...
...
Next Story

Delhi Protest Update: দিল্লিতে বিক্ষোভ করতে দিতে হবে ভাড়া! যন্তর মন্তরের বিকল্প রামলীলা ময়দানও বছরের শেষ পর্যন্ত বুকড

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখানোর সুযোগ বন্ধ হওয়ার পরে বিকল্প হিসাবে যে রামলীলা ময়দানকে বেছে নেওয়া হয়েছে, সেখানেও মিলছে না সহজে জায়গা। এক দিনের জন্য গোটা মাঠ ভাড়া নিতে প্রাথমিক খরচ প্রায় ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। তার উপর চলতি বছরের প্রায় সমস্ত দিনের বুকিং ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে।

Published on: Oct 14, 2026, 10:17:55 IST
Advertisement

দিল্লিতে প্রতিবাদ জানাতে গেলেও এ বার গুনতে হতে পারে মোটা টাকা। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখানোর সুযোগ বন্ধ হওয়ার পরে বিকল্প হিসাবে যে রামলীলা ময়দানকে বেছে নেওয়া হয়েছে, সেখানেও মিলছে না সহজে জায়গা। এক দিনের জন্য গোটা মাঠ ভাড়া নিতে প্রাথমিক খরচ প্রায় ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। তার উপর চলতি বছরের প্রায় সমস্ত দিনের বুকিং ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। ফাঁকা রয়েছে শুধু ডিসেম্বরের শেষ তিন দিন। ফলে আন্দোলন করার জায়গা খুঁজতে গিয়ে নতুন সমস্যার মুখে পড়তে পারেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং প্রতিবাদী সংগঠনগুলি। বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদ প্রতিদিন।

বিক্ষোভের জন্য তিনটি বিকল্প

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখানোর সুযোগ বন্ধ হওয়ার পরে বিকল্প হিসাবে যে রামলীলা ময়দানকে বেছে নেওয়া হয়েছে, সেখানেও মিলছে না সহজে জায়গা। (Hindustan Times)
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখানোর সুযোগ বন্ধ হওয়ার পরে বিকল্প হিসাবে যে রামলীলা ময়দানকে বেছে নেওয়া হয়েছে, সেখানেও মিলছে না সহজে জায়গা। (Hindustan Times)

দিল্লির রাজপথে বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনের পরিচিত ঠিকানা ছিল যন্তর মন্তর। কিন্তু সম্প্রতি সেই জায়গাকে আর বিক্ষোভস্থল হিসাবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তার বদলে তিনটি বিকল্প জায়গা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সেগুলি হল রামলীলা ময়দান, উত্তর দিল্লির বুরারি ময়দান এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি ময়দান। দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমারের জারি করা নির্দেশে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

এই তিনটি জায়গার মধ্যে যন্তর মন্তরের সবচেয়ে কাছে রয়েছে রামলীলা ময়দান। দুই জায়গার দূরত্ব প্রায় তিন কিলোমিটার। অন্য দিকে, বুরারি ময়দান প্রায় সাড়ে ১৩ কিলোমিটার এবং সিবিডি ময়দান প্রায় ৪৪ কিলোমিটার দূরে। ফলে রাজধানীর কেন্দ্রে প্রতিবাদ কর্মসূচি করতে চাইলে রামলীলা ময়দানই তুলনায় সুবিধাজনক। কিন্তু সেখানে জমায়েত করতে গেলে আর্থিক প্রস্তুতিও রাখতে হবে আয়োজকদের।

এক দিনের ভাড়া ৫০ হাজার টাকা

প্রায় ১২ একর জায়গা জুড়ে থাকা রামলীলা ময়দানে একসঙ্গে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ জমায়েত করতে পারেন। কিন্তু এই মাঠ ব্যবহার করার জন্য এক দিনেই ভাড়া দিতে হবে ৫০ হাজার টাকা। তার সঙ্গে যুক্ত হবে নিরাপত্তার জামানত এবং কর। সব মিলিয়ে প্রাথমিক খরচ দাঁড়াচ্ছে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা।

আগে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের জন্য মাঠ ভাড়া করার খরচ ছিল না। পুলিশের অনুমতি পেলেই সেখানে কর্মসূচি করা যেত। নতুন ব্যবস্থায় সেই সুযোগ আর থাকছে না। ফলে ছোট সংগঠন কিংবা সীমিত অর্থে আন্দোলন করা গোষ্ঠীগুলির পক্ষে প্রতিবাদের আয়োজন করা কঠিন হতে পারে।

টাকা দিলেই মিলবে না অনুমতি

রামলীলা ময়দান ভাড়া করার প্রক্রিয়াও বেশ কয়েক ধাপের। প্রথমে দিল্লি পুরসভার উদ্যানপালন বিভাগের অনুমতি নিতে হবে। পাশাপাশি পুলিশের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে হবে অনাপত্তিপত্র। এর পরেই মাঠ ব্যবহারের জন্য বুকিং করা যাবে। তবে দিল্লি পুলিশ এখনও নতুন বিক্ষোভস্থলগুলিতে কর্মসূচি আয়োজনের পূর্ণাঙ্গ নিয়মাবলি প্রকাশ করেনি।

অবশ্য রামলীলা ময়দানের একটি ছোট অংশে প্রায় ১৫০ জনের জমায়েতের সুযোগ রয়েছে। ওই অংশ ব্যবহারের জন্য আলাদা করে মাঠ ভাড়া করতে হয় না। তবে বড় জমায়েতের ক্ষেত্রে সেই ব্যবস্থা কার্যকর হবে না।

সবচেয়ে বড় সমস্যা জায়গার অভাব। সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বাকি সময়ের জন্য রামলীলা ময়দানের প্রায় সব দিনের বুকিং হয়ে গিয়েছে। ফাঁকা রয়েছে শুধু ২৯, ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর। অর্থাৎ, টাকা খরচ করতে রাজি থাকলেও পছন্দের দিনে মাঠ পাওয়া কঠিন।

ফলে দিল্লিতে বিক্ষোভের নতুন ঠিকানা নির্ধারণ করেও প্রশাসন আন্দোলনকারীদের সমস্যার পুরোপুরি সমাধান করতে পারল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এক দিকে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রয়োজন, অন্য দিকে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মাঠ ভাড়ার খরচ এবং বুকিংয়ের অনিশ্চয়তা। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীতে ভবিষ্যতের আন্দোলনগুলি কোথায় এবং কী ভাবে হবে, এখন সেদিকেই নজর।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks