্রামীণ, গুরুদাসপুর এবং স্টেট স্পেশাল অপারেশন সেল (এসএসওসি) অমৃতসর আইএসআই-পৃষ্ঠপোষিত বাবর খালসা ইন্টারন্যাশনাল (বিকেআই) সন্ত্রাসী মডিউলের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।