...
...
Next Story

E20 Janta Party: ধর্মেন্দ্রর পর টার্গেট গডকড়ি! এবার আসরে ‘ই-২০ জনতা পার্টি’, তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

E20 Janta Party: ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গডকড়ির পদত্যাগের দাবিও উঠতে শুরু করেছে। সিজেপি-র দেখানো পথেই জন্ম নেওয়া ই-২০ জনতা পার্টি নিজেদের রাজনৈতিক দল নয়, বরং 'গ্রাহক অধিকারের নাগরিক আন্দোলন' বলে দাবি করছে।

Published on: Jul 27, 2026, 21:37:32 IST
Advertisement

E20 Janta Party: ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন আপাতত স্থগিত। সরকারের তরফে দাবি পূরণের আশ্বাস মিলেছে। তবে আন্দোলন পুরোপুরি শেষ হয়নি। বাকি দুই দাবি নিয়ে এখনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সংগঠনটি। সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর তাদের। ঠিক এই আবহেই রাজধানীতে আত্মপ্রকাশ করল আরেক নতুন প্ল্যাটফর্ম 'ই-২০ জনতা পার্টি।' এবার ইথানল মিশ্রিত পেট্রল বিক্রির সরকারি নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে এই সংগঠন। তাদের অভিযোগ, গ্রাহকদের ওপর কার্যত 'ভেজাল' পেট্রল চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ পেট্রল বিক্রির দাবি তুলে নতুন আন্দোলনের ডাক দিয়েছে তারা।

এবার আসরে ‘ই-২০ জনতা পার্টি’ (PTI and X)
এবার আসরে ‘ই-২০ জনতা পার্টি’ (PTI and X)

ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গডকড়ির পদত্যাগের দাবিও উঠতে শুরু করেছে। সিজেপি-র দেখানো পথেই জন্ম নেওয়া ই-২০ জনতা পার্টি নিজেদের রাজনৈতিক দল নয়, বরং 'গ্রাহক অধিকারের নাগরিক আন্দোলন' বলে দাবি করছে। তাদের বক্তব্য, অন্যান্য পণ্যের মতো জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রেও মানুষের পছন্দের স্বাধীনতা থাকা উচিত। সরকার যদি ইথানল মিশ্রিত পেট্রল বাজারে আনে, তাহলে পাশাপাশি ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ পেট্রলও একইভাবে বিক্রির সুযোগ রাখতে হবে। সিদ্ধান্ত নেবেন গ্রাহক, সরকার নয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় আত্মপ্রকাশের পর থেকেই দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে এই সংগঠন। এক্স-এ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাজার হাজার অনুসারী জুটেছে। ইনস্টাগ্রামেও সেই সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।

একই সঙ্গে নিতিন গডকড়ি অতীতের ইথানল-সমর্থনকারী বক্তব্য, সাক্ষাৎকার এবং ভিডিও ঘিরে একের পর এক মিম ও রিলস ভাইরাল হচ্ছে। অনেকেই ইতিমধ্যে স্লোগান তুলছেন—'ধর্মেন্দ্রর পর এবার গডকড়ি।' ই-২০ জনতা পার্টির অভিযোগ, ইথানল মিশ্রিত পেট্রলের ফলে বহু পুরনো গাড়ি ও বাইকের মাইলেজ কমছে, ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, জ্বালানি ট্যাঙ্ক ও ফুয়েল লাইনে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। পরিবহণ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত অনেকেরও দাবি, রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি, পরিবেশবিদদের একাংশের অভিযোগ, ইথানল উৎপাদনে বিপুল পরিমাণ জল ব্যবহৃত হওয়ায় ভূগর্ভস্থ জলের ওপরও চাপ তৈরি হচ্ছে। যদিও কেন্দ্রের দাবি, ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি আমদানি নির্ভরতা কমানো, কৃষকদের আখ ও অন্যান্য ফসলের বাজার তৈরি এবং কার্বন নির্গমন হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কিন্তু এই যুক্তি মানতে নারাজ আন্দোলনকারীরা।

এখন দেখার বিষয়, এই আন্দোলন শুধুই সামাজিক মাধ্যমের আলোচনায় সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি সিজেপির মতো বাস্তবের রাস্তায় নেমে আরও বড় গণআন্দোলনের রূপ নেয়। কারণ জ্বালানি নীতি, পরিবহণ খরচ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন—তিনটিই এই বিতর্কের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe