গত ১০ মার্চ ভারত থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে পাঠানো হয়। ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানির চুক্তি ছিল ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে। তবে ইউনুস জমানায় ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের টানাপড়েনে তা বন্ধ ছিল। এরই মধ্যে আগামী ৪ মাসে ভারতকে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধের আবহে জ্বালানি সংকট বিশ্ব জুড়ে। এই আবহে প্রতিবেশী ভারতের থেকে সাহায্য চেয়েছে বাংলাদেশ। তবে বছরের পর বছর ভারত থেকে কত শতাংশ ডিজেল আমদানি করে আসছে বাংলাদেশ?
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০০৬–০৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের আমদানি করা ডিজেলের ৯১ শতাংশই এসেছিল কুয়েত থেকে। তখন ভারতের অংশ ছিল ৯ শতাংশ। এর একদশক পরে, ২০১৬ সালে বাংলাদেশের আমদানি করা ডিজেলের ৫৫ শতাংশ এসেছিল সিঙ্গাপুর থেকে। কুয়েত থেকে এসেছিল মাত্র ২৮ শতাংশ। আর ভারত থেকে সেই বছর বাংলাদেশ নিয়েছিল মাত্র ১ শতাংশ ডিজেল। চিন থেকে সেই বছর ৫ শতাংশ ডিজেল নিয়েছিল বাংলাদেশ।
বিগত কয়েক বছরে অবশ্য ভারত থেকে ডিজেল আমদানি পর্যায়ক্রমে বাড়িয়েছে বাংলাদেশ। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ভারত থেতে ২.৭৭ লাখ টন ডিজেল আমদানি করেছিল বাংলাদেশ, যা তাদের মোট ডিজেল আমদানির ৮.১ শতাংশ ছিল। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ভারত থেতে ৫.২ লাখ টন ডিজেল আমদানি করেছিল বাংলাদেশ, যা তাদের মোট ডিজেল আমদানির ৬.২ শতাংশ ছিল। এরপর ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ভারত থেতে ৫.৫১ লাখ টন ডিজেল আমদানি করেছিল বাংলাদেশ, যা তাদের মোট ডিজেল আমদানির ১৫.২ শতাংশ ছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত থেতে ৪.৪৮ লাখ টন ডিজেল আমদানি করেছিল বাংলাদেশ, যা তাদের মোট ডিজেল আমদানির ১০.৭৪ শতাংশ ছিল। আর চলচি অর্থবর্ষের প্রথম আট মাসের হিসেব বলছে, ভারত থেতে ৩.৩৩ লাখ টন ডিজেল আমদানি করেছিল বাংলাদেশ, যা তাদের মোট ডিজেল আমদানির ১৪.৩ শতাংশ ছিল। শতাংশের নিরিখে ভারত আপাতত বাংলাদেশের জন্য তৃতীয় বৃহত্তম তেল রফতানিকারক দেশ। তবে যুদ্ধের পরিস্থিতিতে অন্য দেশের ওপর বাংলাদেশ কতটা নির্ভর করতে পারবে, তার ওপর সন্দিহান ঢাকা। তাই ভারত থেকে অতিরিক্ত ডিজেল কিনতে চাইছে তারা।
এদিকে গত ১০ মার্চ ভারত থেকে বাংলাদেশকে যে ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠাবো হয়েছে, তা বর্তমান চুক্তির অধীনে পাঠানো হয়েছে বলে স্পষ্ট করেছে দিল্লি। আগামী ৪ মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল রফতানি করার জন্য ভারতকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। গত ৮ মার্চ ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অনুরোধ করেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এই আবহে দিল্লি জানাচ্ছে, ভারতে কতটা তেল মজুদ আছে, তার ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশকে অতিরিক্ত তেল দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
{{/usCountry}}এদিকে গত ১০ মার্চ ভারত থেকে বাংলাদেশকে যে ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠাবো হয়েছে, তা বর্তমান চুক্তির অধীনে পাঠানো হয়েছে বলে স্পষ্ট করেছে দিল্লি। আগামী ৪ মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল রফতানি করার জন্য ভারতকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। গত ৮ মার্চ ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অনুরোধ করেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এই আবহে দিল্লি জানাচ্ছে, ভারতে কতটা তেল মজুদ আছে, তার ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশকে অতিরিক্ত তেল দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
{{/usCountry}}