...
...
Next Story

Dhaka Blast: সকালে সুপ্রিম কোর্টের সামনে বোমা ফাটার পরে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু ছাত্রদের হলের সামনে বিস্ফোরণ

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রাত প্রায় ১০টা ৪৫ মিনিটে জগন্নাথ হলের সামনে প্রথম দুটি বিস্ফোরণ ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বাসিন্দা জানান, হঠাৎ পরপর দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে রাত ১১টার দিকে টিএসসি মেট্রোরেল স্টেশনের কাছের সড়কেও আরও একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়।

Published on: Sep 16, 2026, 09:30:35 IST
Advertisement

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় একদিনেই পরপর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের সামনে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু ছাত্রদের জন্য এই হোস্টেল। এদিক এর কিছুক্ষণের মধ্যেই টিএসসি মেট্রোরেল স্টেশনসংলগ্ন এলাকাতেও আরও একটি বিস্ফোরণের খবর আসে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে এত গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও তার আশপাশে পরপর বিস্ফোরণ স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রাত প্রায় ১০টা ৪৫ মিনিটে জগন্নাথ হলের সামনে প্রথম দুটি বিস্ফোরণ ঘটে।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রাত প্রায় ১০টা ৪৫ মিনিটে জগন্নাথ হলের সামনে প্রথম দুটি বিস্ফোরণ ঘটে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রাত প্রায় ১০টা ৪৫ মিনিটে জগন্নাথ হলের সামনে প্রথম দুটি বিস্ফোরণ ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বাসিন্দা জানান, হঠাৎ পরপর দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে রাত ১১টার দিকে টিএসসি মেট্রোরেল স্টেশনের কাছের সড়কেও আরও একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি, কারা এই বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত এবং দুটি জায়গার ঘটনার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তরের নিরাপত্তাকর্মীদের বক্তব্য অনুযায়ী, জগন্নাথ হলের সামনে বিস্ফোরণের সময় ওই রাস্তায় কোনও গাড়ি চলাচল করতে দেখা যায়নি। টিএসসি এলাকার বিস্ফোরণের ক্ষেত্রে বাইকে করে এসে কেউ ককটেল ছুড়ে পালিয়ে যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তাকর্মীরা। তবে এগুলি এখনও প্রাথমিক তথ্য; তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামলাকারীদের পরিচয় বা উদ্দেশ্য নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

ঘটনার গুরুত্ব আরও বেড়েছে কারণ একই দিন ঢাকার সুপ্রিম কোর্টের সামনেও একটি কাঁচা বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। ১৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের-সহ সাতজনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে বিস্ফোরণটি ঘটে। ওই ঘটনায় বিচারপতিদের প্রবেশপথের কাছেই ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছিল।

একই দিনে সুপ্রিম কোর্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-আইনি স্থাপনা এবং পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের অন্যতম প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। তবে এই ঘটনাগুলির মধ্যে সরাসরি কোনও যোগসূত্র রয়েছে—এমন তথ্য এখনও তদন্তকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনাগুলির কারণ নিয়েও আপাতত একাধিক প্রশ্ন রয়েছে। উদ্দেশ্য কি আতঙ্ক তৈরি করা, রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া, নাকি অন্য কোনও পরিকল্পনার অংশ—তা স্পষ্ট নয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এখন দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে ঘটনার প্রকৃত কারণ সামনে আনতে হবে।

কারণ, আদালত চত্বরের পর দেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পরপর বিস্ফোরণের ঘটনা শুধু বিচ্ছিন্ন দুই-একটি অপরাধ হিসেবে দেখার বিষয় নয়। একই দিনে ঢাকার একাধিক সংবেদনশীল এলাকায় এমন ঘটনা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এখন তদন্তের ফলেই স্পষ্ট হবে, এই বিস্ফোরণগুলি আলাদা ঘটনা, নাকি বৃহত্তর কোনও পরিকল্পনার অংশ।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks