...
...
Next Story

Delhi Red Fort Blast Latest Update: লালকেল্লা বিস্ফোরণে নয়া চার্জশিট এনআইএ-র, মূল ষড়যন্ত্রকারীদের অন্যতম চিকিৎসক পলাতক

শুক্রবার বিশেষ এনআইএ আদালতে দাখিল করা সম্পূরক চার্জশিটে সংস্থাটি জানিয়েছে, পলাতক শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মুজাফ্ফর আহমেদ রাদার আল-কায়েদা-ঘনিষ্ঠ জঙ্গি সংগঠন এজিইউএইচ ইন্টারিম (AGuH Interim)-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং হামলার 'প্রধান পরিকল্পনাকারীদের' একজন।

Published on: Jun 28, 2026, 10:23:44 IST
Advertisement

দিল্লির লালকেল্লার কাছে গত বছরের ১০ নভেম্বর সংঘটিত ভয়াবহ গাড়িবোমা বিস্ফোরণের তদন্তে বড় অগ্রগতির দাবি করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। শুক্রবার বিশেষ এনআইএ আদালতে দাখিল করা সম্পূরক চার্জশিটে সংস্থাটি জানিয়েছে, পলাতক শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মুজাফ্ফর আহমেদ রাদার আল-কায়েদা-ঘনিষ্ঠ জঙ্গি সংগঠন এজিইউএইচ ইন্টারিম (AGuH Interim)-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং হামলার 'প্রধান পরিকল্পনাকারীদের' একজন।

এনআইএ-র দাবি, পলাতক শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মুজাফ্ফর আহমেদ রাদার আল-কায়েদা-ঘনিষ্ঠ জঙ্গি সংগঠন এজিইউএইচ ইন্টারিম (AGuH Interim)-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং হামলার 'প্রধান পরিকল্পনাকারীদের' একজন।
এনআইএ-র দাবি, পলাতক শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মুজাফ্ফর আহমেদ রাদার আল-কায়েদা-ঘনিষ্ঠ জঙ্গি সংগঠন এজিইউএইচ ইন্টারিম (AGuH Interim)-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং হামলার 'প্রধান পরিকল্পনাকারীদের' একজন।

এই বিস্ফোরণে আত্মঘাতী জঙ্গি উমর উন নবি-সহ মোট ১২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। নতুন সম্পূরক চার্জশিটে মুজাফ্ফর রাদারের পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীরের আরও দুই বাসিন্দা—জমির আহমেদ আহাঙ্গার এবং তুফাইল আহমেদ ভাটের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে এই মামলায় চার্জশিটভুক্ত অভিযুক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩।

চিকিৎসক থেকে জঙ্গি ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

এনআইএ-র দাবি, এমবিবিএস ও এমডি ডিগ্রিধারী শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মুজাফ্ফর রাদার কেবল সংগঠনের সদস্যই ছিলেন না, বরং হামলার মূল পরিকল্পনা তৈরিতে আত্মঘাতী জঙ্গি উমর উন নবি, মুজাম্মিল শাকিল, আদিল আহমেদ রাদার এবং মুফতি ইরফানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, মুজাফ্ফরের ভাই আদিল আহমেদ রাদার ইতিমধ্যেই এই মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন।

তদন্তে উঠে এসেছে, ২০২২ সালের জুন মাসে শ্রীনগরের ঈদগাহ এলাকায় একটি গোপন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুজাফ্ফর। আফগানিস্তানে পৌঁছানোর ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকেই AGuH Interim নামে নতুন জঙ্গি সংগঠনের সূচনা হয় বলে দাবি তদন্তকারীদের।

বিস্ফোরক তৈরির অভিযোগ

নতুন চার্জশিটে অভিযুক্ত জমির আহমেদ আহাঙ্গারকে জঙ্গি সংগঠনের "ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কার" (OGW) হিসেবে উল্লেখ করেছে এনআইএ। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি জঙ্গি সংগঠনের নির্দেশদাতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং অস্ত্র, গোলাবারুদ ও নগদ অর্থ পরিবহনের দায়িত্ব পালন করতেন।

অন্যদিকে, তুফাইল আহমেদ ভাটকে লস্কর-ই-তইবার (LeT) প্রাক্তন ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কার বলে দাবি করা হয়েছে। এনআইএ-র অভিযোগ, তিনি গোপন ডেড-ড্রপ পদ্ধতিতে একটি একে-৪৭ রাইফেল, একটি ক্রিংকভ রাইফেল, একটি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও বিপুল পরিমাণ গুলি সংগ্রহ করে আত্মঘাতী জঙ্গি উমর উন নবির হাতে তুলে দেন। এর বিনিময়ে তিন লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছিল বলেও দাবি তদন্তকারী সংস্থার।

আল-কায়েদার নতুন শাখা

AGuH Interim নামটি এসেছে আনসার গাজওয়াত-উল-হিন্দ (AGuH) থেকে, যা ২০১৭ সালে জাকির মুসা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মুসা নিহত হওয়ার পর সংগঠনটি কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লেও, এনআইএ-র দাবি, নতুন নামে সংগঠনটিকে পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছিল। তদন্তে আরও জানা গেছে, এই জঙ্গি মডিউলের অভ্যন্তরীণ কোডনাম ছিল 'অপারেশন হেভেনলি হিন্দ'। এর লক্ষ্য ছিল ভারতে জিহাদি মতাদর্শ ছড়িয়ে সদস্য সংগ্রহ, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক মজুত এবং শেষ পর্যন্ত ভারতের সাংবিধানিক কাঠামো উৎখাত করে শরিয়াভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা

এদিকে, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর পৃথক তদন্তে অভিযোগ করা হয়, ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধানের সুপারিশে এই উগ্রপন্থায় জড়িয়ে পড়া চিকিৎসকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকি সেই নিয়োগ অনুমোদন করেছিলেন বলেও তদন্তে দাবি করা হয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের ১৪ মে এনআইএ ৭,৫০০ পাতার মূল চার্জশিটে ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল। তাঁদের মধ্যে চারজন চিকিৎসক ছিলেন। তদন্তকারীদের দাবি, ফরেনসিক বিশ্লেষণ, ডিএনএ পরীক্ষার ফল, জিও-লোকেশন ম্যাপিং, আর্থিক লেনদেনের তথ্য এবং ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতেই গোটা ষড়যন্ত্রের চিত্র সামনে এসেছে। সংস্থা জানিয়েছে, মামলার তদন্ত এখনও অব্যাহত রয়েছে এবং আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe