Mohsin Naqvi on Indian Team: 'ভারতও তো আয়ারল্যান্ডের কাছে হেরেছে', পাকের লজ্জার পরে পিঠ বাঁচাতে হাহাকার নকভির
Mohsin Naqvi on Indian Team: ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তানের ভয়াবহ বিপর্যয়ের মধ্যে পিঠ বাঁচানোর চেষ্টা করলেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি। যে পিসিবি চেয়ারম্যানকে অনেকে ‘বয়কটের হুমকি দেওয়া চেয়ারম্যান’ হিসেবেও কটাক্ষ করা হয়।
Mohsin Naqvi on Indian Team: নিজের কুর্সি বাঁচাতে ভারতকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করলেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি। লাগাতার বাজে পারফরম্যান্সের মধ্যেই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দুই টেস্টেই বিধ্বস্ত হওয়ার পরে পাকিস্তান ক্রিকেট টিম এবং পিসিবি যখন রোষের মুখে পড়েছে, তখন ভারতের ছায়ায় লুকানোর চেষ্টা করলেন। লন্ডনে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের প্রেক্ষিতে পিসিবি চেয়ারম্যান বলেন, 'আমি আপনাদের একটা প্রশ্ন করি। নামিবিয়ার কাছে হেরে গিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আয়ারল্যান্ডের কাছে হেরে গিয়েছে। ওখানেও কি ক্রিকেট শেষ হয়ে গিয়েছে?'

প্রশ্নে জর্জরিত হয়েছে নকভির নেতৃত্বাধীন PCB
সেই রেশ ধরে লাগাতার ব্যর্থতার জেরে নকভিদের দিকে যে পাকিস্তানের ক্রিকেট সিস্টেম ধ্বংস করে দেওয়ার এবং বারবার পরিবর্তনের আঙুল তোলা হয়েছে, তা নিয়েও নিজের পিঠ বাঁচানোর চেষ্টা করেছে পিসিবি চেয়ারম্যান। বিশেষত দ্বিতীয় টেস্টে হারের পরে তৃতীয় টেস্টের জন্য একের পর এক খেলোয়াড় এবং কোচকে (সাত খেলোয়াড় এবং দুই কোচ) ছেঁটে ফেলা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে নকভির নেতৃত্বাধীন পিসিবি।
আমরা কী করব? প্রশ্ন নকভির
তার প্রেক্ষিতে পিসিবির চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘হ্যাঁ। একটা বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। যাদের এখানে দরকার আছে, তাদের অবশ্যই আমরা নিয়ে আসব। যদি কেউ সাফল্য না পায় বা কেউ পারফর্ম করতে না পারে, তাহলে আমরা কী করব? আমাদের কাছে প্রতিটি ম্যাচ এবং প্রতিটি সিরিজ গুরুত্বপূর্ণ।'
আর পিসিবি চেয়ারম্যান সেই মন্তব্য করেছেন এমন একটা সময়, যখন ইংল্যান্ড সফরের প্রথম টেস্টে এক ইনিংস এবং ১০৩ রানে হেরে গিয়েছে পাকিস্তান। আর দ্বিতীয় টেস্টেও পরিণতি ভয়াবহ হয়েছে। লর্ডস টেস্টে হেরে গিয়েছে ১৯৪ রানে। তার ফলে তিন ম্যাচের সিরিজ ইতিমধ্যে ২-০ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে ইংল্যান্ড।
আমাদের ক্রিকেট শেষ? ‘সাফল্যের’ হার দেখালেন নকভি
তারপরই বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে যে নিজেদের ইতিহাসে সবথেকে নীচে নেমে গিয়েছি কিনা। সেই প্রেক্ষিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, ‘একদিনের ক্রিকেটে আপনারা অষ্টম স্থানে ছিলেন। এখন পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছেন। আপনাদের ছ'টি ODI সিরিজ ছিল। তার মধ্যে চারটিতে জিতেছেন। তারপরও আমাদের ক্রিকেট শেষ হয়ে গিয়েছে?’ সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের সাফল্যের হার ২৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭৩ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে। আর আমি স্রেফ একটি নির্দিষ্ট ম্যাচের কথা বলছি না। তারপরও আমাদের ক্রিকেট শেষ হয়ে গিয়েছে?’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


