মহারাষ্ট্রের নাসিকে টিসিএস-সংযুক্ত একটি বিপিও ইউনিটে যৌন হেনস্থা ও ধর্মীয় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে চলা তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)-এর জমা দেওয়া চার্জশিটে এক অভিযোগকারিণীর বয়ান উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে তিনি দাবি করেছেন যে তাঁকে বারবার নির্দিষ্ট ধর্মীয় বক্তাদের ভিডিও দেখতে বলা হয়েছিল এবং ধীরে ধীরে নিজের ধর্মীয় অনুশীলন থেকে দূরে সরে যেতে উৎসাহ দেওয়া হয়েছিল।
২৩ বছর বয়সী ওই অভিযোগকারিণীর দাবি, এক বিবাহিত সহকর্মী তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং পরে ধর্মীয় বিষয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। চার্জশিট অনুযায়ী, তাঁকে পাকিস্তানি ধর্মীয় বক্তা তারিক জামিল, বিতর্কিত প্রচারক জাকির নায়েক এবং অন্যান্য বক্তাদের ভিডিও দেখতে বলা হয়েছিল।
অভিযোগকারিণীর বয়ান অনুযায়ী, তাঁকে বলা হয়েছিল ভগবানের গান শোনা ও মন্দিরে যাওয়া বন্ধ করতে। একইসঙ্গে বিভিন্ন ইসলামি ধর্মীয় আচার ও ধারণা সম্পর্কেও তাঁকে অবগত করা হয়। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের কথাবার্তা ও প্রভাবের ফলে তিনি বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন যে ধর্ম পরিবর্তন করলে মানসিক চাপ কমবে। চার্জশিটে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে অভিযুক্তদের মধ্যে থাকা নীদা খান কর্মীদের নিয়ে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ পরিচালনা করতেন এবং সেখানে ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে চলার জন্য চাপ দেওয়া হত। অভিযোগ রয়েছে, মহিলা কর্মীদের পোশাক ও আচরণ সম্পর্কেও পরামর্শ দেওয়া হত।
এই মামলায় একাধিক কর্মীর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। এসআইটি ইতিমধ্যে একাধিক চার্জশিট জমা দিয়েছে এবং বেশ কয়েকজন অভিযুক্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। নীদা খান-সহ কয়েকজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা ও ধর্মীয় জবরদস্তির অভিযোগের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে, জানিয়েছে, অভিযুক্ত কর্মীদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং সংস্থা তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছে। সংস্থার দাবি, কর্মীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার বিষয়ে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই অভিযোগগুলি এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের রায়ের উপরই নির্ভর করবে।
{{/usCountry}}এই মামলায় একাধিক কর্মীর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। এসআইটি ইতিমধ্যে একাধিক চার্জশিট জমা দিয়েছে এবং বেশ কয়েকজন অভিযুক্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। নীদা খান-সহ কয়েকজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা ও ধর্মীয় জবরদস্তির অভিযোগের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে, জানিয়েছে, অভিযুক্ত কর্মীদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং সংস্থা তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছে। সংস্থার দাবি, কর্মীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার বিষয়ে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই অভিযোগগুলি এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের রায়ের উপরই নির্ভর করবে।
{{/usCountry}}