‘সারাদিন পড়াশোনা করত। কোনও বন্ধু ছিল না। খুব শান্ত স্বভাবের ছেলে ছিল।’ দিল্লিতে লালকেল্লা বিস্ফোরণের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড উমর মহম্মদের সম্পর্কে এমনটাই জানাল তাঁর পরিবার। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যম এএনআই-কে তাঁর বৌদি মুজামিলা বলেন, ‘উমর খুব কম কথা বলত। ও ওই ধরনের ছেলেই নয়। ওকে পড়াশোনা করানোর জন্য আমরা প্রচুর লড়াই করেছি।’ পাশাপাশি তাঁর দাবি, উমরকে এই ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছে।
আল-ফালাহ মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক

সোমবার সন্ধেয় দিল্লির লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় সিসিটিভি খতিয়ে দেখার পর ডঃ উমর মহম্মদের খোঁজ পায় দিল্লি পুলিশ। রাতেই অমিত শাহ ও দিল্লি পুলিশ কমিশনার জানিয়েছিলেন, আই২০ মডেলের একটি গাড়িই বিস্ফোরণের কারণ। ঘটনাচক্রে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা যায় উমর মহম্মদই চালাচ্ছিলেন ওই গাড়িটি। দিল্লির আল-ফালাহ মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক উমরের খোঁজ করতে করতে তার জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাড়িতে গিয়ে হাজির হয় পুলিশ। সেখান থেকে উমরের দাদা, মা ও অন্য একজনকে আটক করে জেরা করছে পুলিশ।
পড়ানোর জন্য অনেক লড়াই করতে হয়েছে
সংবাদমাধ্যমের সামনে উমরের বৌদি মুজামিলা বলেন, ‘তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন ন, উমর সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে।’ তাঁর কথায়, ‘পুলিশ আমার স্বামী, ভগ্নীপতি এবং শাশুড়িকে তুলে নিয়ে গিয়েছে। আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে উমরের কোথায় থাকে সেই নিয়ে। আমরা বলেছিলাম, সে দিল্লিতে আছে। তারপরেই তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গিয়েছে। গত শুক্রবার উমরের সঙ্গে শেষ কথা বলেছিলাম। ও ওই ধরনের মানুষ না। তাকে পড়ানোর জন্য আমাদের অনেক লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে।’
বাগদান হয়ে গিয়েছিল উমরের
প্রসঙ্গত, জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা উমরই বিস্ফোরক দিল্লি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছিল বলে মনে করছে পুলিশ। পুলিশের অনুমান, বিস্ফোরণের কারণেই সে মারা গিয়েছে। মুজামিলার কথায়, ‘ছোটবেলা থেকেই চুপচাপ স্বভাবের। তাঁর খুব বেশি বন্ধু ছিল না । পড়াশোনা এবং কাজ নিয়েও ব্যস্ত থাকত ও। শুক্রবার ফোন করে বলেছিল ও পরীক্ষায় ব্যস্ত আছে। তিন দিন পর বাড়ি ফিরবে।’ প্রসঙ্গত, উমরের বাগদানও হয়ে গিয়েছিল। মুজামিলার কথায়, ‘আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি যাতে সে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে, আমাদের যত্ন নিতে পারে। আমি এই সব বিশ্বাস করতে পারছি না। তার বাগদান হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু এখনও তার বিয়ে হয়নি। গত দুই মাস ধরে ও বাড়িতে ছিল না।’
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা উমরই বিস্ফোরক দিল্লি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছিল বলে মনে করছে পুলিশ। পুলিশের অনুমান, বিস্ফোরণের কারণেই সে মারা গিয়েছে। মুজামিলার কথায়, ‘ছোটবেলা থেকেই চুপচাপ স্বভাবের। তাঁর খুব বেশি বন্ধু ছিল না । পড়াশোনা এবং কাজ নিয়েও ব্যস্ত থাকত ও। শুক্রবার ফোন করে বলেছিল ও পরীক্ষায় ব্যস্ত আছে। তিন দিন পর বাড়ি ফিরবে।’ প্রসঙ্গত, উমরের বাগদানও হয়ে গিয়েছিল। মুজামিলার কথায়, ‘আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি যাতে সে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে, আমাদের যত্ন নিতে পারে। আমি এই সব বিশ্বাস করতে পারছি না। তার বাগদান হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু এখনও তার বিয়ে হয়নি। গত দুই মাস ধরে ও বাড়িতে ছিল না।’
{{/usCountry}}