...
...
Next Story

Bangladesh and Sheikh Hasina: হাসিনার দেশত্যাগের আগেই সাজানো হয় ব্লু-প্রিন্ট? ইউনূসকে নিয়ে বিস্ফোরক প্রাক্তন প্রেস সচিব

Bangladesh and Sheikh Hasina: শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর, ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং পরবর্তী দেড় বছর বাংলাদেশ শাসন করে।

Published on: Oct 29, 2026, 23:43:57 IST
Advertisement

Bangladesh and Sheikh Hasina: ২০২৪। প্রবল বিক্ষোভের মাঝে, দেশ ছেড়েছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তাঁর দেশত্যাগের পরেই, সোনার বাংলার দখল নেয় সেনা। পরে ড. মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তবর্তীকালীন সরকার ছিল বাংলাদেশে। বর্তমানে বাংলাদেশে তারেক রহমান জমানা। আগামী ডিসেম্বরে, বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। তার আগেই বড় তথ্য সামনে এল।

মহম্মদ ইউনূসকে নিয়ে বিস্ফোরক প্রাক্তন প্রেস সচিব
মহম্মদ ইউনূসকে নিয়ে বিস্ফোরক প্রাক্তন প্রেস সচিব

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির (AFP) এক সাংবাদিক স্বয়ং শেখ হাসিনার দেশত্যাগের আগেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও নেতাদের সঙ্গে ফ্রান্সে অবস্থানরত ইউনূসের যোগাযোগের সেতু গড়ে দিয়েছিলেন। ইউনূসের প্রাক্তন প্রেস সচিব ও এএফপির প্রাক্তন ঢাকা ব্যুরো প্রধান শফিকুল আলমের এক ফেসবুক পোস্টের সূত্রে এমন চাঞ্চল্যকর খবর সামনে এসেছে। শফিকুল আলম তাঁর পোস্টে জানান, ছাত্রনেতারা যখন ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে ড. মহম্মদ ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানানোর কথা ভাবছিলেন, তখন একটি বিশ্বস্ত সেতুর প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। তৎকালীন এএফপি-র ঢাকার ফ্যাক্ট-চেক টিমের এডিটর কদরুদ্দিন শিশির এই ‘হাই-স্টেক অপারেশন’-এ অত্যন্ত গোপনে মূল মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন। অফিসে ঠিক তাঁর পাশেই বসে অত্যন্ত গোপনে ছাত্রনেতাদের পক্ষ থেকে ড. ইউনূসের সঙ্গে প্রথম যোগাযোগ স্থাপন এবং প্রাথমিক কথাবার্তা এগিয়ে নেওয়ার কাজটি সেরেছিলেন শিশির।

শফিকুল আলম লেখেন, 'আমার ডেস্ক থেকে মাত্র এক গজ দূরে বসে তিনি অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে এই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজটি পরিচালনা করেন। কেবল হাতেগোনা কয়েকজন বিশ্বস্ত ব্যক্তিই জানতেন যে কী ঘটছে। শিশিরই প্রথম ছাত্রনেতাদের পক্ষ থেকে ২০০৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং উভয় পক্ষের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনার পথ সুগম করেন। শেখ হাসিনার ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে তখনও দু'দিন বাকি ছিল। অথচ তাঁর নৃশংস নিরাপত্তা বাহিনী—যারা নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড ও গুমের জন্য কুখ্যাত—তারা ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি যে কী ঘটছে। যদি তারা বিষয়টি জেনে যেত, তবে শিশির-সহ আমাদের পুরো এএফপি টিমকে সম্ভবত ‘আয়নাঘর’-এর (গোপন বন্দিশালা) অন্ধকার প্রকোষ্ঠে ঠাঁই নিতে হতো। এই পুরো সময়টাতে শিশির অত্যন্ত শান্ত ও অবিচল ছিলেন। একইসঙ্গে তিনি গোপনে সেই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ভিডিও প্রমাণ সংগ্রহ করতে শুরু করেছিলেন, যা তখন তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী চালিয়ে যাচ্ছিল।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks